আন্দোলনের জেরে চট্টগ্রাম বন্দরের চার কর্মচারী বদলি

প্রকাশিত: ৯:১০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

আন্দোলনের জেরে চট্টগ্রাম বন্দরের চার কর্মচারী বদলি

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা ইস্যুতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে বন্দরের চার কর্মচারীকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার পানগাঁও ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনালে (আইসিটি) বদলি করা হয়েছে।

Manual6 Ad Code

শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ পার্সোনেল অফিসারের স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে এই বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট চার কর্মচারীকে একই দিন বিকালেই বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করা হয় এবং আগামীকাল ১ ফেব্রুয়ারি নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে ‘শাস্তিমূলক ব্যবস্থা’ হিসেবেই এই বদলি করা হয়েছে। তবে দাপ্তরিক আদেশে বলা হয়েছে, জরুরি দাপ্তরিক ও অপারেশনাল কাজের প্রয়োজনে এই বদলি করা হয়েছে।

বদলি হওয়া চার কর্মচারী হলেন—

Manual2 Ad Code

অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির (অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ), ইঞ্জিন ড্রাইভার মো. ইব্রাহিম খোকন (প্রথম শ্রেণি—নৌ বিভাগ), উচ্চ হিসাব সহকারী মো. আনোয়ারুল আজিম (অর্থ ও হিসাব বিভাগ) এবং এস এস খালাসী মো. ফরিদুর রহমান (প্রকৌশল বিভাগ)।

জানা গেছে, বদলি হওয়া এই চারজনই জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। গত ২৯ জানুয়ারি থেকে এনসিটি পরিচালনা ইস্যুতে যে অসন্তোষ ও আন্দোলন চলছে, সেখানে তাঁরা সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

Manual6 Ad Code

এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া পদক্ষেপে বন্দর এলাকায় শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ কর্মচারীদের অভিযোগ, ন্যায্য আন্দোলন দমন করতেই ‘টার্গেট করে’ এই বদলি করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক বলেন, “বন্দরের চারজন কর্মচারীকে তাদের বর্তমান বিভাগ থেকে সরিয়ে ঢাকা পানগাঁও আইসিটিতে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটি একটি নিয়মিত দাপ্তরিক প্রক্রিয়া এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমেই এই আদেশ জারি করা হয়েছে।”

এদিকে শ্রমিক-কর্মচারীদের একটি অংশ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছে, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্দোলনের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ