সমুদ্র তলদেশের সম্পদের পূর্ণ সুবিধা চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৫, ২০২১

সমুদ্র তলদেশের সম্পদের পূর্ণ সুবিধা চায় বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি | কিংস্টন (জ্যামাইকা), ১৫ ডিসেম্বর ২০২১ : জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেছেন, সমুদ্র তলদেশের সম্পদের পূর্ণ সুবিধা পেতে আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের (আইএসএ) কাছ থেকে বর্ধিত সহযোগিতা প্রয়োজন বাংলাদেশের। এর মাধ্যমে গভীর সমুদ্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সক্ষমতা বিনির্মাণ ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুবিধা হবে।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর ২০২১) জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টনে অবস্থিত আইএসএ’র ২৬তম বার্ষিক অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে এ আহ্বান জানান আইএসএ এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

রাষ্ট্রদূত ফা‌তিমা ব‌লেন, “সমুদ্র তলদেশের বিস্তীর্ণ এবং অনাবিষ্কৃত সম্পদের রয়েছে অপার সম্ভাবনা, যা বাংলাদেশসহ কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকায় রূপান্তরধর্মী পরিবর্তন আনতে পারে।”

বক্তব্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেওয়া রূপকল্প-২০৪১ এর কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। রূপকল্প ২০৪১ এর অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করতে সমুদ্র তলদেশের সম্পদ থেকে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধার ন্যায়সঙ্গত অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা এবং সমুদ্র তলদেশে বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকে সহজতর করার ওপর জোর দেন তিনি।

সমুদ্রতল থেকে খনিজ অন্বেষণের সময় সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষার ওপরও জোর দেন জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি। এক্ষেত্রে তিনি সামুদ্রিক পরিবেশ এবং এর সম্পদের কার্যকর ব্যবহার, সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য সম্প্রতি প্রণীত বাংলাদেশ মেরিটাইম জোনস আইনের বিষয়টি অধিবেশনে তুলে ধরেন।

আইএসএ’র মহাসচিব মাইকেল ডব্লিউ লজের আমন্ত্রণে তিনদিনের এই অধিবেশনে যোগ দেন রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। এতে সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক স্থায়ী প্রতিনিধি ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।