স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে আরোহন করেছিলেন বিপ্লবী ক্ষুদিরাম

প্রকাশিত: ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২২, ২০২১

স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে আরোহন করেছিলেন বিপ্লবী ক্ষুদিরাম

Manual5 Ad Code

ফারহিম ভীনা || ঢাকা, ২২ মার্চ ২০২১ : কোন কোন চরিত্র জীবনভর মানুষকে আচ্ছন্ন করে রাখে | ক্ষুদিরাম সেরকম একটি চরিত্র |কিশোর ক্ষুদিরাম বসু বৃটিশদের হাত থেকে জন্মভূমিকে মুক্ত করার জন্য হাসতে হাসতে পরেছিলেন ফাঁসির দড়ি। এই মৃত্যুঞ্জয়ী কিশোরকে নিয়ে ফিকশনাল উপন্যাস ‘ক্ষুদিরাম’ আজ অনন্যা প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে |বালক ক্ষুদিরাম কিভাবে বিপ্লবী হয়ে উঠেছে এ উপন্যাস তারই আখ্যান।

Manual2 Ad Code

ইতিহাসের হলদে হয়ে যাওয়া পাতায় ধুলো উড়িয়ে আমি হেঁটে এসেছি |এ উপন্যাস তুলে ধরেছে তোলপাড় করা সময়কে যখন ঘটতে থাকে আচর্য সব ঘটনা। বিপ্লবী উন্মাদনায় ফুঁসে উঠছে ঘর পালানো ছেলের দল। গ্রামের অন্ধকার ঘরে চলছে বিপ্লীদের গোপন সভা, সাংকেতিক ভাষা শিক্ষাদান হচ্ছে, শিক্ষাদান হচ্ছে বোমা বানানোরও। এই উপন্যাস পড়ে চলে যাওয়া যায় সেই বাংলায় যেখানে তাঁতশালায় তাঁত বোনা হয় খট খট, ক্ষুদিরাম গোপনে বিপ্লবী পুস্তিকা প্রচার করছেন। দেখা যায় ক্ষুদিরাম বঙ্গভঙ্গ বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনে কিভাবে বিপ্লবকে সংগঠিত করেছিলেন, কিভাবে অগ্নিকিশোর কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন দাপুটে শাসকদের।

Manual1 Ad Code

বিপ্লবী ক্ষুদিরামের ওপর দায়িত্ব পড়ে অত্যাচারী বৃটিশ বিচারক ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে বোমা মেরে হত্যা করার। বোমা মারার সময় ভুলবশত: মৃত্যু হয় দুজন বৃটিশ মহিলার। এ অপরাধের দায় সম্পূর্ন নিজের উপর নেয় বীর কিশোর ক্ষুদিরাম। এরপর বিচারের নামে চলে প্রহসন, ফাঁসির দন্ডে দন্ডিত হন ক্ষুদিরাম।

Manual6 Ad Code

১১ই আগষ্ট ১৯০৮ সালে ভোর বেলায় এই মৃত্যুঞ্জয় কিশোর নির্ভয়ে দৃঢ় পায়ে হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে আরোহন করেছিলেন। সে সময় তার বয়স হয়েছিল মাত্র ১৮ বৎসর ৭ মাস ১১ দিন। ফাঁসির দড়ি পরানোর সময় ক্ষুদিরাম হাসতে হাসতে জানতে চান জল্লাদের কাছে, ‘আচ্ছা তোমরা ফাঁসির দড়িতে মোম দাও কেন?’ এই হচ্ছেন ক্ষুদিরাম।অঞ্জলি লও হে বিপ্লবী | ক্ষুদিরামরা বাংলার বুকে বার বার জন্ম নেন , শিখিয়ে দেন কিভাবে দেশ ও মানুষকে ভালবাসতে হয়-গাইতে হয় মরণ জয়ের গান।
এই বই প্রকাশের পেছনে রয়েছে অসংখ্য সুজন ও স্বজনের ভালবাসা ও অনুপ্রেরণা |সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি | প্রিয় লেখক আমীরুল ইসলাম ভাই নেপথ্যে থেকে অনুপ্রেরণা ও মতামত দিয়েছেন | প্রকাশক মনিরুল হক ভাই বইটি প্রকাশের সাহস করেছেন | ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই দুই ভাইকেই | কর্মজীবনের তিন অসাধারণ ম্যাডাম মাহমুদা শারমিন বেনু, কাজী রওশন আক্তার ও ড. নমিতা হালদারকে উত্সর্গ করেছি বইটি |

ক্ষুদিরাম কিনুন, ক্ষুদিরাম পড়ুন আর থাকুন ক্ষুদিরামের সাথে |বইমেলার অনন্যা প্রকাশনী থেকে এই বইটি কিনতে পারবেন |

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ