বগুড়ায় নির্মিত হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই

প্রকাশিত: ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০২১

বগুড়ায় নির্মিত হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই

বগুড়া, ২০ এপ্রিল ২০২১ : বগুড়া ২৫০ শয্যার মোহাম্মদ আলী হাসপাতাকে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ (সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই ) এর আওতায় আনা হচ্ছে। করোনায় মূমুর্ষ রোগীদের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলার করোনা রোগীদের অক্সিজেন প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়ার জন্য মোহাম্মদ আলী হাসপাতলে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ সচল হলে হাসপাতালে করোনা রোগীদের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলার মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে হাসপাতলে ৮ টি আইসিইউ বেডের অবকাঠামোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হাসপাতলের তত্বাবধায়ক এ টি এম নুরুজ্জামান জানান, আইসিইউ বেডের অবকাঠামো শেষ হয়েছে এবং সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই এর কাজ চলছে। এ সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই চালু হলে ২২৩ জন কোবিড ও ননকোবিড রোগীদের অক্সিজেন সাপ্লাই করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে হাসপাতলে ২২৩ টি অক্সিজেন পয়েন্ট বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। আইসিইউতে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মাধ্যমে করোনর সংকটাপন্ন রোগীদের অক্সিজেন সেবা দেয়া সম্ভব হবে।

গত ২২ ডিসেম্বরে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠনটি কেন্দ্রীয় সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিসটেম এর কার্যাদেশ পায়।ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে কাজ শেষ করে তা সংশ্লিষ্টদের বুঝিয়ে দেয়ার কথা থাকলে ও কেন্দ্রীয় সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিসটেমের কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান, হাসপাতলের তত্ত্বাবধায়ক । সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম চালু হলে হাসপাতলের স্বাস্থ্য কর্মীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে রোগীর বেডে বেডে টানা হেঁচড়া করতে হবেনা। তিনি আরো বলেণ আইসিইউ বেড এলেই করোনা রোগীদের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলার মাধ্যমে বেড গুলো চালু হবে। করোনা ঝুঁকি পূর্ণ বগুড়ায় কিছুটা হলেও আইসিইউ বেডের সুবিধা মিলবে। তা ছাড়া বগুড়া শজিমেক হাসপাতলে ৮ টি আইসিইউ বেড ও ৭ টি এইডিইউবে চালু আছে। মোহাম্মদ আলী হাসপাতলে আইসিইউ বেড চালূ হলে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতলের উপর থেকে চাপ কমে যাবে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে জানান, চলতি মাসের শেষের দিকে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহের কাজ সম্পন্ন হবে।মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জানান, এ সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের কাজ ব্যয় হচ্ছে ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা।