এনইআইআর বাস্তবায়নের প্রতিবাদে মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ১:৫৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৪, ২০২৬

এনইআইআর বাস্তবায়নের প্রতিবাদে মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

Manual4 Ad Code
পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ : ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থা বাস্তবায়নের প্রতিবাদে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় বিক্ষোভরত মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এ সময় জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

রোববার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সোয়া ১২টা পর্যন্ত তিন দফায় এই লাঠিচার্জ চালানো হয়। বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকেও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

Manual8 Ad Code

সরেজমিনে দেখা যায়, এনইআইআর চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের মুক্তি এবং কয়েক দফা দাবি আদায়ে সকাল ১১টার দিকে বাংলামোটর মোড় থেকে মিছিল নিয়ে কারওয়ান বাজার মোড় অবরোধ করেন মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)-এর নেতাকর্মীরা।

অবরোধের ফলে কারওয়ান বাজার মোড়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

Manual1 Ad Code

পরে পুলিশ অবরোধকারীদের সরে যেতে অনুরোধ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যদিও তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি।

Manual8 Ad Code

লাঠিচার্জের পর বিক্ষোভকারীরা কাঁঠালবাগানের দিকে সরে গিয়ে আবার সংগঠিত হন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে তারা পুনরায় কারওয়ান বাজার মোড় অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ দুই দফায় জলকামানের পানি ছোড়ে এবং টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

Manual8 Ad Code

পরিস্থিতি আরও জটিল হলে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও এলাকায় অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, বিক্ষোভকারীরা বসুন্ধরা সিটি শপিংমলের আশপাশে অবস্থান করছেন। এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।