দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার প্রতিনিধি সম্মেলন ও মিলনমেলা

প্রকাশিত: ১০:৫৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৪

দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার প্রতিনিধি সম্মেলন ও মিলনমেলা

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ : ঢাকা থেকে প্রকাশিত ও সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত পত্রিকা দৈনিক ভোরের চেতনার ২৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে প্রতিনিধি সম্মেলন ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Manual1 Ad Code

অদ্য শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪) বিকাল ৩টায় শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মহসীন অডিটোরিয়ামে এ পত্রিকার ৬৪ জেলাসহ সারাদেশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত প্রতিনিধিদের নিয়ে এ সম্মেলন ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।

Manual8 Ad Code

এতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সংগঠক, সাপ্তাহিক নতুন কথা’র বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান।

Manual8 Ad Code

দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ফকির রিয়াজুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বক্তব্য দেন পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জালাল উদ্দিন জুয়েল, যুগ্ম সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার পারভেজ সাগর, উপসম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ সুজায়েত আলী চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হারুন অর রশীদ, বার্তা সম্পাদক অ্যাডভোকেট দিপংকর হালদার দিপু, সহযোগী সম্পাদক পাপিয়া সরকার, বিশেষ প্রতিনিধি মুফতি সাইফ উদ্দীন আল আজাদ প্রমুখ।

Manual7 Ad Code

দৈনিক ভোরের চেতনার ২৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অতিথির বক্তৃতায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, সাপ্তাহিক নতুন কথা’র বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেন, “গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। অপর তিনটি স্তম্ভ হচ্ছে, আইনসভা, বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ। বোঝাই যাচ্ছে গণমাধ্যমের গুরুত্ব ও অবস্থান কোথায়! জনস্বার্থ অভিমুখী মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পূর্ণতা পায় না। সরকার ও প্রশাসনের অসঙ্গতি ধরিয়ে দেওয়াসহ জনগণের সংগ্রামের সহযোদ্ধা হিসেবে গণমাধ্যমকে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হয়।

আসলে গণমাধ্যম হচ্ছে জনগণের সংগ্রামের সহযোদ্ধা, নীতি-আদর্শের যৌথ প্রচারক ও যৌথ আন্দোলনকারী, জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রের পাহারাদার। গণমাধ্যমই সঠিক পথ বাতলে দেয় যাতে সরকার, প্রশাসন ও জনগণ সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারে। গণমাধ্যম সরকার, প্রশাসন ও জনগণের প্রতিপক্ষ নয়; তবে জনস্বার্থে নজরদারী করবে। কাজেই বলিষ্ট ও শক্তিশালী গণমাধ্যম ছাড়া জনস্বার্থের রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারে না।”