গরীব মানুষ বাঁচাতে ন্যায্যমূল্যে পূর্ণরেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং কঠোরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ কর: ওয়ার্কার্স পার্টি

প্রকাশিত: ১:৫০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০২২

গরীব মানুষ বাঁচাতে ন্যায্যমূল্যে পূর্ণরেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং কঠোরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ কর: ওয়ার্কার্স পার্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ০২ এপ্রিল ২০২২ : গরীব ও নিম্নআয়ের মানুষকে বাঁচাতে অবিলম্বে দেশব্যাপী ন্যায্যমূল্যে পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে একই সাথে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যথায় বর্তমান সরকারের সকল অর্জন প্রশ্নের মুখে পড়বে। চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল থেকে পবিত্র মাহে রমজান শুরু। বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ রোজায় সাশ্রয়ীমূল্যে নিত্যপণ্য সামগ্রী ক্রয় করে যাতে রোজা রাখতে পারে সরকার তার ব্যবস্থা করবে বলে আশা করি। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতায় বলে অসাধু আমলা-ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট তৈরি করে নিত্যপণ্য সামগ্রীর দাম কয়েক গুন বাড়িয়ে দেয়, এতে করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অবর্ননীয় দুঃখ-যন্ত্রণার শিকার হতে হয়। তাই সরকারকে এখনই এ ব্যাপারে তরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে করে জনগণের দুঃখ-যন্ত্রণা লাঘব হয়।
শনিবার (২ এপ্রিল ২০২২) সকাল ১১টায় ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর আয়োজিত পুরানা পল্টন মোড়ে নিত্যপণ্য সামগ্রীর মূল্য উর্ধ্বগতিরোধ ও দেশব্যাপী পূর্ণরেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবীতে অনুষ্ঠিত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর কমিটির সংগ্রামী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আবুল হোসাইন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্টির পলিটব্যুরোর অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা কমরেড কামরূল আহসান, কেন্দ্রীয় নেতা এড. জোবায়দা পারভিন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, মহানগর নেতা কমরেড বেনজির আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড জাকির হোসেন রাজু, কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, নগরনেতা কমরেড জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, কমরেড মোঃ তৌহিদুর রহমান, কমরেড সাদাকাত হোসেন খান বাবুল, কমরেড মুর্শিদা আখতার নাহার, কমরেড শিউলী সিকদার, কমরেড মোতাসিম বিল্লাহ সানি, কমরেড তাপস দাস, কমরেড রফিকুল ইসলাম সুজন, কমরেড তাপস কুমার রায়, কমরেড মামুন মোল্লা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমরেড কামরূল আহসান বলেন, ঘুষ-দুর্নীতি, অবৈধ চাঁদাবাজী, অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতা কমিয়েই দ্রব্যমূল্য সাশ্রয়ী রাখা যায়। মানুষ যখন কোভিড পরবর্তীকালে বেঁচে থাকার লড়াই করছেন তখন নিত্যপণ্যের মূল্য লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ছে। সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী এ দায় আন্তর্জাতিক বাজারের ঘাড়ে চাপিয়ে খালাস। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, রমজানে এক কোটি মানুষকে কমদামে খাবার পৌঁছে দেবেন। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, ১ কোটি মানুষকে রেশনিং আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। বাকী দরিদ্র মানুষের দায়িত্ব কে নিবে?
নেতৃবৃন্দ বলেন, রোজার মাসে যে সকল অসাধু ব্যবসায়ীরা অতি মুনাফা লোভে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করবে তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা গেলে বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে।