পানির ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে ওয়াটার গ্রিড লাইন চালু করবে সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

প্রকাশিত: ৩:৫১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০২২

পানির ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে ওয়াটার গ্রিড লাইন চালু করবে সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ১১ অক্টোবর ২০২২ : শিল্প-কলকারখানাসহ দেশে পানির ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে গ্যাস-বিদ্যুতের মতো ওয়াটার গ্রিড লাইন স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
তিনি আজ মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর ২০২২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত ‘দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে কমিউনিটি ভিত্তিক সুপেয় পানি অবকাঠামোর টেকসই শাসন: কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট মডেলের একটি কেস স্টাডি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা জানান।
তাজুল ইসলাম বলেন, দেশে একশ’টি অর্থনৈতিক জোন তৈরি হচ্ছে। এছাড়াও অনেক নতুন নতুন শিল্প কলকারখানা হচ্ছে। যেখানে প্রচুর পরিমাণে পানির প্রয়োজন হবে। পানির ভবিষ্যৎ চাহিদা মেটাতে এখন থেকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।
উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত মানুষের জন্য সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের পানি লবণাক্ত হওয়া ছাড়াও দেশের কিছু কিছু এলাকায় নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ‘ন্যাশনাল ওয়াটার গ্রিড লাইন’ তৈরির মাধ্যমে জোন এবং সাব-জোন করে পানি সরবরাহ করতে পারলে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকার ভূ-পৃষ্ঠের পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন করার কাজ চলমান রয়েছে।
বর্তমানে দেশের কোথাও পানির সংকট নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সে লক্ষ্য পূরণে দেশ দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে ২০৪১ সালের আগেই দেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরিত হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিকী, ঢাবির প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, ভূতত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমদ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক লিয়াকত আলী খান, ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ড দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ফকার দে জ্যাগার।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আইনুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুল হাসান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ