ধর্ম যখন সন্ত্রাসীর হাতিয়ার-১৫: বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ (৩)

প্রকাশিত: ৭:৩৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২১

ধর্ম যখন সন্ত্রাসীর হাতিয়ার-১৫: বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ (৩)

||।। হাফিজ সরকার ।। ||

২২ এপ্রিল ২০২১: বাংলাদেশে জঙ্গী কর্মকান্ডঃ প্রথম পর্ব
সময়কাল : ১৯৯৯ থেকে ২০০৪। গোড়াপত্তনঃ আফগান মুজাহিদের হাতে। হামলা চালায়ঃ হরকাতুল জিহাদ।
দেশীয় সহযোগিতাঃ বিএনপি জামায়েত।
আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষকতাঃ আফগানিস্থান, পাকিস্থান, সৌদি আরব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
মোট হামলাঃ ১৩ টি ( গ্রেনেট ও শক্তিশালী বোমা)। নিহতঃ ১০৯ জন। আহতঃ ৭০০ জনের বেশী।

প্রধান প্রধান নাশকতাঃ
* ৬ মার্চ ১৯৯৯ – যশোরে উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলা।
* ০৩ জুন ২০০১ – গোপালগঞ্জে গির্জায় বোমা হামলা।
* ১৪ এপ্রিল ২০০১ – রমনার বটমূলে বাংলাবর্ষের বর্ষবরন অনুষ্ঠানে বোমা হামলা।
* ১৬ জুন ২০০১ – নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলা।
* ২১ মে ২০০৪ – সিলেট হযরত শাহ জালালের মাজারে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের উপর গ্রেনেড হামলা।

* ২১ আগস্ট ২০০৪ – বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলা ও গুলি করে হত্যার চেষ্টা। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা সব চেয়ে ভয়াবহ ছিল। হামলার ধরণ দেখে মনে হয় শেখ হাসিনা সহ আওয়মী লীগের সম্পূর্ণ নেতৃত্বকে শেষ করার পরিকল্পনা ছিলো। তৎকালীন জোট সরকার জড়িত বলে অনেকেই মনে করে।

দ্বিতীয় পর্বঃ
সময়কাল : ২০০১ থেকে ২০০৫ সাক।

জংগিদের প্রশিক্ষনের ঘাটি ~ ৬২ জেলার ২১৫টি মাদ্রাসায়।

বাংলাদেশে জঙ্গি কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্ট অথবা সমর্থনকারী ইসলামি সংস্থা ~ ১২৫টি।

হামলা চালায় ~ জেএমবি।
জেএনবির প্রতিষ্ঠাতা ~ সাইক আব্দুর রহমান ও সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই।

জেএনবির জন্ম~ এপ্রিল ১৯৯৮ সাল। উদ্যেশ্য ~ শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা। কর্মী সংগ্রহ ~ মাদ্রাসা বোর্ডের আওতাধীন মাদ্রাসা থেকে বেশির ভাগ কর্মী সংগ্রহ।

দেশীয় সহযোগিতা ~ বিএনপি, জামায়েত।

আন্তর্জাতিক পৃস্টপোষকতা ~পাকিস্থানের লস্কর-ই-তইবা, যুক্তরাজ্যের আল মোহাজেরুন কেন্দ্রিক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মোট হামলা ~ ২৬টি ( শক্তিশালী বোমা)। নিহত ~ ৭৩ জন।

প্রধান প্রধান নাশকতাঃ
১৭ আগস্ট ২০০৫ ~ ৬৩ জেলায় ৫০০ বোমা বিস্ফোরন ঘটিয়ে জানান দেয় জেএমবি।

# হরকাতুল জিহাদের (হুজি-বি) জন্মের এক দশক পর ১৯৯৮ সালে জন্ম নেয় জামাতউল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবি। দ্বিতীয় পর্যায়ের এই জঙ্গী সংগঠনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সালাফি মতাদর্শী উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে।

# জেএমবি সাড়ে চার বছরে (সেপ্টেম্বর ২০০১ থেকে ডিসেম্বর ২০০৫) দেশে ২৬টি হামলা চালায়। এসব ঘটনায় ৭৩ জন নিহত এবং প্রায় ৮০০ জন আহত হন। একই সময়কালে হরকাতুল জিহাদও (হুজি-বি) বেশ কয়েকটি নাশকতামুলক হামলা চালায়। সব মিলিয়ে তখন দেশে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।

জঙ্গীদের পরিচয়ঃ
পাকিস্তান-আফগানিস্থান কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠন হুজি ও জেএমবির মধ্যে ধর্মীয় মাজহাবগত পার্থক্য রয়েছে। হুজি সদস্যরা ছিলেন হানাফি মাজহাবের এবং দেওবন্দ ধারার কওমি মাদ্রাসা থেকে লেখাপড়া করা। আর জেএমবির সদস্যরা বেশির ভাগ এসেছেন মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে থাকা মাদ্রাসা থেকে এবং আহলে হাদিস ধারার মাদ্রাসা থেকে। জেএমবির নেতা-কর্মীরা সবাই এসেছেন আহলে হাদিস বা লা মাজহাবি (মাজহাববিরোধী) ধারা থেকে।
প্রতিষ্ঠাকালীন শীর্ষ নেতাদের একজন মো. ফারুক হোসেন ওরফে খালেদ সাইফুল্লাহ ছিলেন হানাফি মাজহাবের এবং সাবেক হুজি সদস্য। তিনি জেএমবিতে আসার আগে আহলে হাদিস মতাদর্শ গ্রহণ করেন।

আহলে হাদিস ধারাটি আগে ‘ওহাবি’ নামে বেশি পরিচিত ছিল। মধ্যপ্রাচ্যসহ বহির্বিশ্বে এরা সালাফি হিসেবে পরিচিত। ধারাটি বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হলেও মধ্যপ্রাচ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ। সৌদি আরবের মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে সালাফি ধারার ‘জিহাদি’ সংগঠন প্রতিষ্ঠার ধারনা পান বা আগ্রহী হন জেএমবির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত শায়খ আবদুর রহমান। জেএমবির লক্ষ্য রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা। তারা ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী একযোগে ৫০০ বোমা ফাটিয়ে প্রচারপত্রে বলেছিল, তারা এ দেশে ‘আল্লাহর আইন’ বা শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করতে চায়।

জেএমবিকে ‘হোমগ্রোন’ বা দেশজ সংগঠন বলা হলেও শুরু থেকেই এর প্রতিষ্ঠাতা শায়খ রহমানের লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা এবং তাদের সহযোগিতা নিয়ে এ দেশে সশস্ত্র লড়াইয়ের ক্ষেত্র তৈরি করা। এর মধ্যে পাকিস্থান, ভারত ও যুক্তরাজ্য কেন্দ্রিক সালাফি মতাদর্শের একাধিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ স্থাপনও
করেছিলেন। নিজে অস্ত্র ও বিস্ফোরকের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন পাকিস্থানের একটি জঙ্গী আস্তানায়। গ্রেফতার থাকা অবস্থায় আইনশঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তিনি এর বিস্তারিত বিবরণ দেন।

জামাত উল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) হল বাংলাদেশের একটি ইসলামিক সন্ত্রাসী সংগঠন। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের ঢাকার পালামপরেু এই সংগঠনটি তৈরি হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা হল আবদুর রহমান। ১৯৯৮ সাল থেকেই এই দলটা বাংলাদেশে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে চলেছে। ২০০১ সালে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরে এই দলটির সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের নথিপত্র এবং অস্ত্রশস্ত্র বোমা ইত্যাদি ধরা পড়ে।কিন্তু তা সত্বেও এই দল নিষিদ্ধ হয়নি। জে এম বির লক্ষ্য হ’ল বাংলাদেশে শারিয়া ভিত্তিক ইসলামিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করা।
কোরান হাদিস অনুসৃত সমাজের প্রবর্তন করা। আফগানিস্তানের তালিবানের আদর্শ অনুসরণ করেই চলে দলটি। এরা গণতন্ত্রের বিরোধী, কারণ গণতন্ত্র শারিয়া আইনের বিরুদ্ধে যায়। একই কারণে এরা সমাজতন্ত্র ও কমিউনিজমেরও বিরোধী। তারা তাদের ধর্ম সংস্থাপনের জন্য দেশ জুড়ে বোমা ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সবসময় সক্রিয়। তাদের বিরুদ্ধে লেখার জন্য তারা বহু সাংবাদিককে মৃত্যুৃর হুমকি দিয়েছিল। অমুসলিম মহিলারা বোরখা না পরলে তাদের মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দিয়েছিল।
জেএমবির প্যারেন্ট অর্গানাইজেশন হল আল মুজাহিদীন। জেএমবি সহ অন্যান্য অর্গানাইজেশন, যেমন জামাতুল জিহাদ, জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ, হরকত উল জিহাদ আল ইসলামি (হুজি) হিজবুত তাওয়াহিদ, তাওয়াহিদি জনতা, ইসলামি যুব সংঘ, ইসলামি সংঘ, আল ফালা আম উন্নয়ন সংস্থা, শাহাদাত এ আল হিকমাও আল মুজাহিদীনের নেটওয়ার্কেরই একটি অংশ। জেএমবি কুয়েত, ইউ এ ই, বাহরাইন, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও লিবিয়ার বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের থেকে অর্থ সাহায্য পায়।
কুয়েতের Society of the Revival of Islamic Heritage, ও Doulatul Kuwait, সৌদি আরবের Al Haramaine Islamic Institute ও Rabita Al Alam Al Islami, Qatar Charitable Society এবং ইউ এ ই এর Al Fuzaira and Khairul Ansar Al Khairia. প্রভৃতি সংগঠন জেএমবি-কে অর্থ সাহায্য করে।
প্রতিটি সন্ত্রাসী ইসলামিক সংগঠনেরই পরস্পরের সঙ্গে ভ্রার্তৃসুলভ সম্পর্ক আছে। তাই জামাতের সঙ্গেও আন্তর্জাতিক ইসলামিক সন্ত্রাসী সংগঠনের ভাই ভাই সম্পর্ক। জে এম বির নেতারা হল মৌলানা আবদুর রহমান, এ কে এ সিদ্দিকুল ইসলাম, এ কে এ বাংলা ভাই, শেখ আবদুর রহমান। ২০০৫ এর বম্বিং ও ২০০৭ এর হত্যার পর আবদুর রহমান, বাংলা ভাই ও অন্য চার জামাতি নেতাকে ফাঁসি দেওয়া হয়।
জে এম বি সংগঠনটি হল একটি ত্রিস্তরীয় সংগঠন। প্রথম স্তরের কর্মীদের বলা হয় এহসার। তারা পুর্ণ সময়ের কর্মী এবং উচ্চ পর্যায়ের কর্মী। দ্বিতীয় স্তরে আছে গ্যয়েরি এহসার। এরা পার্ট টাইম কর্মী। এদের সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশী। তৃতীয় স্তরে আছে সেই সব ব্যক্তি বা সংগঠন যারা গোপনে চুপিসাড়ে জে এম বিকে সহায়তা দেয়।
সুত্র – ফেসবকু পোস্টিং

জঙ্গী কর্মকান্ডে বাংলাদেশঃ

তৃতীয় পর্বঃ

* চরম নৃশংসতা নিয়ে হাজির হয়েছে ‘আইএস’ মতাদর্শীরা।

সময়কাল: ১৯৯৯ থেকে ২০১৬ সাল।

নিহত ~ ২৭৬। আহত ~ ১৬৭৭।
জঙ্গীদের প্রশিক্ষণের ঘাটি ~ ৬২ জেলার ২১৫ টি মাদ্রাসায়।

বাংলাদেশে জঙ্গী কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্ট অথবা সমর্থনকারি ইসলামী সংস্থা আছে ~ ১২৫টি।

হিজবুত তাহরিরঃ জন্ম ~ ২০০১ সাল। নিষিদ্ধ ঘোষণা ~ ২০০৯ সাল। কর্মী সংগ্রহ ~ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

আনসার আল ইসলামঃ জন্ম ~ ২০০৮ সাল। শুরুতে নাম ছিল আনসারুল্লা বাংলা টীম। কর্মী সংগ্রহ ~ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।

নব্য জেএনবিঃ জন্ম ~ ২০১৩ সাল।
কর্মী সংগ্রহ ~ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্র।
হামলা চালায় ~ সাড়ে তিন বছরে ৬২ টি। নিহত ~ ৯৪ জন।
প্রধান নাশকতা ~ গুলশান হামলা, শোলকিয়া ঈদ্গাহে হামলা।
দেশীয় সহযোগিতা ~ বিএনপি, জামাত।
আন্তর্জাতিক পৃস্টপোষকতা ~ পাকিস্থান, তুরস্ক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশে জংগি কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্ট অথবা জংগি সমর্থনকারী ইসলামী সংস্থা সমুহের নামঃ

১। আফগান পরিষদ
২। আহলে হাদিস আন্দোলন
৩। আহলে হাদিস যুব সংঘ (এএইচজেএস)
৪। আহলে হাদিস তবলিগা ইসলাম
৫। আহসাব বাহিনী (আত্বঘাতী সুইসাইড গ্রুপ)
৬। আল হারামাইয়েন (এনজিও)
৭। আল হারাত আল ইসলামিয়া
৮। আল ইসলাম মারটারস ব্রিগেড
৯। আল ইসলামী সংহতি পরিষদ
১০। আল জাজিরা
১১। আল জাজিরা বাংলাদেশ
১২। আল হিকমত
১৩। আল কুরত আল ইসলামী মারটারস
১৪। আল মারকাজুল আল ইসলাম
১৫। আল মুজাহীদ
১৬। আল কায়দা
১৭। আল সাইদ আল মুজাহিদ বাহিনী
১৮। আল তানজীব
১৯। আল উম্মাহ
২০। আল্লার দল
২১। আল্লার দল ব্রিগেড (আত্মঘাতী)
২২। আল ইয়াম্মা পরিষদ
২৩। আমানাতুল ফারকান আল খাইরিয়া
২৪। আমিরাত-ই-দ্বীন
২৫। আমরা ঢাকাবাসী
২৬। আঞ্জুমানে তালামজিয়া ইসলামিয়া
২৭। আনসারুল্লা মুসলামিন
২৮। আরাকান আর্মি (এ এ)
২৯। আরাকান লিবারেশন ফ্রন্ট (এ এল এফ)
৩০। আরাকান লিবারেশন পার্টি
৩১। আরাকান মুজাহিদ পার্টি
৩২। আরাকান পিপুলস আর্মি
৩৩। আরাকান রোহিংগা ফোর্স
৩৪। আরাকান রোহিঙ্গা ইসলামী ফ্রন্ট
৩৫। আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (এ আর এন ও)
৩৬। ইউনাইটেড স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন অব আরাকান মুভমেন্ট
৩৭। ইবতেদাদুল–আল-মুসলিমা
৩৮। ইকদুল তুলাহ-আল-মুসলেমিন (আইটিএম)
৩৯। ইকতেদুল তুলাহ-আল-মুসলেমিন
৪০। ইন্টারন্যশনাল খাতমে নব্যুয়ত
৪১। ইসলাহুল মুসলেমিন
৪২। ইসলামি বিপ্লবী্ পরিষদ
৪৩। ইসলামী জিহাদ গ্রুপ
৪৪। ইসলামী লিবারেশন টাইগার অব বাংলাদেশ (আইএলটিবি)
৪৫। ইসলামী প্রচার মিডিয়া
৪৬। ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন
৪৭। ইসলামী সৈন্য
৪৮। ইসলামী সলিডারিটি ফ্রন্ট
৪৯। ইয়ং মুসলিম
৫০। এবতাদুল আল মুসলেমিন
৫১। এহসাব বাহিনী
৫২। ওয়ারেট ইসলামীক ফ্রন্ট
৫৩। ওয়ার্ল্ড ইসলামিক ফ্রন্ট ফর জেহাদ
৫৪। কালেমায়ে-জামাত
৫৫। কালেমা-ই-দাওয়াত (অধ্যাপক আব্দুল মজিদ এ দলের প্রধান)
৫৬। কতল বাহিনী (আত্মঘাতি গ্র্প)
৫৭। খাতেমি নব্যুয়ত আন্দোলন বাংলাদেশ (কে এন এ ফি ডি)
৫৮। খাতেমি নব্যুয়ত কমিটি বাংলাদেশ
৫৯। খিদমতি-ই-ইসলাম
৬০। খিলাফত মজলিস
৬১। খিতল-ফি-সাবিলিল্লাহ
৬২। খিলাফত-ই-হুকমত
৬৩। ছাত্র জামায়েত
৬৪। জাদিদ-আল-কায়দা
৬৫। জাগ্রত মুসলিম বাংলা
৬৬। জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ (জেএমজেবি)
৬৭। জামাত-এস-সাদাত
৬৮। জামাত-উল-ইসলাম মুজাহিদ
৬৯। জামাহ-তুল-মুজাহেদিন বাংলাদেশ (জে এম বি)
৭০। জামাত-ই-মুদারাসিন বাংলাদেশ
৭১। জামাত-ই-তুলবা
৭২। জামাত-ই-ইয়াহিয়া
৭৩। জামাত-উল-ফালিয়া
৭৪। জামাতুল ইসলাম মুজাহিদ
৭৫। জামাতে আহলে হাদিস
৭৬। জামেয়া মোহাম্মদিয়া আরাবিয়া
৭৭। জামিয়াতি ইসলামী সলিডারিটি ফ্রন্ট
৭৮। জামিয়াতুল ইয়াহিয়া উত তুরাজ
৭৯। জংগি হিকমত
৮০। জয়সে মুস্তফা
৮১। জয়সে মোহম্মদ
৮২। জামাতু-আল-সাদাত
৮৩। ডেমোক্রেটিক পার্টি অব আরাকান
৮৪। ন্যাশনাল ইউনাইটেড পার্টি অবারাকান (এনইউপিএ)
৮৫। নিজামায়ে ইসলামী পার্টি
৮৬। ফার ইস্ট ইসলামী
৮৭। তা আমির উল দিন
৮৮। তাহফিজ হারমাইন
৮৯। তামির-উদ-দিন বাংলাদেশ
৯০। তানজিম বাংলাদেশ
৯১। তানজিম-ই-খাতেমি নব্যুয়ত
৯২। তাওহিদি জনতা
৯৩। দাওয়ত-ই-ইসলাম
৯৪। বাংলাদেশ ইসলাম রক্ষা কমিটি
৯৫। বাংলাদেশ সন্ত্রাস বিরোধী দল
৯৬। বিশ্ব ইসলামি ফ্রন্ট
৯৭। মজলিশ-ই-তাফিজা খাতেমি নব্যুয়ত
৯৮। মুজাহেদী তোয়বা
৯৯। মুসলিম লিবারেশন ফ্রন্ট অব বার্মা
১০০। মুসলিম মিল্লাত শরিয়া কাউন্সিল
১০১। মুসলিম মুজাহেদিন বাংলাদেশ (এমএমবি)
১০২। মুসলিম রক্ষা মুজাহাদিল
১০৩। রোহিঙ্গা ইন্ডিন্ডেন্স ফোর্স
১০৪। রোহিঙ্গা ইসলামি ফ্রন্ট
১০৫। রোহিঙ্গা প্যাট্রিয়টিট ফ্রন্ট
১০৬। রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন
১০৭। রিভাইবাল অব ইসলামি হেরিটেজ (এনজিও)
১০৮। লিবারেশন মিয়ানমার ফোর্স
১০৯। লুজমা মক্কা আল খায়েরা
১১০। সদাত-ই-আল হিকমা
১১১। শাদাত-ই-নব্যুয়ত
১১২। শহিদ নাসিরুল্লাহ খান আরাফাত ব্রিগেড (আত্মঘাতি)
১১৩। সত্যবাদ
১১৪। সাহাবা সৈনিক
১১৫। হরকত-ই-ইসলাম আল জিহাদ
১১৬। হরকত-উল-জিহাদ
১১৭। হায়েতুল ইগাসা
১১৮। হেফাজেতে খাতেমি নব্যুয়ত
১১৯। হিজবত তাহরির
১২০। হিজবা আবু ওমর
১২১। হিজবুল মাহাদি
১২২। হিজবুল্লাহ আদেলী বাংলাদেশ
১২৩। হিজবুল্লাহ ইসলামি সমাজ
১২৪। হিজবুত-তাওহিদ
১২৫। হিকমত-উল-জিহাদ

(সুত্রঃ “Islamic Militants Bangladesh” By Abul Barkat.)

তথ্য সূত্রঃ
১) বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক রিপোর্ট।
২) ‘Islamic Militant in Bangladesh’ – Dr. Prof. Abul Barakat, ‘An
Analysis on the basis of 30 Case Studies’ in Barger – MS and Barket,
Radical Islam and development AID in Bangladesh,
৩) নুহ-উল- আলম লেনিন, পথরেখা (সম্পাদিত) ৪র্থ খন্ড, এপ্রিল – সেপ্টেম্বর, ২০০৫।
৪) টিপু সুুলতানের গবেষণা পত্র।

[ লেখক – বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার বামপন্থী নেতা, জেলার ওয়ার্কাস পার্টির সম্পাদক এবং সাবেক ছাত্রনেতা]
* নিবন্ধটি পশ্চিমবংগ, কোলকাতা থেকে “ধর্ম যখন সন্ত্রাসীর হাতিয়ার” নামে পুস্তিকা আকারে প্রকাশিত হয়।
——–+