২৩ ফেব্রুয়ারি ছাত্রমৈত্রী নেতা শহীদ আইয়ুব হোসেনের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশিত: ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২২

২৩ ফেব্রুয়ারি ছাত্রমৈত্রী নেতা শহীদ আইয়ুব হোসেনের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

ঢাকা, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯: আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা শহীদ আইয়ুব হোসেনের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ যুবমৈত্রী ও বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী আলাদা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে বাংলাদেশ যুবমৈত্রীর উদ্যোগে সংগঠন কার্যালয়ে কালোপতাকা উত্তোলন। শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিকেলে ছাত্র-যুব সংগঠনের স্মরণ সভা।

সকাল ৭টা ১ মিনিটে স্মৃতিস্তম্ভে পূষ্পার্ঘ অর্পণ ও নীরাবতা পালন এবং বিকেল সাড়ে ৪টায় সংগঠনের কার্যালয়ে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। পুষ্পার্ঘ অর্পণ ও স্মরণ সভায় নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
১৯৯৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাসীদের গুলিতে যশোর শহরের ভোলাট্যাংক রোডের নবকিশলয় স্কুলের সামনে ছাত্রনেতা আইয়ুব হোসেন নিহত হন।
শহীদ আইয়ুব হোসেন। বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর যশোর জেলা শাখার সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্বৈরাচারী বিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন সম্মুখে থেকে যশোরে ছাত্র-জনতার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে স্বৈরাচার শাসনের পতন এবং জনগণের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। যেই আন্দোলনের ফসল শেষ পর্যন্ত যারা খাল কেটে যুদ্ধাপরাধীদের এদেশের মাটিতে পাকিস্তান থেকে নিয়ে এসেছিল সেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ঘরে গিয়ে উঠে। ফলে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তিকে যেমন পুনরায় পুনর্বাসন শুরু হয় খালেদার নেতৃত্বে, অন্যদিকে তারই দল বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ক্যাডারদের লেলিয়ে দেয়া হয় মুক্তবুদ্ধির প্রগতিশীল ব্যক্তি-শিক্ষক-ছাত্রদের দমন করতে। শহীদ আইয়ুব হোসেন আদর্শিকভাবে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের প্রহসনের কাছে মাথা মত করেন নাই।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩ সাল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের শকুনি দৃষ্টি পড়ে ছাত্র মৈত্রীর সংগ্রামী সৈনিক শহীদ আইয়ুব হোসেনের উপর। ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হন আইয়ুব, যশোরের রাজপথে সেই রক্তের দাগ আজও তার সহযোদ্ধাগণ দেখেন। মুখ লুকিয়ে কাঁদেন, আবার আইয়ুবের দেখানো পথে চলতে শুরু করেন। আইয়ুবের মৃত্যু বৃথা যেতে পারে না, আইয়ুবের স্বপ্ন মিথ্যা হতে পারে না। তার ত্যাগ? তার ত্যাগের কি কোনও মূল্য নেই? সময় এসেছে, সময় এসেছে ঘুরে দাড়াবার, শত্রুপক্ষের প্রতিটি জখমের জবাব দেওয়ার।

ঘুমাও আইয়ুব!
তোমার দেখানো পথে আমরা আজো অবিচল।
লাল সালাম শহীদ আইয়ুব হোসেন।

“শ্রদ্ধাঞ্জলি”
শহীদ আইয়ুব লাল সালাম।