১লা জুলাই থেকে অনলাইন স্কুল কার্যক্রম ক্যাবল সিস্টেমের মাধ্যমে প্রচারিত হবে: নজরুল ইসলাম

প্রকাশিত: ২:০১ অপরাহ্ণ, জুন ২৭, ২০২০

১লা জুলাই থেকে অনলাইন স্কুল কার্যক্রম ক্যাবল সিস্টেমের মাধ্যমে প্রচারিত হবে: নজরুল ইসলাম

শেখ জুয়েল রানা, শ্রীমঙ্গল, ২৭ জুন ২০২০ : “জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে অনলাইন স্কুল চালু হচ্ছে। এই অনলাইন স্কুল শ্রীমঙ্গল ক্যাবল সিস্টেমে দেখানো হবে। ২৬ টা মাধ্যমিক স্কুলকে এক করে একটা অনলাইন স্কুল খুলেছি এবং শ্রীমঙ্গল ক্যাবল সিস্টেমের মাধ্যমে দেখানো হবে।” মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে করোনাকালে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে করণীয় শীর্ষক শিক্ষক-অভিভাবক ও সুধীজনদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

২৭ জুন শনিবার দুপুরে ডাকবাংলো জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে “করোনামুক্ত শ্রীমঙ্গল চাই” এর উদ্যোগে অায়োজিত এ মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অারপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ অামিরুজ্জামান।
অতিথি হিসেবে অারও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালী দত্ত, চন্দ্রনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহর তরফদার, বালাগঞ্জ সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক অবিনাশ আচার্য, বিটিআরআই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.সায়েক আহমদ, সাংবাদিক এস কে দাশ সুমন, পলহ্যারিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ দিল আফরোজ বেগম, দিগ্বিজয় রায় আকাশ প্রমূখ।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন সংগঠক তাপস দাশ ও প্রিতম দাশ।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম অারও বলেন, “আমাদের কাছে অভিভাবকদের তালিকা দেন। আমি অভিভাবকের সাথে কথা বলবো যে আপনাদের বাচ্চাদের শিক্ষক যে পড়াতো সে এখন পড়াচ্ছে না কেনো। কিভাবে তাদেরকে আবার আগের জায়গায় আনা যায়। গৃহশিক্ষকদের বলবো অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা যেনো একটু কম নেন।”

মতবিনিময়সভায় অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অারপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ অামিরুজ্জামান বলেন, “অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। এই কার্যক্রমকে কার্যকর ও সকলের অংশগ্রহণমূলক করতে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট একসেস প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকার ও প্রশাসনকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবী জানাচ্ছি।”

এসময় মতবিনিময়ে বক্তারা বলেন, বর্তমানে করোনার সময় গৃহশিক্ষকদের টিউশনি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এসব গৃহশিক্ষকদের কাজে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের সাথে আলাপ করে কিভাবে তাদেরকে আবার টিউশনিতে আনা যায় সে ব্যবস্থা করা। এসময় গৃহশিক্ষকদের বলা হয় তারা যেনো অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্ধেক বেতন নিয়ে শিক্ষা সেবা অব্যাহত রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ