অব্যাহতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, পুনর্বিবেচনার দাবি বিএনপি নেতা তাজ উদ্দিন তাজুর

প্রকাশিত: ২:৪৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০২৬

অব্যাহতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, পুনর্বিবেচনার দাবি বিএনপি নেতা তাজ উদ্দিন তাজুর

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ২০ আগস্ট ২০২৬ : শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি নেতা মো. তাজ উদ্দিন তাজু।

অব্যাহতির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে নেওয়া সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি গঠনে দলীয় গঠনতন্ত্র ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১টায় শ্রীমঙ্গল শহরের স্টেশন রোডে অবস্থিত গ্র্যান্ড তাজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিম মাহমুদসহ দলীয় সমর্থক, নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাজ উদ্দিন তাজু এর আগে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে তাজ উদ্দিন তাজু বলেন, ২০০৬ সালে বিএনপির প্রবীণ নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী প্রয়াত এম সাইফুর রহমানের হাত ধরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। এরপর থেকে দলের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আসছেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সর্বশেষ স্বাক্ষর ক্ষমতাসম্পন্ন যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানান।

তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করার কাজে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ছিলেন। দলের দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মামলা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৭২০ দিন কারাবরণ করতে হয়েছে বলেও তিনি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন।

Manual8 Ad Code

তাজু আরও বলেন, ২০১৮ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সিলেট আগমন উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে আয়োজিত স্বাগত মিছিলে পুলিশ হামলা চালিয়ে তাঁকে ও কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। ওই সময় তাঁকে মারধর করে ডান পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। পরে কারাগারে থাকা অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে তাঁর চিকিৎসা দেওয়া হয় বলেও জানান।

এ ছাড়া ২০১১ সালে দলীয় সমর্থনে এবং ২০১৬ সালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

‘অব্যাহতির আগে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি’

তাজ উদ্দিন তাজুর অভিযোগ, গত ১৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় তাঁকে বাদ দিয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির কাছে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সভা শেষে উপজেলা বিএনপির কয়েকজন সদস্য তাঁকে বিষয়টি জানান। পরে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আলম সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ওই সিদ্ধান্ত তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে হয়েছে বলে জানিয়েছেন—এমন দাবি করেন তাজু।

তাজ উদ্দিন তাজু বলেন, ‘‘অব্যাহতি দেওয়ার আগে আমাকে কোনো শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে, তা আমাকে জানানো হয়নি। কোনো অভিযোগের বিষয়ে আমার বক্তব্য নেওয়া হয়নি এবং কোনো সাংগঠনিক শুনানিতেও আমাকে ডাকা হয়নি।’’

তিনি আরও দাবি করেন, ১৬ আগস্ট মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপনের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে তাঁকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি গণমাধ্যম ও দলীয় সূত্রের মাধ্যমে জানতে পারেন বলে জানান।

‘দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখলে শৃঙ্খলা ভঙ্গ কীভাবে’

তাজুর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে বিগত জাতীয় নির্বাচনের পর থেকেই তাঁকে দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। বিষয়টি তিনি বিভিন্ন সময়ে জেলা বিএনপি ও সিলেট বিভাগীয় বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের লিখিত ও মৌখিকভাবে জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন।

তিনি বলেন, ‘‘যেখানে আমাকে দলের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা হয়েছে, সেখানে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় কীভাবে—তা আমার বোধগম্য নয়।’’

তাঁর দাবি, গত ২০ ও ২৪ জুলাই দলীয় সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের কাছে লিখিতভাবে ও ই-মেইলের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন। উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে রেজুলেশন করার পর ১৪ আগস্ট তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন ও সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি জানিয়ে আবেদন করেছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।

‘ব্যক্তিগত বিরোধের প্রভাব রয়েছে’

সংবাদ সম্মেলনে তাজ উদ্দিন তাজু দাবি করেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পর্যন্ত তিনি এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা মৌলভীবাজার-৪ আসনের বিএনপি নেতা হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সাংগঠনিক বিভিন্ন কার্যক্রমে একসঙ্গে কাজ করেছেন।

তবে সংসদ নির্বাচনের দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে দলীয় কিছু বিষয় এবং তাঁর ব্যক্তিগত আর্থিক দেনা-পাওনা নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয় বলে দাবি করেন তিনি। এরপর থেকেই তাঁকে বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা হয় বলে অভিযোগ তাঁর।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, পৌর বিএনপির আহ্বায়কসহ কয়েকজন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে বিষয়টি অবহিত করেছেন বলেও দাবি করেন।

তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‘পকেট কমিটি করার চেষ্টা হতে পারে’

তাজ উদ্দিন তাজুর আশঙ্কা, তাঁকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার মাধ্যমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপিতে তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা সীমিত করার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, তিনি স্বাক্ষর ক্ষমতাসম্পন্ন যুগ্ম আহ্বায়ক হওয়ায় তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে ইচ্ছেমতো ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটি অনুমোদন এবং দলীয় কাউন্সিল ছাড়া ‘পকেট কমিটি’ গঠনের চেষ্টা হতে পারে।

তবে এটি তাঁর আশঙ্কা ও অভিযোগ—এমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কোনো দলিল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি।

তাজু বলেন, দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত যদি ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা ব্যক্তিগত বিরোধের প্রভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে। তাই শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

পাঁচ দফা দাবি

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতাদের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন তাজ উদ্দিন তাজু।

দাবিগুলো হলো—

১. শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা।

২. নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে পুরো বিষয়টি তদন্ত করা এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে নেওয়া সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও ওয়ার্ড-ইউনিয়ন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা।

৩. তাঁকে কেন দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা হয়েছে, সেটিও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

৪. শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি গঠনে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব নয়, দলীয় গঠনতন্ত্র ও নিয়মতান্ত্রিক সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ নিশ্চিত করা।

Manual3 Ad Code

৫. তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ, প্রভাব বা সাংগঠনিক অনিয়ম কাজ করেছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা।

Manual7 Ad Code

‘অভিযোগ থাকলে তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত’

সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তাজ উদ্দিন তাজু বলেন, তিনি বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে দলের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল। দলের দুঃসময়ে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন এবং নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

তাঁর ভাষায়, ‘‘কেউ যদি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকেন, আমি তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। কিন্তু অভিযোগ যাচাই না করে শাস্তি কাম্য নয়। আগে অভিযোগ, তারপর তদন্ত, এরপর ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত—এটাই আমি প্রত্যাশা করি।’’

Manual6 Ad Code

তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁর বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রাখার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তাঁর দাবি কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের জন্য নয়; বরং দলের একজন দীর্ঘদিনের কর্মী হিসেবে সাংগঠনিক ন্যায়বিচার, অধিকার ও সম্মান ফিরে পাওয়ার জন্য তিনি এ দাবি জানাচ্ছেন।

পুনর্বিবেচনার বিষয়টি ‘মাথায় আছে’: জেলা বিএনপির সদস্য সচিব

তাজ উদ্দিন তাজুকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, “পুনর্বিবেচনার বিষয়টি আমাদের মাথায় আছে।”

তবে অব্যাহতির কারণ, তাজুর অভিযোগের বিষয়ে দলের অবস্থান এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবির বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আলম সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে এ মুহূর্তে আমার কোনো মন্তব্য নেই।”

ফলে তাজ উদ্দিন তাজুর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে জেলা ও উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
তবে জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বক্তব্যে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনার বিষয়টি সামনে এসেছে। এখন দলীয়ভাবে এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং তাজুর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় কি না, সেটিই দেখার বিষয়।