হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে পুনরায় স্টপেজ চালুর দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২৬

হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে পুনরায় স্টপেজ চালুর দাবিতে মানববন্ধন

Manual1 Ad Code
  • হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে যাত্রাবিরতির দাবীতে চলমান এ আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখছেন কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান।
  • পরিবহন মালিকদের বিরোধে ভোগান্তিতে যাত্রীরা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ২৫ আগস্ট ২০২৬ : হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস (বিরতিহীন) বাস সার্ভিসের শ্রীমঙ্গল শহরে পূর্বের যাত্রাবিরতি (স্টপেজ) পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বক্তারা অভিযোগ করেছেন, হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিস ও এসএমএস পরিবহন সার্ভিসের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রভাব পড়ছে সাধারণ যাত্রীদের ওপর। এ বিরোধের কারণে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ ও মিরপুরগামী যাত্রীরা সরাসরি বাসে ওঠানামার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে শিক্ষার্থী, রোগী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, নারী, শিশু, বয়স্ক ও পর্যটকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে বিকল্প পরিবহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় শ্রীমঙ্গল শহরের চৌমুহনা চত্বরে ভুক্তভোগী যাত্রী ও স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শ্রীমঙ্গল গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যটন ও বাণিজ্যিক জনপদ। প্রতিদিন এ শহর থেকে হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ, মিরপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। শিক্ষা, চিকিৎসা, চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, পারিবারিক প্রয়োজন এবং পর্যটন—বিভিন্ন কারণে এসব এলাকার মধ্যে মানুষের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদে আন্তঃজেলা বাসের যাত্রাবিরতি না থাকায় সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, আগে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিস শ্রীমঙ্গল শহরে নিয়মিত যাত্রাবিরতি দিত। এর ফলে শ্রীমঙ্গলের যাত্রীরা সরাসরি বাসে হবিগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করতে পারতেন। বর্তমানে শ্রীমঙ্গলে বাসে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ না থাকায় অনেককে বিকল্প পরিবহন ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন যাতায়াতের সময় বাড়ছে, অন্যদিকে বাড়ছে ব্যয় ও দুর্ভোগ।

বিশেষ করে জরুরি চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ বা শায়েস্তাগঞ্জে যাতায়াতকারী রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ বেশি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। একইভাবে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের প্রতিদিনের যাতায়াতেও এর প্রভাব পড়ছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে যাতায়াতকারী নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ক্ষেত্রে একাধিকবার যানবাহন পরিবর্তনের বিড়ম্বনা আরও বেশি।

মানববন্ধনে বক্তারা প্রশ্ন তোলেন, দুটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক বিরোধের দায় সাধারণ যাত্রীরা কেন বহন করবেন? পরিবহন মালিক বা শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করা উচিত। কিন্তু সেই বিরোধের কারণে একটি এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াতের সুযোগ সীমিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে তারা মন্তব্য করেন।

Manual6 Ad Code

সংস্কৃতিকর্মী ও সংগীতশিল্পী মো. তারেক ইকবাল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্ট ও সাপ্তাহিক নতুন কথার বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান; হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার শ্রীমঙ্গল শাখার মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালী দত্ত, সংগঠনের শ্রীমঙ্গল শাখার কোষাধ্যক্ষ সুলতান আহমদ, সদস্য মো. ওয়াহিদ হাসান, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. কাওছার ইকবাল এবং শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ ছায়েদ আহমদ প্রমুখ।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার শ্রীমঙ্গল শাখার সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক নীহার রঞ্জন দেবনাথ।

Manual6 Ad Code

যাত্রীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: সৈয়দ আমিরুজ্জামান

হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে যাত্রাবিরতির দাবীতে ভুক্তভোগী যাত্রী ও সর্বস্তরের জনগণের চলমান এ আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেন, পূর্বে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিস শ্রীমঙ্গল শহরে নিয়মিত যাত্রাবিরতি দিত। এতে শ্রীমঙ্গলের মানুষ সরাসরি বাসে হবিগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করতে পারতেন। বর্তমানে যাত্রাবিরতি না থাকায় যাত্রীদের একাধিকবার বাস পরিবর্তন করতে হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, পরিবহনসংশ্লিষ্ট কোনো বিরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে রাখা উচিত নয়। যাত্রীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত একটি কার্যকর সমাধান বের করা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে নীহার রঞ্জন দেবনাথ বলেন, শ্রীমঙ্গল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র। দেশ-বিদেশ থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক এ এলাকায় আসেন। পাশাপাশি শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তাই এ গুরুত্বপূর্ণ জনপদের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলাগুলোর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ ও যাত্রীবান্ধব হওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, পরিবহনসংশ্লিষ্ট বিরোধের কারণে এ যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রশাসনের উচিত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা এবং সাধারণ যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা।

সঞ্চালক মো. তারেক ইকবাল চৌধুরী বলেন, হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কপথে শ্রীমঙ্গল একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। প্রতিদিন শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ, মিরপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ও পারিবারিক প্রয়োজনের পাশাপাশি পর্যটনের ক্ষেত্রেও এ সড়ক যোগাযোগের গুরুত্ব রয়েছে।

তিনি প্রশ্ন করেন, দুটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক বিরোধের দায় কেন সাধারণ যাত্রীদের বহন করতে হবে? একটি পরিবহন-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে শ্রীমঙ্গলসহ আশপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ কেন স্বাভাবিক যাতায়াতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন?

তারেক ইকবাল চৌধুরী আরও বলেন, নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীদের জন্য বারবার যানবাহন পরিবর্তন করে গন্তব্যে পৌঁছানো অত্যন্ত দুর্ভোগের। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষকে এ ধরনের বিড়ম্বনায় ফেলা যাত্রীস্বার্থের পরিপন্থী। শ্রীমঙ্গলবাসী কোনো বিশেষ সুবিধা চাইছেন না; তারা দীর্ঘদিন ধরে পাওয়া একটি স্বাভাবিক যাতায়াতের সুযোগ পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছেন।

হবিগঞ্জ সিলেট এক্সপ্রেস বিরতিহীন বাসে স্টপেজের দাবীতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন ও সমাবেশ।

মানববন্ধন থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো—হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিসের শ্রীমঙ্গল শহরে পূর্বের যাত্রাবিরতি অবিলম্বে পুনর্বহাল করে যাত্রী ওঠানো ও নামানোর সুযোগ নিশ্চিত করা; কোনো পরিবহন ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে কোনো এলাকার সাধারণ যাত্রীদের পরিবহন সুবিধা বন্ধ বা সীমিত না করা এবং শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জগামী যাত্রীদের জন্য নিয়মিত, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব বিরতিহীন বাস সার্ভিস নিশ্চিত করা।
এ সময় বক্তারা মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনসহ সব পক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

কাওছার ইকবাল বলেন, সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার ও ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। পরিবহনসংশ্লিষ্টদের বিরোধের কারণে সাধারণ যাত্রীরা কেন দুর্ভোগ পোহাবেন—এ প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই দিতে হবে। যাত্রীস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো জরুরি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস শ্রীমঙ্গলের ওপর দিয়ে চলাচল করলেও শহর থেকে যাত্রী ওঠানো কিংবা ফেরার পথে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার সুযোগ না থাকায় ভোগান্তি বাড়ছে। অনেক যাত্রীকে গন্তব্যের আগে বা পরে নেমে অন্য যানবাহনে করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত ভাড়া, সময় ও শ্রম ব্যয় হচ্ছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কয়েকজন সাধারণ যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা প্রতিদিনের যাত্রী। একটি বাসে শ্রীমঙ্গলে স্টপেজ থাকলে শত শত মানুষের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টির সমাধান না হওয়ায় তাদের নিয়মিত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, শ্রীমঙ্গল শুধু মৌলভীবাজার জেলার একটি উপজেলা নয়; এটি বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন, বাণিজ্য ও যোগাযোগকেন্দ্র। চা-বাগান ও পর্যটনকেন্দ্রের কারণে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে আসেন। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের হবিগঞ্জ ও সিলেটমুখী শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক যাতায়াতও উল্লেখযোগ্য।

Manual4 Ad Code

এ কারণে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ ও মিরপুরের সঙ্গে সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা শুধু স্থানীয় যাত্রীদের স্বার্থেই নয়, আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বক্তারা আরও বলেন, পরিবহন মালিক বা শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে কোনো বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা। বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ যাত্রীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এর আগে একই দাবিতে সাধারণ জনগণের পক্ষে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া এবং সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে বলে জানান মো. তারেক ইকবাল চৌধুরী। এ দাবির সমর্থনে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানও অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত শ্রীমঙ্গল শহরে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বিরতিহীন বাসের স্টপেজ চালু করা না হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে বিরোধের একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা হবে। একই সঙ্গে শ্রীমঙ্গল শহরে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের পূর্বের যাত্রাবিরতি পুনর্বহাল করে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

তাদের বক্তব্য, পরিবহন খাতের ব্যবসায়িক স্বার্থের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকারকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবহনসংশ্লিষ্ট বিরোধ যার সঙ্গেই থাকুক না কেন, তার খেসারত যেন শ্রীমঙ্গলসহ বৃহত্তর এলাকার সাধারণ মানুষকে দিতে না হয়—এটাই এখন স্থানীয়দের প্রধান প্রত্যাশা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ