আতাউর রহমান কাজল : শ্রীমঙ্গল পর্যটনশিল্পের অন্যতম ভাষ্যকার

প্রকাশিত: ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ১০, ২০২০

আতাউর রহমান কাজল : শ্রীমঙ্গল পর্যটনশিল্পের অন্যতম ভাষ্যকার

মৃদুলকান্তি পাল মলয়, শ্রীমঙ্গল, ১০ জুন ২০২০ : বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি লাভ করায় অভিনন্দিত করি জনাব আতাউর রহমান কাজল মহোদয়কে। যিনি দীর্ঘদিন যাবত বন্যপ্রাণী ও মানব-প্রাকৃতিক পরিবেশসহ পর্যটন শিল্পের সখা ও সুহৃদ রুপে শ্রীমঙ্গল তথা বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রকৃতির সঙ্গে স্থাপন করেছেন মৈত্রীর মেলবন্ধন।

তাঁর বিভিন্ন লেখা-উপমায় যেমন প্রকৃতি লগ্নতা লক্ষনীয় তেমন তাঁর প্রকাশিত পুস্তকসমগ্র প্রকৃতি,
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক ও দালিলিক আখ্যান। উল্লেখ্য এতদ্বসংক্রান্ত তাঁর ইংরেজি বইয়ের সংস্করণ নিঃসন্দেহে জনাব
কাজল রহমানের অন্তস্থিত মেধার মাইলফলক।
বলাবাহুল্য – ইতিপূর্বে তাঁর রচিত বই বিশ্বের সর্ববৃহৎ
লাইব্রেরী আমেরিকার ” লাইব্রেরী অব কংগ্রেস ” –
এর মত অতি অভিজাত অঙ্গনে স্হান পেয়েছে।

জীববৈচিত্র্য তথা বন্যপ্রাণী সুরক্ষা বিষয়ে
তিনি এক সদা সোচ্চার কন্ঠ। বিলিনমান অরণ্যের অস্তিত্ব রক্ষায়ও তিনি সতত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাঁর রচিত
সকল গ্রন্থের মধ্যেই এ জাতীয় অন্বেষণের ভিন্নমাত্রা খুঁজে পাওয়া যায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তিনি যে স্বর্ণপদক ও ৫০ হাজার টাকার চেক পেয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে
তাঁর জীবনের একটি স্মরণীয়তম সুখদায়ক ঘটনা।
পেশাগত উৎকর্ষ আর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবদানে এই অসামান্য প্রাপ্তি আগামিতে আরও ভাল কাজের প্রেরণাসহ তাঁর ভাবনার জগতকে সমৃদ্ধ করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

আবারো অভিনন্দিত করি শ্রদ্ধেয় আতাউর রহমান
কাজল মহোদয়কে। সেইসাথে আশাবাদ ব্যক্ত করি –
তিনি যেন আরো বৃহত্তর পরিসরে তাঁর মেধা ও মননের বিন্যাস করেন। সত্য, সুন্দর ও শাশ্বতের প্রশ্নে যেন
তিনি থাকেন অগ্রগামী ও আপসহীন।

মহতী কর্ম প্রয়াস তাঁকে সময়ের স্বর্ণালী পৃষ্ঠায় অভিষিক্ত করুক – এই শুভকামনা রইলো।

তাঁর দীপ্র স্বাস্থ্য আর উজ্জ্বল আয়ু প্রার্থনা করি।