বাংলার প্রথিতযশা সুফি সাধক শাহ মখদুম রুপোশ

প্রকাশিত: ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১০, ২০২১

বাংলার প্রথিতযশা সুফি সাধক শাহ মখদুম রুপোশ

কামরুল হাসান সুমন || রাজশাহী, ১০ মার্চ ২০২১ :

১২১৬-১৩১৩ খ্রিষ্টাব্দ বাংলার প্রথিতযশা সুফি সাধক এবং ধর্ম প্রচারকদের অন্যতম শাহ মখদুম রুপোশ।
তিনি ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষার্ধে এবং চতুর্দশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলাদেশ তথা রাজশাহী অঞ্চলে ইসলামের সুমহান বানী প্রচার করেছিলেন। তার অনুপম ব্যাক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে হাজার হাজার মানুষ ইসলাম ধর্মের দীক্ষা গ্রহণ করেন।মুলত শাহ মখদুমের মাধ্যমেই বরেন্দ্র ও গৌড় অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম বিস্তার লাভ করে।
ধর্ম ও জ্ঞান সাধনায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য বিভিন্ন সময়ে তার নামের সাথে শাহ মখদুম রুপোশ ইত্যাদি উপাধি যুক্ত হয়।
তিনি শাহ মখদুম রুপোশ নামেই সারা পৃথিবীতে বিখ্যাত।
তার মৃত্যুর পর রাজশাহী শহরের পদ্মা নদীর তীরে রাজশাহী কলেজের পাশে দরগাহ পাড়া নামক স্থানে সমাহিত করা হয়।
তার সমাধীস্থলে দেশ বিদেশের হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও অন্যান্য ধর্মের মানুষের ইবাদত বন্দেগী করার জন্যে আসে।
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে সেখানে উন্নয়ন হয়েছে।
উত্তরাঞ্চল সহ দেশের মানুষের দাবী ছিল সমাধীস্থলের প্রবেশ দ্বারটা যেন সূরম্য ও সুন্দর করা হয়।
দীর্ঘ দিনের সেই দাবীর প্রেক্ষিতে রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ও উত্তরাঞ্চল তথা গণমানুষের নেতা ফজলে হোসেন বাদশা এমপি সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দেন দরবার করে একটি সূরম্য ও সুন্দর প্রবেশদ্বার নির্মানের বরাদ্দ দেন।
সেটি দরপত্রের মাধ্যমে কাজ শুরু হয় কিন্তূ জানিনা কোন অদৃশ্য কাজটি শুরু হওয়ার পর মাঝ বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
শাহ মখদুম রূপোশের সমাধীস্থলের প্রবেশদ্বার নির্মানের দায়িত্বরত প্রতিষ্ঠান ও বাস্তবায়ন বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিকট আবেদন বাৎসরিক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের আগেই সূরম্য প্রবেশ দ্বার টি নির্মাণ শেষ করে রাজশাহী ও দেশের মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি টি পূরণ করা হোক।