জনলোকের সাথে তৃণমূল নারী উদ্দোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস)-এর মতবিনিময়

প্রকাশিত: ৬:৪৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০২১

জনলোকের সাথে তৃণমূল নারী উদ্দোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস)-এর মতবিনিময়

বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাকা, ১৭ জুলাই ২০২১ :“করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ যুদ্ধে জয়ী হতে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই।”-বললেন সামাজিক সংগঠন জনলোক ও তৃণমূল নারী উদ্যোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস)-এর উদ্যোক্তাবৃন্দ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করে উদ্যোক্তারা বলেন, করোনা মহামারী প্রতিরোধে দেশের সব মানুষকে ভ্যাকসিন প্রদান করতে হবে। কিন্তু এই মুহুর্তে সেটা সম্ভয় নয় বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। জনলোক ও তৃণমূল নারী উদ্দোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস) সারাদেশে সেই কাজটি আন্তরিকতার সাথে চালিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই ২০২১) রাত ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ২ ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আমিরুজ্জামান; বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি ও জনলোকের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রফিকুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ যুবমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও তৃণমূল নারী উদ্দোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস)-এর সিইও কমরেড হিমাংশু মিত্র, সাপ্তাহিক নতুন কথার নির্বাহী সম্পাদক ও জনলোকের কেন্দ্রীয় সদস্য মুক্তার হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর রুসমত, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি শামীমা সুলতানা শাওন, তৃণমূল নারী উদ্দোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস)-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শাহনাজ বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবিদা সুলতানা, কোষাধ্যক্ষ খাদিজা নাসরিন সোমা, নারায়নগঞ্জ জেলা সভাপতি নার্গিস আহমেদ, ঢাকা দক্ষিণের সম্পাদক সাবিহা সিদ্দিকা, খুলনা জেলা সভাপতি আমেনা বেগম পিয়া, তৃণমূল নারী উদ্দোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস)-এর মৌলভীবাজার জেলা পরামর্শক ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক কমরেড তাপস ঘোষ ও তৃণমূল নারী উদ্দোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস)-এর সদস্য অনিতা রানী দাশ প্রমুখ।

উদ্যোক্তরা বলেন, সারাদেশে সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল জ্যামিতিক হারে বাড়লেও এখনো মানুষ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে বেশ উদাসীন। ফলে আগামী ঈদ পরবর্তী সময়ে দেশে করোনা মহামারী বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে। আর তা যদি হয় তাহলে বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো দিয়ে তা মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে পড়বে। সুতরাং মহামারী প্রতিরোধে সকলকে শারীরিক দূরত্ব মেনে চলা, বার বার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ও বাইরে গেলে মাস্ক পরা জরুরি। উদ্যোক্তারা দ্রুত ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার দাবি জানান।