উপনিবেশ বিরোধী চর্চা: ভদ্রলোকেরা লুঠেরা খুনি রাষ্ট্রবাদী ইওরোপপন্থী অার অভদ্ররা দেশ, সমাজপন্থী

প্রকাশিত: ১:১৭ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০

উপনিবেশ বিরোধী চর্চা: ভদ্রলোকেরা লুঠেরা খুনি রাষ্ট্রবাদী ইওরোপপন্থী অার অভদ্ররা দেশ, সমাজপন্থী

|| বিশ্বেন্দু নন্দ || কলকাতা (ভারত), ২৫ জুন ২০২০ : প্রগতি আর আধুনিকতার অর্থই অকেন্দ্রিভূত চরম বৈচিত্রময়ী সাম্যাবস্থার পরম্পরা ধ্বংস সাধন, না হলে লুঠেরা খুনি গণহত্যাকারী দখলদারি বড় পুঁজির সিন্দুক ভরে না, তাদের কোলাবরেটর ভদ্রবিত্তের স্বচ্ছল ইওরোপপন্থী অপচয়ী জীবনযাত্রা পালন করা সম্ভব হয় না।

ইওরোপ মাত্র কায়েক হাজার বছরের বেশি পেছনে হাঁটতে পারে না। পিছনে যা কিছু ছিল, বিশেষ করে অন্যের সমাজের, তাকে পুড়িয়ে ধ্বংস করে, তার মাঠা চুরি করে আত্মস্থ করে, তাকে সামনের দিকে এগোতে হয়। প্রগতি তার মুলমন্ত্র। তাই তাদের ইতিহাস সরলরৈখিক।
আর বিশ্বের অন্যান্য সমাজের চক্রিক।
এই ভদ্রবিত্ত যারা আধুনিকতা আর প্রগতির পথে হেঁটে ইওরোপিয় জীবনযাত্রা, ভাষা, খাদ্য, পোষাক, প্রযুক্তি ধার ক’রে, তারা অন্যদের প্রগতি বিরোধী দেগে দিয়ে যে কোন প্রকারে তাদের জ্ঞান দক্ষতা আর বাজার ধ্বংস করতে চায় তার বড় কারণ সংখ্যালঘিষ্ঠ এরা সক্কলে ইওরোপের প্রসাদপুষ্ট, এবং ইওরোপের(কয়েক দশক ইওরোপিয় আমেরিকিয়দের) দয়ায় ক্ষমতাশালী। এরাই বিভিন্ন দেশে ইওরোপের লুঠ খুন অত্যাচারের সংগী।
সংখ্যালঘু ভদ্রবিত্তএর একটাই সমস্যা, তারা পথ নির্দেশের জন্যে সারাক্ষণ ইওরোপ(আজ ইওরোপমন্য আমেরিকা)এর দিকে তাকিয়ে থাকে বুকের ভেতরে একখণ্ড ইওরোপ/আমেরিকা পুষে রেখে। নিজের দেশের অভদ্রবিত্ত মানুষকে অশ্রদ্ধা করে, অশিক্ষিত বলে, অদক্ষ বলে, তাই দেশিয় জ্ঞান, দক্ষতা কিছুই খুঁজে পায় না যতক্ষণনা প্রভু ইওরোপ সে দিকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে না দিচ্ছে। ইওরোপের বিকেন্দ্রিভূত পাগান সভ্যতা ধ্বংসের পথ ধরে ইওরোপের কর্পোরেট দখলদারির জন্যে নিজেদের দেশের পরম্পরাকে ধ্বংস করতে চায়। এরা দেশিয় পরম্পরার জীবনধারা, ভাবনা আর জ্ঞানচর্চার সরাসরি শত্রুভাবাপন্ন।
তাই ঘোমটা, হিজাব, ধুতি, কণ্ঠীমালা, তসবি, ধুতি, লুঙ্গি সব প্রগতিবিরোধী চিহ্নিত হয়। কিছু রাষ্ট্রবাদী অভদ্রলোক ভদ্রলোকিয় পথেই যায়। এরা সংখ্যালঘু, ইংরেজি শিক্ষিত এবং বৃহত্তর সমাজ বিচ্ছিন্ন।
পামেলা স্মিথ, সেই ইওরোপিয় পাগান কৃষ্টি জীবন নিয়ে আলোচনা করেছেন এই বইটিতে