পোশাক শিল্পই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি

প্রকাশিত: ৫:৩৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২০

পোশাক শিল্পই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি

চট্টগ্রাম, ১৯ অক্টোবর ২০২০ : রপ্তানিকারক পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয় অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই করোনাকালীণ সময়ে সবচেয়ে বেশী প্রণোদনা দিয়েছেন। চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে জাতীয় সমৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ষ্টোন। পোষাক শিল্পের আমদানি রপ্তানিকারকরা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সড়ক অবকাঠামো ব্যবহার করে বন্দরের মাধ্যমে তাদের নিত্য ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করে যাচ্ছেন।

এই ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন তাদের কাছ থেকে নূন্যতম একটি সার্ভিস চার্জ পেতে পারে। বিজিএমই কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পর্যায়ে এতোদিন ধরে সার্ভিস চার্জ দিয়ে আসলেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন তা থেকে বঞ্চিত। প্রশাসক এব্যাপারে বিজিএমইএ’র কাছ থেকে নূন্যতম একটি সার্ভিস চার্জ প্রত্যাশা করে। এ সার্ভিস চার্জ দিয়ে নগরীর সড়ক অবকাঠামোগুলো সংস্কার বা উন্নয়ন সম্ভব।

তিনি আজ অপরাহ্নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সম্মেলন কক্ষে বিজিএমইএ’র নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম নগরে যে বড় দুটি ইপিজেড এবং অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে এর সাথে রয়েছে তাদের বিশাল সংখ্যক কর্মী বাহিনী। ব্যবসায়ের সুবিধার্থে এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে এসব শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে নুন্যতম ট্যাক্স প্রাপ্য হলেও এক্ষেত্রে ট্যাক্সের আওতার বাহিরে রয়েছে। আমি এ বিষয়টি আপনাদের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করলাম। তিনি আরো বলেন, এ শহরটি অচিরেই একটি রিজিওনাল সেন্টারে পরিণত হবে। চলাচলের জন্য ভাল মানের রাস্তা ও অবকাঠামো প্রয়োজন। কিন্তু তা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এই ব্যয় নির্বাহে বিজিএমইএ’র অংশীদারিত্ব চট্টগ্রাম নগরবাসীতো বটেই তার সুফল ভোগ করেবে সারা দেশের রপ্তানি কারক পোশাক শিল্প।

এ প্রসঙ্গে প্রশাসকের উত্থাপিত প্রস্তাবনা ইতিবাচক হিসেবে অবহিত করে বিজিএমই’র প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে সিএন্ডএফ এর সাথে যুক্তি উত্থাপন করবো এবং তাদের মাধ্যমে সার্ভিস চার্জ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে প্রদানের পদক্ষেপ নেব। তিনি আরো বলেন, বিজিএমইএ’র একটি হাসপাতাল আছে, সেটি চসিক চাইলে নগরবাসীর স্বাস্থ্য সেবার জন্য ব্যবহার করতে পারবে। চসিক পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য শীতকালীন পোশাক দেওয়ার ঘোষণা দেন বিজিএমইএ’র নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ গার্মেন্টস শিল্পের উন্নয়নের উপর জোর দেয়ার জন্য প্রশাসকের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। প্রশাসকও তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

এ সময় চসিক প্রধান নির্বাহী র্কমর্কতা মুহাম্মদ কাজী মোজাম্মলে হক, প্রধান রাজস্ব র্কমর্কতা মুফিদুল আলম, একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজস্ব র্কমর্কতা সাহিদা ফাতেমা ও বিজিএমইএ’র সহ সভাপতি এ.এম চৌধুরী সেলিম, পরিচালক মোহাম্মদ মুছা, অঞ্জন শেখর দাশ, খোন্দকার বেলায়েত হোসেন, মোহাম্মদ আতিক ও এনামুল আজিজ চৌধুরীসহ বিজিএমইএ’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।