অপেক্ষায় ছিলাম দিনশেষে লাখোপতির খাতায় নাম উঠবে কিনা

প্রকাশিত: ১২:৪৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২০

অপেক্ষায় ছিলাম দিনশেষে লাখোপতির খাতায় নাম উঠবে কিনা

|| শাহরীন রনা || বগুড়া, ২৯ অাগস্ট ২০২০: গতকাল সারাদিন অপেক্ষায় ছিলাম দিনশেষে লাখোপতির খাতায় নাম উঠবে কিনা। দিনটা শুরু করেছিলাম ৯৬০৬৮/- দিয়ে। আর উইতে মে মাসে পথচলা শুরু করেছিলাম ০ দিয়ে। আজ সকাল পর্যন্ত শুধুমাত্র উইতে হেয়ার প্রডাক্ট সেল ১০০,১১০/-

রাজিব স্যারের পোস্টগুলো অনুসরণ। মোটিভেশন। নিজেকে নিজের সবচেয়ে বড় এবং একমাত্র বন্ধু আর কটু কথা ইগনর করতে নিজেকেই কাউন্সিলিং৷ গত তিনমাসে এই ছিলো মানসিক যাত্রা৷

উই থেকে প্রথম অর্ডার ছিলো সাতটা৷ তিন বছর আর সাত মাসের বাচ্চাটাকে নিয়ে কি করে সেগুলো ম্যানেজ করেছি শুধু আমি জানি। ৭ দিনে ওজন কমেছিলো ৬ কেজি। নির্ঘুম রাত, অভুক্ত দিনগুলো আব্বু -আম্মু নিতে পারছিলো না। তবে বাধা দেয়নি। বরং যতোটা সম্ভব সহায়তা করেছেন। স্বামী নিজের ব্যবসার কাজ ফেলে কখনও কখনও চেষ্টা করেছে আমার কাজগুলো এগিয়ে দিতে। শেষ দু’মাসের যাত্রা ছিলো সবচেয়ে কঠিন। উইতে পোস্ট দিতে গেলে বা কাজ করার সময় ছোট ছেলেটাকে সামলানো!! কোলে বসে হাতের জিনিস টেনে নেয়া শিখে গিয়েছে। আর বড় ছেলে হেল্প করতে শিখেছে মাশা-আল্লাহ।

এখন আমার প্রাপ্তির খাতায় অনেকগুলো ভালোবাসার নাম। কাওকে বাদ দিয়ে কারও নাম নিবোনা। তবে উইতে এ্যাক্টিভ অনেকগুলো ছোট বোন পেয়েছি। মনিষা, ঐন্দ্রিলা, হৃদি। অসম্ভব রকমের ভালোবাসা পেয়েছি এদের কাছে।

আমার এই যাত্রায় উই পরিবার, রাজিব স্যার, নিশা আপু, আমার পরিবার,বন্ধু সবার অবদান অসামান্য। সবার প্রতি আমার আজীবন কৃতজ্ঞতা। আল্লাহ সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুক।

রনা
tiffinboxtaste
বগুড়া