ডাকসু নির্বাচন ঘিরে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুললেন প্রার্থী অদিতি ইসলাম

প্রকাশিত: ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২৫

ডাকসু নির্বাচন ঘিরে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুললেন প্রার্থী অদিতি ইসলাম

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২৭ আগস্ট ২০২৫ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ ঘিরে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুলেছেন ‘অপরাজেয় ৭১-অদম্য ২৪’ পরিষদের এজিএস প্রার্থী অদিতি ইসলাম।

Manual2 Ad Code

বুধবার (২৭ আগস্ট ২০২৫) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সিদ্ধান্তকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক বলে মন্তব্য করেন।

অদিতি লিখেছেন, “প্রশাসন বলছে প্রবেশমুখের সাতটি পয়েন্টে সেনারা থাকবে ‘স্ট্রাইকিং পজিশনে’। প্রশ্ন হচ্ছে, কাকে আঘাত করার জন্য এই অবস্থান? এ সিদ্ধান্ত নির্বাচনী পরিবেশকে শঙ্কিত করবে এবং ভোটারদের, বিশেষ করে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরুৎসাহিত করবে।”

Manual2 Ad Code

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে সেনা বা আধাসামরিক বাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার ঘটনা আছে। ২০০৭ সালের আগস্টে জগন্নাথ হলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার পর আন্দোলনের মুখে সেনাদের ক্যাম্পাস ছাড়তে হয়েছিল। সম্প্রতি কনসার্টে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং গত ১৭ জুলাই বিজিবি প্রবেশ করিয়ে টিয়ারশেল-গুলি ছোঁড়ার ঘটনাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

অদিতির মতে, সেনা মোতায়েনের ফলে প্রশাসনের নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, “নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব প্রশাসনের। প্রয়োজনে নিজস্ব জনবল বাড়ানো, নির্বাচন কমিশনের সহায়তা নেওয়া কিংবা পুলিশ মোতায়েন করা যেতে পারে। কিন্তু সেনা মোতায়েন কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।”

তিনি অবিলম্বে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব দক্ষ জনবল দিয়েই নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

Manual7 Ad Code

এদিকে অদিতির দেওয়া ফেসবুক পোস্টটি ‘অপরাজেয় ৭১-অদম্য ২৪’ পরিষদের জিএস প্রার্থী এনামুল হাসান অনয়ও শেয়ার করে ইংরেজিতে লিখেছেন দ্য উইন্ড অব অগাস্ট স্টিল ব্লোয়িং!!!

Manual3 Ad Code

উল্লেখ্য, এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকল ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করে নির্বাচনী আচরণবিধি মান্যতা ও সার্বিক পরিবেশ রক্ষার আহ্বান জানিয়েছিল। তবে সেখানে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।