কৃষকদের সহযোগিতায় সেচ্ছাসেবক টিম গঠন করার আহবান কৃষক সমিতি ও খেতমজুর ইউনিয়নের

প্রকাশিত: ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০২০

আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা, ২৫ এপ্রিল ২০২০ : সারাদেশের কৃষক-খেতমজুর নেতৃবৃন্দকে রোরো চাষীসহ সকল কৃষকদের সহযোগিতা করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকটিম গঠন করার আহবান জানান।

জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ এবং বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল হক নীলু ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রাজু এক যুক্ত বিবৃতিতে এ অাহবান জানানো হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন পৃথিবীব্যাপী যে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে তা বাংলাদেশেও ব্যাপকরূপ লাভ করেছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। সারাদেশে লকডাউন চলছে। এ অবস্থায় ভীত সন্ত্রস্ত মানুষ খেতে কাজ করতে চাচ্ছেন না। এমতাবস্থায় কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে এই দুর্যোগের মধ্যে যদি বোরো ও হাওড়ের ধান ঠিকমতো কাটা না যায় তাহলে ভয়ঙ্কর খাদ্যাভাবে বাংলাদেশ পতিত হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে কৃষি-কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
সারাদেশের জাতীয় কৃষক সমিতি ও বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ কিছু এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক টিম গড়ে তুলছেন, ধান কাটতেও সহযোগিতা করেছেন। ধান ছাটাই, রক্ষণাবক্ষেণ ও বাজারজাত করণের ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা রাখতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে উৎপাদিত ফসলের একটি কণাও যেন নষ্ট না হয়। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন করোনা ভাইরাস পরবর্তী বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে কৃষির উপর সর্বাধিক জোর দিতে হবে। নেতৃবৃন্দ কৃষকদের উৎপাদিত ধানের লাভজনক মূল্য পায় তা নিশ্চিত করার আহবান জানান। সরাসরি খোদ কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মোটা ধান ১০৪০ টাকা ও একইভাবে অন্যান্য ধানের মূল্য নির্ধারণ করে ক্রয় করার জন্য তাগিদ দিতে হবে। কোনভাবেই মধ্যসত্তভোগী দালালরা যুক্ত হতে না পারে সে ব্যাপারে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক রাখতে সহয়তা করতে হবে।
সারাদেশের কৃষক-খেতমজুর নেতৃবৃন্দকে রোরো চাষীসহ সকল খেতমজুর ও কৃষকদের সহযোগিতা করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকটিম গঠন করার আহবান জানিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অারপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ অামিরুজ্জামান বলেন, “খোদ কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১০৪০ টাকা দরে মোটা ধান ক্রয়ে কোনভাবেই মধ্যসত্তভোগী দালালরা যাতে যুক্ত হতে না পারে সে ব্যাপারে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে।”