জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে শ্রীমঙ্গলের কাব্য

প্রকাশিত: ৫:৪৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে শ্রীমঙ্গলের কাব্য

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ২৫ মার্চ ২০২৬ : এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ–৫ না পেয়েও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের অনার্স ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের শিক্ষার্থী বিশ্বপ্রিয় ভট্টাচার্য কাব্য। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার বিভাগে দ্বিতীয় স্থান এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে উনিশতম স্থান অর্জন করেছে।

Manual3 Ad Code

বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে থিয়েটার বিভাগ ও ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ফলাফল পৃথকভাবে প্রকাশ করা হয়, যেখানে কাব্যের এই সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

Manual4 Ad Code

কাব্য ২০২৩ সালে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ–৫ পেয়ে এসএসসি পাস করে এবং ২০২৫ সালে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ৪.৫৮ জিপিএ অর্জন করে উত্তীর্ণ হয়। পড়াশোনার পাশাপাশি আবৃত্তি ও ফটোগ্রাফিতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছে সে।

Manual8 Ad Code

কাব্য ন্যাশনাল টি কোম্পানির প্রাক্তন চা বাগান ব্যবস্থাপক বিজয় কান্তি ভট্টাচার্যের পৌত্র। তার বাবা বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের মৌলভীবাজার ডিভিশনাল সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, দৈনিক কালের কণ্ঠের শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি, কণ্ঠধ্বনি আবৃত্তিচক্রের পরিচালক ও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং মা তনুশ্রী গোস্বামী।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যলয়ের অনার্স ২০২৬ বর্ষে ভর্তির মেধা তালিকায় সুযোগ পাওয়ায় বিশ্বপ্রিয় ভট্টাচার্য কাব্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান।

Manual8 Ad Code

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কাব্য বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষায় সামান্যর জন্য জিপিএ–৫ না পাওয়ায় আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়িনি। বরং পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগ দিয়েছি। নানা ব্যর্থতার পর এই সাফল্য এসেছে। জিপিএ–৫ না পেয়েও নিজের পছন্দের বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি—এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়।”

তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। কাব্য সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ