বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ছিলটি লোক উৎসব

প্রকাশিত: ৭:১১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৯, ২০২৬

বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ছিলটি লোক উৎসব

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | সিলেট, ০৯ এপ্রিল ২০২৬ : সিলেটের আবহমান লোকসংস্কৃতি, ছিলটি নাগরী ভাষা, লোকসাহিত্য, গান, ঐতিহ্য ও শেকড়ের সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী “ছিলটি লোক উৎসব ২০২৬”।

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্য চত্বর ঐতিহাসিক আলী আমজাদের ঘড়ি সংলগ্ন কীনব্রিজ চাঁদনীঘাট ও সারদা হল প্রাঙ্গণে। আয়োজন করে হাছন রাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ।

Manual3 Ad Code

বক্তারা বলেন, সিলেট অঞ্চলের নিজস্ব ভাষা, সাহিত্য, লোকসংগীত, পালাগান, বাউলগান, মরমী সংগীত, লোকনৃত্য, ঐতিহ্যবাহী খাবার, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও নাগরী লিপির ঐতিহ্য তুলে ধরাই এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। দিনব্যাপী এই আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, লোকসংগীত পরিবেশনা, নাগরী ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক নানা আয়োজন সুধীমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

উৎসব অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি ডাঃ জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী এক বার্তায় বলেন, সিলেটের হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকসংস্কৃতি ও নাগরী ভাষা আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্য পৌঁছে দিতে এবং লোকসাহিত্য চর্চা বৃদ্ধি করতে এই উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোলেমান হোসেন চুন্নু বলেন, ছিলটি ভাষা ও সংস্কৃতি শুধু সিলেটের নয়, এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা আমাদের শেকড়কে নতুনভাবে তুলে ধরতে চেয়েছি।

Manual8 Ad Code

এদিকে হাছন রাজা লোক ও সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও সঙ্গীতশিল্পী তারেক ইকবাল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের সকল সিলেটবাসী ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষকে সপরিবারে উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

Manual6 Ad Code

হাছন রাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাপতি এবং গীতিকার মো. আব্দুল আজিজ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকশিল্পী, গবেষক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা এই উৎসবে অংশগ্রহণ করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা করছেন, এই উৎসবটি ছিলটি লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উৎসবটি সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল এবং সংস্কৃতিপ্রেমী সকল মানুষকে উপস্থিত থাকায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ