বিশিষ্ট সাংবাদিক জাহিদুজ্জামান ফারুক আর নেই

প্রকাশিত: ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০২১

বিশিষ্ট সাংবাদিক জাহিদুজ্জামান ফারুক আর নেই

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকা, ২০ অাগস্ট ২০২১ : বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক অর্থনীতির সম্পাদক, জাতীয় প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সদস্য জাহিদুজ্জামান ফারুক আর নেই (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)।

দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে বৃহস্পতিবার (১৯ অাগস্ট ২০২১) দুপুর সোয়া দুইটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়েছিলেন জাহিদুজ্জামান ফারুক। এরপর ঢাকার ইস্কাটন গার্ডেন রোডের ইস্টার্ন হাউজিং এ্যাপার্টমেন্টে অবস্থিত (সুইড স্কুলের বিপরীত) নিজ বাসভবনে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। ধীরে ধীরে তিনি কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেন। এ অবস্থায় তিনি মারা গেলেন।
জাহিদুজ্জামান ফারুকের মরদেহ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নেয়া হয়। বাদ আসর জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওয়ার্কার্স পার্টির শোক

বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক অর্থনীতির সম্পাদক, জাতীয় প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সদস্য জাহিদুজ্জামান ফারুকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি।

জাহিদুজ্জামান ফারুকের মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে আসে। ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ), জাতীয় প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ছুটে যান। প্রবীণ সাংবাদিক জাহিদুজ্জামান ফারুক জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক ইকনোমিক এডিটর, এবং জাপানের কিয়োডো নিউজ সার্ভিসের বাংলাদেশ প্রধান ছিলেন। জাহিদুজ্জামান ফারুকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), জাতীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা।

জাহিদুজ্জামান ফারুক ১৯৫০ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে কৃতিত্বের সাথে অনার্স ও মাস্টার ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে ছাত্র অবস্থায় দৈনিক ইত্তেফাকের রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার পর তিনি একই পত্রিকায় ইকোনমিক এডিটরের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ওভারসীজ করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ওকাব) এবং সাউথ এশিয়ান ফ্রি মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন (সাফমা) বাংলাদেশের সভাপতি ছিলেন। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির পরিচালনা বোর্ডের সদস্য, ইস্টার্ণ হাউজিং সোসাইটির উপদেষ্টা কমিটি সদস্য ও সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের পরিচালক ছিলেন।
জাহিদুজ্জামান ফারুকের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ডিআরইউ’র সভাপতি মুরসালিন নোমানী, সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সাবেক সভাপতি এম. শফিকুল করিম, ইলিয়াস হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, রিয়াজ চৌধুরী প্রমূখ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্য নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান এক শোক বার্তায় জাহিদুজ্জামান ফারুকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে বিশেষ করে অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকতায় এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো।

সৈয়দ অামিরুজ্জামানের শোক

বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক অর্থনীতির সম্পাদক, জাতীয় প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সদস্য জাহিদুজ্জামান ফারুকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অারপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ অামিরুজ্জামান।