করোনাভাইরাস মোকাবেলায় গুগল – অ্যাপলের যৌথ উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১:২৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২০

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় গুগল – অ্যাপলের যৌথ উদ্যোগ

Manual2 Ad Code

আদর্শ বার্তা ডেস্ক :

Manual4 Ad Code

পৃথিবী এখন প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছে। হাতের মোবাইল ফোনটিই একজন ব্যক্তির জীবনের অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ ও সহযোগিতা করতে পারে। এর ওপর ভিত্তি করেই প্রযুক্তি দুনিয়া নিয়ন্ত্রণ করা দুই জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান গুগল এবং অ্যাপল এবার মহামারী করোনাভাইরাস এর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে নেমেছে।

Manual6 Ad Code

প্রতিষ্ঠান দুটি একসাথে করোনা মোকাবিলায় ট্র্যাকিং সিস্টেম তৈরি করছে। করোনার বিস্তাররোধে তাদের এই সিস্টেম আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করবে। এর মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা অন্য ব্যক্তিকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

Manual1 Ad Code

বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমকিভাবে অ্যাপল ও গুগল এ ধরনের সমঝোতায় উপনীত হয়েছে যার ফলে তৃতীয় পক্ষের কোনো অ্যাপ ডেভেলপার যদি এ লক্ষ্যে অ্যাপ তৈরি করতে চান আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড ফোন সেজন্য দরকারি তথ্য ওই অ্যাপকে শেয়ার করবে। পুরোটাই তদারকি করা হবে ব্লুটুথে জমা থাকা তথ্য ব্যবহারের মাধ্যমে। এতে যেসব গ্রাহক স্বেচ্ছায় অংশ নেবেন শুধু তাদের ডাটাই ব্যবহার করা হবে। ব্যবহারকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

Manual8 Ad Code

মূলত প্রত্যেকটি স্মার্টফোন ব্লুটুথ সংযোগের তথ্য জমা রাখে। পরে আবার সংযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে সেই তথ্য ব্যবহার করে। অ্যাপল ও গুগলের এই উদ্যোগের ফলে স্মার্টফেনগুলো সর্বদা নজর রাখবে তারা কোন কোন ফোনের ব্লুটুথের কাছাকাছি দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করেছেন যা করোনাভাইরাস সংক্রমণের জন্য যথেষ্ট। এই অবস্থায় কোনো ফোনের মালিক যদি কোয়ারেন্টাইনে যান বা তার দেহে করোনা ধরা পড়ে, তাহলে ফোনের ব্লুটুথে থাকা সংযোগের তথ্য ব্যবহার করে সম্ভাব্য ঝুঁকিতে থাকা অন্য ফোনের মালিককে সতর্ক করা সম্ভব হবে। সাথে একটি সতর্কবার্তা চলে যাবে প্রথম ফোনটিতে।

এটির কাজের প্রথম শর্ত অবশ্য কোয়ারেন্টাইনে থাকা বা সংক্রমণের শিকার হওয়া ব্যবহারকারীর তথ্য শেয়ার করার ওপর নির্ভর করবে। এটি উদ্যোগ সফল হলে বিশ্বের প্রায় তিনশ কোটি স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এর আওতায় চলে আসবে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে এটি নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠান দুটি। তবে শুক্রবারই প্রথম তা প্রকাশ করে।
প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে জানা যায়, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস অপরেটিং সিস্টেমের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্যাকেজ যোগ করা হবে যার ফলে আলাদা কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করার প্রয়োজনীয়তা থাকবে না। এরপরও কেউ যদি তৃতীয় পক্ষীয় অ্যাপ ব্যবহার করতে চান সেই পথও খোলা থাকবে।

এক যৌথ বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠান দুটি জানায়, গোপনীয়তা, স্বচ্ছতা এবং সম্মতি হচ্ছে এই উদ্যোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতেই এই কৌশল কাজ করবে বলে আমরা আশাবাদী।

(সুত্র: চ্যানেল আই)

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ