যৌথ প্রেমের খামার -৩

প্রকাশিত: ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫

যৌথ প্রেমের খামার -৩

Manual2 Ad Code

আয়শা জাহান নূপুর |

পড়ন্ত বিকেলের মতো তোমার বিষণ্ণ দিন।
আহা! কতদিন ছুঁয়ে দেখিনা!
মেঘের দিনের মতো তোমার আশ্চর্য ঘোলাটে চোখ।
আহা! কতদিন বৃষ্টি দেখিনা!

এ বড্ড বিরক্তির শহর।
বিশ্বাস কর, আমি সত্যিই ভাবি-
একদিন আমাকে নিয়ে তুমি কিংবা
তোমাকে নিয়ে আমি সাঁতার দিব স্রোতের বিপরীত নদীতে।
আমার ঠোঁটে এখন কাঠগোলাপের দিন।
শিশিরে মুখ রেখে বলে যাবে, “এমন মহুয়ার ঘ্রাণ পৃথিবী পায়নি আর।”

Manual7 Ad Code

বিশ্বাস কর, আমি সত্যিই ভাবি-
একদিন আমরাই হব উড়াল পাখি।
পাখনা থেকে ঝরে পড়বে অনিবার্য আগামী।
তাই বুক পকেটে কিছু বীজ রাখি আমি।
#

Manual8 Ad Code

এই কবিতার সারাংশ/সারমর্ম হলো—

কবিতাটি মূলত বিচ্ছেদ, নস্টালজিয়া ও আশাবাদী প্রেমের স্বপ্নকে কেন্দ্র করে রচিত। এখানে কবি প্রিয় মানুষের অনুপস্থিতিতে বর্তমান সময়ের শূন্যতা ও বিষণ্ণতা অনুভব করছেন—যেন পড়ন্ত বিকেল, মেঘলা দিন বা বৃষ্টিহীন আকাশ। শহরের যান্ত্রিক বিরক্তি থেকে মুক্তি পেতে তিনি কল্পনা করেন এমন এক ভবিষ্যৎ, যেখানে দু’জন মানুষ একসাথে স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে জীবনকে নতুনভাবে অনুভব করবে।

Manual6 Ad Code

কবিতায় প্রেম শুধু আবেগ নয়, বরং প্রতিরোধ ও সম্ভাবনার প্রতীক। “উড়াল পাখি” হওয়ার স্বপ্ন ভবিষ্যতের স্বাধীনতা ও নতুন জীবনের ইঙ্গিত দেয়। বুক পকেটে বীজ রাখার অর্থ—সব হতাশার মধ্যেও কবি আশার চাষ করেন, বিশ্বাস করেন যে একদিন সেই বীজ থেকেই নতুন শুরু, নতুন প্রেম ও নতুন জীবন জন্ম নেবে।

Manual4 Ad Code

সংক্ষেপে, কবিতাটি হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার স্মৃতি, বর্তমানের ক্লান্তি এবং আগামীর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস—এই তিনের মেলবন্ধন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ