একবার হলেও দেখা উচিত ‘দ্য গট লাইফ’!

প্রকাশিত: ৮:১৭ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০২৪

একবার হলেও দেখা উচিত ‘দ্য গট লাইফ’!

Manual3 Ad Code

সিনেমা রিভিউ প্রতিবেদক | ঢাকা, ০২ এপ্রিল ২০২৪ : বিদেশ যাওয়ার আগে, অন্তত একবার হলেও দেখা উচিত ‘দ্য গট লাইফ’! নামের এই সিনেমা।

মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটা দেখার পর, এমন কথাই বলছেন অধিকাংশ দর্শক। প্রবাসী জীবনের যে গল্পটা কেউ বলে না, সেই গল্পটাই বলেছে ‘দ্য গট লাইফ’! কি আছে ১৬ বছর ধরে নির্মিত এই সিনেমার বাস্তবধর্মী গল্পে? কেন অনেক প্রবাসীর গল্পের সাথে মিলে যেতে পারে এই সিনেমা?

Manual5 Ad Code

ট্রেলার প্রকাশ্যে আসার শুরু থেকেই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল দেড় দশকের (১৫ বছর) বেশি সময় ধরে নির্মিত হওয়া পৃথ্বীরাজ সুকুমারন অভিনীত বহুল প্রত্যাশিত মালায়ালাম চলচ্চিত্র ‘আদুজিভিথাম’। যা ‘দ্য গট লাইফ’ নামেই বেশি পরিচিত।

অবশেষে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ ২০২৪) বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। আর মুক্তির পরপর রীতিমত বাজিমাত করছে এই ছবি।

Manual6 Ad Code

বলিউড মুভি রিভিউজ ডটকম বলছে, মুক্তির দুই দিনে বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় দাড়িয়েছে ৩০ কোটি রুপি! যার ভেতর শুধু ভারতীয় বক্স অফিসেই ১৬ কোটি রুপি আয় করেছে ছবিটি। যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের আয় যথাক্রমে ৮.৮০ ও ৭.২০ কোটি!

Manual2 Ad Code

এছাড়াও গেল তিন বছর ধরে মুক্তি প্রাপ্ত মালায়ালাম সিনেমা হিসেবেও সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমার তালিকার শীর্ষে রয়েছে ৮০ কোটি রুপি বাজেটের এই ‘দ্য গট লাইফ’ সিনেমাটি।

জানা গেছে, ১০ বছরের চিত্রনাট্য ও ৬ বছরের দৃশ্যধারণ শেষে ‘দ্য গট লাইফ’ সিনেমাটি নির্মাণ শেষ হয়। ভারতের প্রখ্যাত লেখক বেনিয়ামিনের লেখা উপন্যাসকে উপজীব্য করে তৈরি হয়েছে সিনেমাটির চিত্রনাট্য। নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে কেরালা থেকে ভাগ্যের সন্ধানে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমানো এক যুবকের জীবনকাহিনি উঠে এসেছে সিনেমায়।

Manual6 Ad Code

যেখানে সৌদি আরবের মরুভূমিতে অমানবিক দাসত্বের জীবন কাটাতে দেখা গেছে পৃথ্বীরাজ সুকুমারন অভিনীত চরিত্র নজীবকে। সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের সঙ্গে তার দিন কাটে অর্ধাহারে। এমনকি তাকে গোসলের পানি দেওয়া হয় না। এ জীবন থেকে রেহাই পেতে নানা চেষ্টা করতে থাকে নজীব।

পৃথ্বীরাজ ছাড়াও সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন জিমি জিন-লুইস, অমলা পল, রিক অ্যাবি। যার সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী নির্মাতা ব্লেসি এবং প্রযোজনা করেছেন ভিজ্যুয়াল রোমান্স। সিনেমাটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুনীল কেএস, আর সম্পাদনা করেছেন শ্রীকর প্রসাদ।