যুক্তরাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের ৭ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারাইন্টাইনে থাকতে হবে

প্রকাশিত: ৬:০৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৩, ২০২০

যুক্তরাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের ৭ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারাইন্টাইনে থাকতে হবে

ঢাকা, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে কোভিড-১৯ এর নতুন ধরণ দেখা দেয়ায় যুক্তরাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের দেশে প্রবেশের পর সাতদিন বাধ্যতামূলক কোয়ারাইনটাইনে থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ‘৭ দিন শেষ হলে কোয়ারাইনটাইনে থেকেই সরকারিভাবে যাত্রীদের কোভিড টেস্ট করে ছেড়ে দেয়া হবে। দেশের কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ বুধবার সকালে রাজধানীর আশকোনা হজ্ব ক্যাম্পে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য জিন এক্সপার্ট মেশিন, মোবাইল পিসিআর ল্যাব ও অ্যান্টিজেন টেস্ট ব্যবস্থা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশকোনা হজ্ব ক্যাম্পে থাকা জিন এক্সপার্ট মেশিন, মোবাইল পিসিআর ল্যাব ও অ্যান্টিজেন টেস্ট সেন্টারগুলির উদ্বোধন করেন।
জাহিদ মালেক বলেন, ‘জিন এক্সপার্ট মেশিনে কোভিড-১৯ টেস্টের মাধ্যমে দেশে নতুন আরেকটি প্রযুক্তি যুক্ত হলো। আজ নতুনভাবে জিন এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে কোভিড-১৯ পরীক্ষা শুরু হলো। সুতরাং কোভিড মোকাবেলায় আমরা সব দিক দিয়েই এখন সেবার মান বৃদ্ধি করেছি। কোভিড মোকাবেলায় স্বাস্থ্য খাতের যথোপযুক্ত উদ্যোগ থাকায় দেশের মানুষ স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছে, ব্যবসা বাণিজ্য চলমান রয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও ঊর্দ্ধমূখী রয়েছে।’
মোবাইল পিসিআর ল্যাব প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মোবাইল পিসিআর ল্যাবটি এশিয়ার সর্বপ্রথম বিএসএল-২ সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিক মানের মোবাইল করোনা টেস্টিং ল্যাব। যেখানে রোগীরা নিজের অবস্থানে থেকেই নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দে করোনা পরীক্ষা ও অন লাইনে রিপোর্ট পাবেন। এছাড়াও উন্নত বিশে^র ন্যায় জরুরি প্রয়োজনে নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত হয়ে বা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিল্পাঞ্চলে গিয়ে স্যাম্পল নেয়া এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে যথাসময়ে অনলাইনে রিপোর্ট প্রদানের সুবিধা থাকছে এই মলিক্যুলার ল্যাবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ডিএমএফআর-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফাইজুর রহমান, লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম, লে. কর্নেল সাইফসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।