সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদ রুখতে দরকার রাজনৈতিক উদ্যোগ: বাদশা

প্রকাশিত: ৬:২৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০২১

সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদ রুখতে দরকার রাজনৈতিক উদ্যোগ: বাদশা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ০৬ নভেম্বর ২০২১ : “সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদ রুখতে দরকার রাজনৈতিক উদ্যোগ। সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদ নির্মূল করতে চাই সুস্পষ্ট রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। সাম্রাাজ্যবাদ-সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গীবাদ এক ও অভিন্ন। এরা পরস্পরের হাত ধরে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রকে বিনষ্ট করে। সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রের বিকাশের স্বার্থে এই তিন শক্রকে নির্মূল করতে হবে। বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে আনতে ’৭২ এর সংবিধান পুনঃপ্রবর্তনের কোন বিকল্প নাই।”

আজ শনিবার (৬ নভেম্বর ২০২১) বাংলাদেশে ওয়ার্কার্স পার্টি আহুত দেশব্যাপি “সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী দিবস” পালিত হয়। সম্প্রতি দূর্গাপূজা উদযাপনকালে দেশব্যাপি সাম্প্রদায়িক সংহিসতা তৈরী হয়েছিল তার প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টি ৬ নভেম্বর দেশব্যাপি “সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী দিবস” পালনের আহবান জানান। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে আজ সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত “সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সমাবেশ” অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপি এ বক্তব্য প্রদান করেন ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা কমরেড আবুল হোসাইন।
বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, যুবনেতা সাব্বাহ আলী খান কলিন্স, ছাত্রনেতা অতুলন দাস আলো।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পলিটব্যুরোর সদস্য কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড তপন দত্ত চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য কমরেড এড. টিপু সুলতান, কৃষকনেতা মোস্তফা আলমগীর রতন, খেতমজুর নেতা কমরেড জাকির হোসেন রাজু, ঢাকা মহানগর নেতা কমরেড মোঃ তৌহিদ, কমরেড জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, কাজী আনোয়ারুল ইসলাম টিপু, কমরেড সাদাকাত হোসেন বাবুল, মুতাসিম বিল্লাহ সানি, কমরেড কাজী মাহমুদুল হক সেনা, কমরেড আব্দুল আহাদ মিনার, কমরেড শিউলী সিকদার, কমরেড তাপস দাস, কমরেড তপন সাহা, তাপস কুমার রায়, কমরেড ওমর ফারুক সুমন প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পার্টি কার্যালয়ের সামনে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
প্রধান অতিথির ভাষণে কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা আরও বলেন, জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির ফলে আস্মসিক পরিবহন ধর্মঘট জনজীবনে ভয়াবহ দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জ¦ালানি মূল্য বৃদ্ধি ও অযৌক্তিক পরিবহণ ধর্মঘট প্রত্যাহারের দাবি জানান।
তিনি বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অনেক চড়া, তার মধ্যে জ্বালানি মূল্যের বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার যে চাপ তৈরী করবে, তা হবে “মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা” এর মত। গত দু’বছর করোনা অতিমারির অভিঘাতে মানুয়ের আয় অনেক কমে গেছে। দেশে নতুন ৩ কোটি ২৪ লাখ দরিদ্র সৃষ্টি হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা অনেক হ্রাস পেয়েছে। এখন নতুন করে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে পণ্য মূল্য বাড়বে, পরিবহন ব্যয়ও বাড়বে। ফলে ব্যয় নির্বাহে সাধারণ মানুষের জন্য গভীর সংকট তৈরী করবে। জ্বালানি তেলের উপর আরোপিত বর্তমান শুল্ক হার কমিয়ে এই মূল্য বৃদ্ধি এড়ানো যেতো।