সম্রাট আকবরের খাবারের মেনু, হাকিম হামাম ছাড়া কেউ জানত না

প্রকাশিত: ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০২১

সম্রাট আকবরের খাবারের মেনু, হাকিম হামাম ছাড়া কেউ জানত না

Manual3 Ad Code

| জিনাত সুলতানা | চট্টগ্রাম, ০২ ডিসেম্বর ২০২১ : রসনা তৃপ্তির ব্যাপারে সম্রাটদের মধ্যে সেরা ও শৌখিন মানুষটি ছিলেন সম্রাট আকবর। তিনি মোগলাই খানাকে এক ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন।

আকবরের সুবিশাল ও রাজকীয় রন্ধনশালায় থাকতেন একজন কোষাধ্যক্ষ, একজন গুদামরক্ষক, খাদ্য-পরীক্ষক, কয়েকজন কেরানি, একজন প্রধান পাচক এবং প্রায় ৪০০ জন রাঁধুনি। এই ৪০০ জন রাঁধুনিদের উত্তর ভারত ও পারস্য থেকে রীতিমতো পরীক্ষা করে বেছে নেওয়া হত ।

Manual3 Ad Code

আকবরের রন্ধনশালায় মির-বাকাওয়াল (তত্ত্বাবধায়ক) এর পদটি ছিল রন্ধনশালার সবচেয়ে সম্মানীয় ও আর্থিক দিক থেকে লোভনীয় পদ।

শাহেনশা আকবরের খাবার মেনু ঠিক করতেন ‘হাকিম হামাম’। সম্রাট আকবর রোজ কী খাবেন, সেই মেনু ঠিক করতেন আকবরের নিজস্ব হাকিম (রাজবৈদ্য)। হাকিম সাহেব মরশুম বুঝে ও আকবরের শরীর বুঝে খাদ্যতালিকা তৈরি করতেন। অত্যন্ত গোপনে রাখা হত সেই তালিকা। হাকিম ছাড়া আর কেউ ঘুণাক্ষরেও জানতেন না পরের দিনে সম্রাট কী খেতে চলেছেন।

Manual1 Ad Code

সম্রাট আকবরের রন্ধনশালায় ছিলেন একজন অত্যন্ত বিশ্বস্ত খাদ্য-পরীক্ষক। তিনি রন্ধনশালার ভেতরেই সব ধরণের খাবার একটু করে খেয়ে পরীক্ষা করতেন। খাবারে যে বিষ নেই, সেই বিষয়ে খাদ্য-পরীক্ষক নিঃসন্দেহ হলেও, আরেকবার সেই খাদ্যগুলি চেখে দেখতেন রন্ধনশালার মির-বাকাওয়াল (তত্ত্বাবধায়ক)। এই পদটি ছিল রন্ধনশালার সবচেয়ে সম্মানীয় ও আর্থিক দিক থেকে লোভনীয় পদ।

খুব ভোরে উঠে হাকিম সাহেব আকবরের রন্ধনশালায় গিয়ে নির্দেশ দিতেন। সেই মতো তৈরি হত সম্রাটের খানা। তাই সব ধরণের উপকরণ প্রস্তুত থাকত গুদামঘরে। যতক্ষণ রান্না হত হাকিম (রাজবৈদ্য) প্রাসাদের রন্ধনশালায় উপস্থিত থাকতেন। আকবরের খাদ্যে ঔষধি গুণ যুক্ত উপাদান যাচ্ছে কিনা তার খেয়াল রাখতেন।

Manual6 Ad Code

সম্রাট আকবর খাবার টেবিলে আসার পর, মির-বাকাওয়াল আবার সেই সব খাবার কয়েক চামচ দইয়ে মিশিয়ে জিভে ফেলতেন। তারপর সম্রাট আকবর তাঁর ভোজন শুরু করতেন। শতাধিক পদের সামান্য অংশই চেখে দেখতেন সম্রাট আকবর। বাকি বিশাল অংশ বিলিয়ে দেওয়া হত ভিক্ষুকদের মধ্যে।

Manual4 Ad Code

আমি Zinat Sultana রাঙ্গামাটি জেলার দূর্গম পাহাড়ের “পাহাড়ি হলুদ” ও চট্টগ্রাম জেলার “ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ও ঝাল মরিচ” এবং ধনিয়া, ইরানি জিরা,সুপার নুডলস মসলা, রন্ধন মাছের মসলা, নবাবি হালিম মিক্স ও টেস্টিং সল্ট মুক্ত ৩০প্রকারের মসলা উপকরণ দিয়ে তৈরি খান্দানি মাংসের মসলা সহ সব ধরনের নির্ভেজাল ও বিশুদ্ধ মসলা পণ্য নিয়ে ই-কমার্সের দেশীয় পণ্যের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছি।

জিনাত সুলতানা
ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ