প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত ও মিলাদ-কিয়ামের আয়োজন

প্রকাশিত: ৪:৫৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২, ২০২৬

প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত ও মিলাদ-কিয়ামের আয়োজন

Manual4 Ad Code

মেহেদী হাসান রাসেল, বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাকা, ০২ জানুয়ারি ২০২৬ : প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল ও কিয়ামের আয়োজন করেছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মতাদর্শভিত্তিক সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

Manual6 Ad Code

আজ শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার মাজার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব জননেতা স উ ম আবদুস সামাদ। এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Manual6 Ad Code

কর্মসূচির শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মিলাদ কিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশেষ মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশ, জাতি ও মানবতার শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

Manual7 Ad Code

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন,
“বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির একজন আপসহীন নেত্রী। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় তার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করেছেন।”

Manual1 Ad Code

তারা আরও বলেন, “দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ, নেতৃত্ব ও সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। আজকের এই মিলাদ কিয়াম ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং দেশ যাতে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ধারায় সঠিক পথে পরিচালিত হয়, তার জন্য দোয়া করছি।”

নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে বিভেদ ও সংঘাত পরিহার করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও শান্তির পথে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা জানান, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট দেশের কল্যাণে ইনসানিয়াত বা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় শান্তিপূর্ণ সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ