কক্সবাজারে আলিফ-মিম গ্রুপের নতুন কার্যক্রম: বিশেষ সুবিধা পাবে নোয়াখালী-কুমিল্লার পর্যটকরা

প্রকাশিত: ৮:০১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

কক্সবাজারে আলিফ-মিম গ্রুপের নতুন কার্যক্রম: বিশেষ সুবিধা পাবে নোয়াখালী-কুমিল্লার পর্যটকরা

Manual5 Ad Code

মেহেদী হাসান রাসেল, নিজস্ব প্রতিবেদক | লক্ষ্মীপুর, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : বিশ্বের দীর্ঘতম অখণ্ড প্রাকৃতিক বালুকাময় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে স্বল্প খরচে পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করতে নতুন ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে আলিফ-মিম গ্রুপ। বৃহত্তর নোয়াখালী ও বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চলের ভ্রমণপিপাসু সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে এ দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও উদ্যোক্তা, আলিফ-মিম গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আমির হোসেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা এই সৈকতের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত, ঢেউয়ের গর্জন এবং বিস্তীর্ণ বালুকাবেলা প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটককে আকর্ষণ করে। লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট ও কলাতলী পয়েন্ট কক্সবাজারের সবচেয়ে জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম।

Manual6 Ad Code

তিনি আরও জানান, কক্সবাজারের সৈকতটি সম্পূর্ণ বালুকাময় ও কাদামুক্ত, যা উত্তর দিকের লাবণী পয়েন্ট থেকে দক্ষিণে হিমছড়ি ও ইনানী সৈকত পর্যন্ত প্রায় ৭৫ মাইল বিস্তৃত। সৈকতের পাশাপাশি হিমছড়ি ঝর্ণা, টেকনাফ, রামুর ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার এবং মহেশখালী দ্বীপ পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

Manual6 Ad Code

আলহাজ্ব আমির হোসেন বলেন, “প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ কক্সবাজারে ঘুরতে আসতে চাইলেও অতিরিক্ত হোটেল ও খাবারের খরচের কারণে নিম্নবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেকেই এখানে ভ্রমণ করতে পারেন না। এই বাস্তবতা বিবেচনায় এনে আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।”

Manual6 Ad Code

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আলিফ-মিম গ্রুপ কক্সবাজারে স্বল্প ব্যয়ে রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব আবাসন সুবিধার মাধ্যমে সীমিত আয়ের মানুষও সাধ্যের মধ্যে থাকা ও খাওয়া-দাওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে করে পর্যটন খাতে একটি নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যটনের বিকাশ ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Manual4 Ad Code

তিনি আরও বলেন, “বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষজন যেন পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজারে ভ্রমণ করতে পারেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ