শোক প্রস্তাবে যুদ্ধাপরাধীদের নাম প্রত্যাহারের দাবি ছাত্র ফেডারেশনের

প্রকাশিত: ৮:২৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৪, ২০২৬

শোক প্রস্তাবে যুদ্ধাপরাধীদের নাম প্রত্যাহারের দাবি ছাত্র ফেডারেশনের

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ১৪ মার্চ ২০২৬ : জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত শোক প্রস্তাবে ‘চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্তদের’ নাম অন্তর্ভুক্ত করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। একই সঙ্গে তাদের নাম প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ড ও সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ এই দাবি জানান।

Manual2 Ad Code

যৌথ বিবৃতিতে দুই ছাত্রনেতা বলেন, ‘জাতীয় সংসদে একাত্তরের ঘাতক-দালাল ও চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্রীয় শোকে অন্তর্ভুক্ত করা মুক্তিযুদ্ধের লাখ-লাখ শহীদের রক্তের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের সঙ্গে স্পষ্ট বেঈমানি।

Manual1 Ad Code

যা বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই গ্রহণ করবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্ন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে এই দেশের মানুষ দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে।

১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের কলঙ্কিত ঐতিহাসিক ভূমিকা কোনোভাবেই মিথ্যা হয়ে যায় না। মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় ইতিহাসে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ আছে।’

বিবৃতিতে তাঁরা আরো বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ছিল একটি ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লড়াই। সেই লড়াইয়ের পর গঠিত সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি এই ধরনের নমনীয়তা জুলাইয়ের শহীদদের স্বপ্ন ও আত্মত্যাগের সঙ্গেও বেঈমানি।

Manual7 Ad Code

প্রকৃত জাতীয় পুনর্গঠন তখনই সম্ভব, যখন ১৯৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সংঘটিত সব গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের যথাযথ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করা হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি বজায় রেখে কোনোদিনই প্রকৃত জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠতে পারে না। তাই অবিলম্বে জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে উল্লেখিত যুদ্ধাপরাধীদের নাম প্রত্যাহারের দাবি জানাই। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত হত্যাকাণ্ডসহ সব অপরাধের ন্যায়বিচার দাবি করছি।’

Manual4 Ad Code