পীরগাছার এসএসসি ফলাফল ২০২৬: সাফল্যের সঙ্গে সতর্ক বার্তা

প্রকাশিত: ৩:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২৬

পীরগাছার এসএসসি ফলাফল ২০২৬: সাফল্যের সঙ্গে সতর্ক বার্তা

Manual5 Ad Code

নজরুল ইসলাম হক্কানী |

প্রতিবছর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনটির জন্য আমি অপেক্ষা করি। কারণ, একটি উপজেলার শিক্ষার্থীরা কতটা এগোচ্ছে, কোন প্রতিষ্ঠান ভালো করছে, কোথায় ঘাটতি রয়ে গেছে—এসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র পাওয়া যায় এসএসসি ফলাফলে।

আমার কাছে এই ফলাফল শুধু পাস-ফেলের হিসাব নয়; এটি একটি এলাকার আগামী দিনের অগ্রগতির সোপান, সম্ভাবনার সূচক এবং একই সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করার আয়না।

১০ আগস্ট ২০২৬ এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর পীরগাছা উপজেলার ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল হাতে নিয়ে সেই চিত্রটি দেখার চেষ্টা করেছি। প্রদত্ত ফলাফল তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পীরগাছা উপজেলার এসব প্রতিষ্ঠানে মোট ২ হাজার ৯৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৮৬৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৩ জন। অর্থাৎ সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ। বিপরীতে ১ হাজার ১১৬ জন, অর্থাৎ প্রায় ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
এই পরিসংখ্যানের মধ্যে যেমন আনন্দের খবর আছে, তেমনি আছে গভীরভাবে ভাবার মতো বিষয়ও।

সবচেয়ে উজ্জ্বল নোবেল রেসিডেন্সিয়াল

Manual2 Ad Code

পীরগাছার এসএসসি ফলাফলের সবচেয়ে আলোচিত দিক নিঃসন্দেহে নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাই স্কুলের শতভাগ সাফল্য। প্রতিষ্ঠানটির মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৭২ জন এবং ৭২ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে। শুধু তাই নয়, এর মধ্যে ৪৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ এবং পরীক্ষার্থীদের প্রায় ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ জিপিএ-৫ পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি শুধু এ বছরই নজরকাড়া ফল করেনি; ধারাবাহিকভাবেও ভালো ফলাফল করে আসছে। এই সাফল্য শুধু প্রতিষ্ঠানটির জন্য নয়, পীরগাছার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও অনুকরণীয় এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
তবে একটি বিষয়ও এখানে গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখা প্রয়োজন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার শিক্ষার পরিবেশ, সুনাম ও অর্জন। তাই নোবেল রেসিডেন্সিয়ালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবারই উচিত ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক বিরোধের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিষ্ঠানের গৌরব ও সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।

সরকারি মডেল স্কুলও ভালো করেছে

পীরগাছা জ্ঞানেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ও এবার উল্লেখযোগ্য ফল করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ১৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৮২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন।

পীরগাছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ জন।
অর্থাৎ পীরগাছার ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এ বছরও ভালো ফল করার সক্ষমতা রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক।

শতভাগের পাশাপাশি ৯০ শতাংশের কাছাকাছি সাফল্য

ফলাফলের আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে। যেমন আনন্দনগর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে—পাসের হার ৯০ শতাংশ। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এ ছাড়া চতুর্ভুজ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৭১ দশমিক ০৮ শতাংশ, বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭২ দশমিক ৫০ শতাংশ। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ৭০ শতাংশের বেশি পাসের হার অর্জন করেছে।
অন্যদিকে কিছু প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে। এমনকি তালিকায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি পাসের হারও রয়েছে। ফলে একই উপজেলার একেক প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের মধ্যে বড় ধরনের বৈষম্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এটাই এবারের ফলাফলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
এক উপজেলার মধ্যে এত বৈষম্য কেন?
পীরগাছায় একই শিক্ষাব্যবস্থার অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফলে এত পার্থক্যের কারণ কী?
এটি শুধু কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর দায় হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আর্থসামাজিক বাস্তবতা, অভিভাবকদের সচেতনতা, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া, শিক্ষকের উপস্থিতি ও পাঠদানের মান, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষার সুযোগ, কোচিংনির্ভরতা এবং সর্বোপরি বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা।
একটি প্রতিষ্ঠানে যেখানে ১০০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করছে, সেখানে অন্য প্রতিষ্ঠানে কেন এক-তৃতীয়াংশ বা তারও বেশি শিক্ষার্থী ব্যর্থ হচ্ছে—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা জরুরি।

কারণ পাসের হার কম মানেই শুধু শিক্ষার্থীরা দুর্বল—এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ঠিক নয়।

একজন শিক্ষার্থীর ফলাফলের পেছনে তার পরিবার, বিদ্যালয়, শিক্ষক, সামাজিক পরিবেশ এবং শিক্ষাব্যবস্থার সম্মিলিত প্রভাব থাকে। তাই ফলাফলের বৈষম্য বিশ্লেষণ করতে হলে শিক্ষার্থীর পাশাপাশি পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকেই পর্যালোচনার আওতায় আনতে হবে।

Manual6 Ad Code

৩৭ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী ফেল—এটি উপেক্ষা করার মতো নয়

সামগ্রিক ফলাফলের সবচেয়ে উদ্বেগজনক জায়গাটি এখানেই।
২ হাজার ৯৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ১১৬ জন উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অর্থাৎ প্রায় প্রতি তিনজন পরীক্ষার্থীর একজনের বেশি এসএসসির গণ্ডি পেরোতে পারেনি।
এটিকে কেবল পরীক্ষার ফল হিসেবে দেখলে সমস্যার গভীরতা বোঝা যাবে না। এদের একটি বড় অংশ হয়তো আগামী দিনে পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়বে। কেউ হয়তো কারিগরি শিক্ষা বা অন্য কোনো পথে যাবে, কিন্তু একটি অংশের শিক্ষাজীবন এখানেই থেমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

অতএব ফল প্রকাশের পর কেবল জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। যারা অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের নিয়েও শিক্ষা প্রশাসনকে বসতে হবে।

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে—কোন বিষয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, কোন শ্রেণি থেকে দুর্বলতা তৈরি হয়েছে এবং কোন শিক্ষার্থীরা আগে থেকেই ঝুঁকিতে ছিল।

জিপিএ-৫-এর প্রতিযোগিতা বনাম প্রকৃত শিক্ষার মান
এবার পীরগাছায় ১৭৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে আনন্দের বিষয়। কিন্তু শিক্ষার সাফল্যকে শুধু জিপিএ-৫ দিয়ে মাপার প্রবণতা থেকেও আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেই সে সৃজনশীল, মানবিক, বিজ্ঞানমনস্ক বা দক্ষ নাগরিক হয়ে গেল—এমন নিশ্চয়তা নেই। একইভাবে জিপিএ-৫ না পেলেই একজন শিক্ষার্থী অযোগ্য—এটিও সত্য নয়।

আমাদের দেখতে হবে, শিক্ষার্থীরা কতটা বুঝে শিখছে, কতটা প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন করছে, ভাষা ও গণিতে তাদের ভিত্তি কেমন, বিজ্ঞানমনস্কতা কতটা তৈরি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য তারা কতটা প্রস্তুত হচ্ছে।

Manual3 Ad Code

এসএসসি ফলাফল তাই শেষ কথা নয়; এটি পরবর্তী যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

পীরগাছার শিক্ষার ভবিষ্যৎ কোথায়?

পীরগাছা একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা। এখানকার বহু শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন পেশায় সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে উপজেলার শিক্ষার সামগ্রিক মান উন্নত হলে তার প্রভাব শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর নয়—পুরো এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর পড়বে।

একটি শিক্ষিত প্রজন্ম মানে শুধু বেশি চাকরিপ্রার্থী নয়; বরং বেশি দক্ষ কৃষক, উদ্যোক্তা, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, প্রশাসক ও সচেতন নাগরিক।
সুতরাং পীরগাছার এসএসসি ফলাফলকে আমাদের উপজেলার মানবসম্পদ উন্নয়নের সূচক হিসেবে দেখতে হবে।

এখন করণীয় কী?

আমার মনে হয়, ফলাফল প্রকাশের পর পীরগাছা উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের নিয়ে একটি উপজেলাভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনা সভা করা দরকার।

সেখানে পাঁচটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে—

প্রথমত, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের গত পাঁচ বছরের ফলাফল তুলনা করে ধারাবাহিক উন্নতি বা অবনতির চিত্র তৈরি করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, যেসব প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে, সেসব প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ একাডেমিক সহায়তা ও মনিটরিং চালু করা যেতে পারে।

তৃতীয়ত, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য ফল প্রকাশের পর থেকেই বিষয়ভিত্তিক সহায়ক ক্লাস ও পুনরুদ্ধারমূলক শিক্ষা কার্যক্রম নেওয়া দরকার।

চতুর্থত, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরও চিহ্নিত করে বৃত্তি, বই, ডিজিটাল শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়তা করা প্রয়োজন।

পঞ্চমত, যে প্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে, তাদের সাফল্যের কারণ অনুসন্ধান করে তা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রয়োগের উদ্যোগ নিতে হবে।
ফলাফলকে উৎসবের পাশাপাশি আয়নাও বানাতে হবে
এসএসসি ফলাফল প্রকাশের দিন আনন্দের। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক—সবার পরিশ্রমের স্বীকৃতির দিন এটি। যারা জিপিএ-৫ পেয়েছে, যারা ভালো করেছে, তাদের অভিনন্দন প্রাপ্য। যেসব প্রতিষ্ঠান ভালো ফল করেছে, তাদেরও সাধুবাদ জানাতে হবে।

কিন্তু একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে—১ হাজার ১১৬ জন শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনাও আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।

একজন শিক্ষার্থী ফেল করলে শুধু তার খাতায় নম্বর কমে না; একটি পরিবারের স্বপ্নে আঘাত লাগে। একটি সম্ভাবনাময় জীবন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে যেতে পারে।

তাই পীরগাছার ২০২৬ সালের এসএসসি ফলাফলকে আমি দুই চোখে দেখতে চাই। এক চোখে নোবেল রেসিডেন্সিয়ালের ১০০ শতাংশ সাফল্য, জ্ঞানেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮২ দশমিক ৪৯ শতাংশ সাফল্য, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৩ দশমিক ৭২ শতাংশ সাফল্য এবং ১৭৩ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর অর্জন; অন্য চোখে ৩৭ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার বাস্তবতা।

এই দুই চিত্রকে একসঙ্গে না দেখলে পীরগাছার শিক্ষার প্রকৃত ছবি দেখা যাবে না।

Manual1 Ad Code

আমার কাছে তাই এবারের এসএসসি ফলাফল শুধু কে প্রথম, কে দ্বিতীয় কিংবা কোন বিদ্যালয়ে কতজন জিপিএ-৫ পেল—তার হিসাব নয়। এটি একটি প্রশ্নও—
পীরগাছার প্রতিটি শিশুকে মানসম্মত শিক্ষা দেওয়ার সুযোগ আমরা কতটা নিশ্চিত করতে পেরেছি?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই হওয়া উচিত আগামী বছরের সবচেয়ে বড় শিক্ষাকর্মসূচি।
কারণ আজকের এসএসসি ফলাফল শুধু আজকের সাফল্য বা ব্যর্থতার হিসাব নয়; আগামী দিনের পীরগাছা কেমন হবে, তারও একটি পূর্বাভাস।