ফিনলের বাগানগুলোতে ক্যাজুয়েল শ্রমিকেরা চুক্তি অনুযায়ী মজুরী পাচ্ছে না

প্রকাশিত: ১:১০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২০

ফিনলের বাগানগুলোতে ক্যাজুয়েল শ্রমিকেরা চুক্তি অনুযায়ী মজুরী পাচ্ছে না

সৈয়দ অারমান জামী, বিশেষ প্রতিনিধি || শ্রীমঙ্গল, ২৫ নভেম্বর ২০২০ : জেমস ফিনলে কোম্পানির মালিকানাধীন চা বাগানগুলোতে ক্যাজুয়েল শ্রমিকেরা চুক্তি অনুযায়ী দৈনিক মজুরী ১২০ টাকা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মালিকপক্ষের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদের সাথে শ্রমিক ইউনিয়নের সদ্য সম্পাদিত দ্বি পক্ষীয় দ্নি বার্ষিক চুক্তি অনুযায়ী ক্যাজুয়েলদের জন্যও স্থায়ী শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত সমপরিমাণ মজুরী প্রদান করার কথা। কিন্তু বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সদর দপ্তর লেবার হাউস সূত্রে ও সরেজমিনে দেখা গেছে, স্থায়ী শ্রমিকদের দৈনিক মজুরী ১২০ টাকা হলেও ক্যাজুয়েলরা পাচ্ছে কোনো বাগানে ৭০ টাকা, কোনো বাগানে ৮০ টাকা ও কোনো বাগানে ৯০ টাকা।
ফিনলে কোম্পানির ৩৪টা চা বাগানে একই অবস্থা দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বালিশিরা ভ্যালীর সভাপতি বিজয় হাজরার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি জানান, “ক্যাজুয়েল শ্রমিকেরা চা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য না থাকায় অাইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। যদিও চুক্তিতে ক্যাজুয়েলদের জন্যও স্থায়ী শ্রমিকের সমপরিমাণ মজুরী নির্ধারণ করা হয়েছে।”
এ বিষয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অারপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ অামিরুজ্জামান ক্যাজুয়েলদেরকেও দৈনিক মজুরী ১২০ টাকা পরিশোধ করার দাবী জানিয়েছেন।
ভাড়াউড়া চা বাগানের পঞ্চায়েত সভাপতি নূর মোহাম্মদ বলেন, “গ্রাম্য ভাষায় ময় মুরব্বীরা বলে যে খেতের মধ্যে বেড়া দিছি ফসল না খাওয়ার জন্য। কিন্তু দেখা গেছে এখন বেড়াই ধান খাচ্ছে।
এগ্রিমেন্টে ক্যাজুয়েলদের স্থায়ী শ্রমিকের সমপরিমাণ হাজিরা দেওয়ার কথা। দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে এনেছেন, সেটা কী মুছে ফেলার জন্য?”
রাজঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিজয় বুনার্জী বলেন, “এগ্রিমেন্টে যা হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি বিবেচনায় নেয়া হয় নি। উপরন্তু চুক্তি করা হয়েছে, ৫দিন কাজ না করলে ছুটির মজুরী পাবে না।”