ধর্ম যখন সন্ত্রাসীর হাতিয়ার-১৪: বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ (২)

প্রকাশিত: ১২:২২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২১, ২০২১

ধর্ম যখন সন্ত্রাসীর হাতিয়ার-১৪: বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ (২)

||।। হাফিজ সরকার ।। ||

২১ এপ্রিল ২০২১ : মুসলিম উগ্র মৌলবাদের উত্থানঃ
আশির দশকের এই সময়কালে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে মৌলবাদী উগ্র ধর্মীয় মতবাদের উত্থান ঘটে। ইরানের ইসলামিক বিপ্লব,আফগানস্থানে সোভিয়েত আগ্রাসন বিরোধী মুজাহিদিনদের লড়াই, তালিবানদের উত্থান ইত্যাদি ঘটনাবলী বাংলাদেশেও এ ধরণের মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক তৎপরতার বিস্তার ঘটায়। জামায়াতে ইসলামসহ পুনর্গঠিত বিভিন্ন সংগঠনর প্রকাশ্যে মৌলবাদী ধ্যানধারনার প্রচার ও প্রসারের পাশাপাশি গোপনে বিভিন্ন ‘জেহাদি সংগঠন’ গড়ে ওঠে। সামরিক শাসকদের ঐ সকল রাজনীতির পৃষ্টপোষকতা বিশেষ করে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম হিসাবে ইসলামকে ঘোষণা করার পরিপ্রেক্ষিতে এসব মৌলবাদী তৎপরতা আরও বেগবান হয়। এসব ইসলামপন্থী দল প্রকাশ্য আফগানিস্থানের মত এদেশেও তালেবানি শাসন প্রতিষ্ঠার স্বপক্ষে প্রচার চালায়। অন্যদিকে আফগান ফেরত মুজাহিদরা গোপনে সংগঠিত হতে শুরু করে। নব্বুইয়ের মধ্যভাগে বাংলাদেশে এ ধরণের ঊনত্রিশটির উপরে গোপন সংগঠন ক্রিয়াশীল হয়। আন্তর্জাতিকভাবে এ সকল সংগঠনের সঙ্গে পাকিস্থানের বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠন হুজি, লস্কর-ই- তৈবা, জসেস ইসলামী প্রভৃতি সংগঠন সম্পৃক্ত হয়। এক্ষেত্রে পাকিস্থানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর এসব সংগঠনকে সরাসরি সহযোগিতারও প্রমাণ পাওয়া যায়। রাবেতা আল ইসলাম, ইসলামী ব্যাঙ্ক ও বিভিন্ন নামের ইসলামী এনজিও-র মাধ্যমে এসকল গোপন সশস্ত্র সংগঠনে অর্থায়ণ করা হয়।

জঙ্গী হামলাঃ

এ সকল জঙ্গি সংগঠনের মূল রিক্রুটিং কেন্দ্র ছিল মাদ্রাসাগুলি, বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা যা বেশীরভাগ হেফাজত নিয়ন্ত্রণ করে। এ সকল মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডং-এর ছাত্রদের ধর্ম ও অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে সংগঠিত করা হয়। নব্বইয়ের শেষ ভাগে এসব সংগঠনের মধ্যে হরকাতুল জিহাদ ইসলামী (হুজি) দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সিনেমাহল, সার্কাস, খ্রিষ্টান গির্জায় সশস্ত্র হামলা চালায়। কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনার সভাস্থলে হুজি ৭০ কেজি বিস্ফোরক পুঁতে রাখে হত্যার প্রচেষ্টা চালায়। যশোরে উদীচীর সম্মেলনে হামলা, বানিয়াচরের গির্জায় বোমা বিস্ফোরন, জঙ্গীবাদী হামলার উদাহরণ।

আওয়ামী লীগের ভূমিকাঃ

‘৯০-এর শেষভাগে আওয়ামী লীগ সরকার এই সমস্ত জঙ্গী গোষ্টির বিরুদ্ধে বিশেষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তাদের শাসনের সময়ে মূল লক্ষ্য ছিল দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাসমূহে সর্বহারা সহ বিভিন্ন কমিউনিস্ট নামধারী সংগঠনের সশস্ত্র ও হত্যা মামলার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা। এক্ষেত্রে ঐ সরকার বিশেষ সাফল্য অর্জন করলেও জঙ্গীবাদী ও মৌলবাদী উত্থানের ব্যপারে মনোযোগী ছিলনা। বরং ইসলাম পন্থার সাথে এক ধরণের আপোষ নীতি অনুসরণ করায় বাংলাদেশে মৌলবাদী রাজনীতির প্রসার ঘটে। বিশেষ করে শহিদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ‘৭১’-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও জামাতে ইসলামকে নিষিদ্ধ করার দাবীতে ঘাতক- দালাল নির্মূল কমিটির যে আন্দোলন গড়ে ওঠে তাকেও সীমিত করে দেওয়া হয়।

বামপন্থীদের ঘাটতিঃ

বামপন্থী রাজনীতির অদূরদর্শিতার কারণে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিস্তার রোধে কোন কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়নি। সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বাম গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য, সংগ্রাম গড়ে তোলায় ঘাটতি এখনও বিদ্যমান।

বিএনপি-র ভূমিকাঃ

২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি -জামায়েতের ক্ষমতা লাভ, এই মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক রাজনীতির আরও প্রসার ঘটায়। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে ব্যবহার করে জামায়েতে ইসলাম প্রশাসন, অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে তাদের শিকড় বিস্তৃত করে। জামায়েতের উপর বিএনপির নির্ভরতার কারণে তাদের রাজনীতির ক্ষেত্রেও মৌলিক পরিবির্তনের সূচনা করে। তারাও এই মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে আরও পৃষ্টপোষকতা প্রদান করে। বিএনপি-জামায়াতে জোট শাসনকালে গোপন সশস্ত্র সংগঠনের প্রধান হিসাবে জেএনবি প্রকাশ্যে তার কার্যক্রম শুরু করে। রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলে তারা রীতিমত তাণ্ডব চালায়। তাদের এসকল কার্যকলাপে বিএনপির মন্ত্রী ও এমপি পর্যায়ে, তাদের নির্দেশে পুলিশ প্রশাসনের সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। দেশের উত্তরাঞ্চল বাদেও জেএনবি সারাদেশে একই সময়ে ৬১ জেলায় বোমা ফাটিয়ে তাদের সামর্থ্যের পরিচয় দেয়। এর বাইরে দেশের বিভিন্ন আদালতে আক্রমণ চালিয়ে বিচারপতি-আইনজীবী হত্যার ঘটনা ঘটায়। বিএনপি জামায়েত আমলে সব চেয়ে বড়
ঘটনা ছিল ২১ শে আগস্ট শেখ হাসিনার জনসভায় উপর্যুপরি গ্রেনেট হামলায় তাকে সহ আওয়ামীলীগ নেতাদের হত্যার চেষ্টা।
বিএনপি-জামায়েত-জেএনবির তৎপরতাকে মিডিয়ার সৃষ্টি বলে আখ্যায়িত করেছিল, ২১ আগস্ট গ্রেনেট হামলাকেও
আওয়ামী লীগের নিজেদের সৃষ্টি বলে প্রচার করে এবং প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতারের বদলে ‘জজমিয়া’ নাটক সাজায়।

আইএস-এর উত্থানঃ

জেএনবি জঙ্গীবাদী উত্থানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সেদিন একা দাঁড়িয়েছিল। পরবর্তীতে অন্যরাও এর সাথে যূক্ত হয়। কিন্তু যে একাগ্রতা নিয়ে জঙ্গীবাদ বিরোধী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার ছিল সেটা হয়নি। ২০০৮ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় আসীন হয় এবং অত্যন্ত দ্রুততার সাথে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের
বিচারের কার্যক্রম শুরু করে। এটা ছিল এদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কিন্তু যুদ্ধাপরাধের যে রাজনীতি এ যাবতকাল বহাল ছিল তাকে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত করতে গণজমায়েত ও জনগণকে সংগঠিত করার যে উদ্যোগ প্রয়োজন ছিল সেটা হয়নি। বরং আওয়ামী লীগ সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে বহাল রেখে, হেফাজত তোষণ নীতি এদেশের ধর্মভিত্তিক রাজনীতির পথকে অবারিত রেখেছে এবং ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক শক্তির কাজ করার জায়গা সঙ্কুচিত করেছে। এধরণের এক প্রেক্ষাপটে আইএস
-এর প্রতিষ্ঠা ঘটে এবং বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের তরুণরা এর প্রতি আকৃষ্ট ও তার সঙ্গে শারীরিকভাবে অথবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে আইএসের নামে এই সমস্ত হত্যাকান্ডের মধ্যদিয়ে তারই প্রকাশ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

জঙ্গিদের ভিত্তিঃ

সংগঠন হিসাবে আইএসের কোন সাংগঠনিক ভিত্তি বাংলাদেশে নেই। তবে জেএনবি সহ বিভিন্ন গোপন জঙ্গী সংগঠন এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। আইএসের দ্বারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গীরাও এ ধরণের কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে। এ সকল জঙ্গীদের ক্ষেত্রে পূর্বতন জঙ্গীদের একটা মূলগত পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। জেএমবি, আনসারুল্লা বংলা টিম সহ প্রতিষ্ঠিত সংগঠন মূলত মাদ্রাসার ছাত্র কেন্দ্রীক হলেও, আইএস নামধারী জঙ্গিরা উচ্চবিত্ত -উচ্চ মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান এবং ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করা। এটা জঙ্গী তৎপরতার ক্ষেত্রে নতুন বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। তবে জেএমবি, আনসারুল্লা বাংলা টিম সহ বিভিন্ন সংগঠন গ্রেফতারের পর আদালত অথবা পুলিশের কাছে যে স্বীকারোক্তি দিচ্ছে তা থেকে তারা কোন না কোন সময় জামাত ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল বলে জানা গেছে।

চাই উদ্যোগঃ

বস্তুত যূদ্ধাপরাধের বিচার ও তার রায় বানচাল করার জন্য জামাত যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে দেশ-বিদেশে প্রচারাভিযান চালিয়েছে , তাদের স্বপক্ষে পশ্চিমা দেশসমুহের প্রশাসনকে কাজে লাগাতে লবিস্ট নিয়োগ করেছে, তাদের শেষ অস্ত্র হিসাবে এসকল জঙ্গীদের অর্থায়ণ, আশ্রয়-প্রশ্রয় প্রদান এবং নেট ওয়ার্কিং এর মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করে এই জঙ্গীদের তারাই লেলিয়ে দিচ্ছে বলে বিভিন্ন ঘটনায় প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। সে কারণে এই মূহুর্তে জামাত- শিবিরকে নিষিদ্ধ করা, তাদের অর্থায়ণকারী প্রতিষ্ঠান সমহূকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং জামায়েত-শিবির নেতৃত্বকে বিচারের সম্মুখীন করা জঙ্গীবাদ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে জরুরি কর্তব্য হয়ে পড়েছে। জঙ্গী তৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন ও সংগঠিত করাও অত্যন্ত জরুরি কাজ।এব্যপারে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক জোট ১৪ দলকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের ঐক্যও প্রতিরোধ গড়ে তোলার কাজে উদ্যোগ নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে তা বাস্তবায়িত করতে হবে। এক্ষেত্রে আওয়ামীলীগ নেতৃত্বের উপেক্ষা, নিপীড়ন ও নিষ্ক্রিয়তা, অজুহাত করা যাবে না।
কোথাও আওয়ামীলীগ এগিয়ে না আসলে অন্যান্য শরিক দল, সামাজিকভাবে মুক্তিযূদ্ধের পক্ষের মানুষদের সাথে নিয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।

বিপন্ন স্বাধীনতাঃ

বাংলাদেশের জঙ্গী তৎপরতার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল সংখ্যালঘু ও সমাজের দুর্বল অংশের মানুষের উপর আক্রমণ পরিচালনা করে সারা দেশে একটি সাম্প্রদায়িক আবহাওয়া ও ভীতির আবহাওয়াতৈরি করা, জনমনে ভীতির সঞ্চার করা। এসকল জঙ্গী হামলার মূল লক্ষ্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হওয়ায় তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশা সৃষ্টি হচ্ছে। তাদের নেতৃত্বের কেউ কেউ এ ক্ষেত্রে ভারতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। ভারতের বিজেপি সরকারও বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব প্রদান, জমি-বাড়ী করার সুযোগ প্রদান করা হবে বলে যেসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে চলেছে তারও বিরূপ প্রতিক্রিয়া এদেশে পড়বে। এই অবস্থায় সকল বাম সংগঠন, ১৪ দল সহ সকল অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে অতীতের মত নিরলস প্রচার,ও আন্দোলন পরিচালনায় আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। এটা সবাইকে বোঝাতে হবে দেশের মধ্যেএকটি সাম্প্রদায়িক আবহ তৈরি করে বিশেষ সুযোগ নিতে চাইলেও, এসকল আক্রমণ কোন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়, সমগ্র দেশের, স্বাধীনতার এবং সব ধর্মের মানুষের বিরুদ্ধে।

চাই ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপঃ

একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জঙ্গীবাদী সংগ্রামে অনেক ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দুঃশাসন, দুর্নীতি, লটু পাট, পরমত সহিষ্ণুতার অভাব এবং সর্বোপরি সাংগঠনিক গ্রুপিং ও নিষ্ক্রিয়তা। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বারবার আহ্বানের পরও আওয়মী লীগের নীচের পর্যায়ের সংগঠন সমুহ সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রম গ্রহণে উদ্যোগী নয়। বরং বিভিন্ন
জায়গায় আওয়ামি লীগ নেতৃত্ব , অর্থ ও সুবিধার বিনিময়ে কেবল জাময়েতকে রক্ষা করছে নয়, তাদের নিজ দলে অন্তর্ভুক্ত করছে, এমনকি নির্বাচনে মনোনয়ন পর্যন্ত দিয়েছে। তবে দেশে আইনের শাসনের, অনুপোস্থিতি, দুর্নীতি, দুঃশসনের কারণে জঙ্গীবাদ-সাম্প্রদায়িকতা বিস্তার ঘটছে বিএনপি সহ বামপন্থীদের কোনও কোনও অংশ যে দাবি করছে তা কেবল ভুলই না অতীতের মতই জঙ্গীবাদের বিপদ অস্বীকার করা এবং তার মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ কার্যক্রম করতে অস্বীকৃতি জানানোরই সামিল বলে বিবেচিত হয়। একথা বোঝা প্রয়োজন যে প্রশাসনে উপর জঙ্গীবাদ মোকাবেলার দায়িত্ব দিলে এবং নির্ভর করলে গণতান্ত্রিক স্পেসকেই সঙ্কুচিত করবে। জঙ্গীবাদের উদ্ভবের কারণ ও তার মোকাবেলায় যেসব পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাই বরং গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করতে পারে।
(চলবে)