যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৪:৪০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ও বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো এখনো ইভলভিং, এ বিষয়ে আরো পর্যালোচনা করা হবে।’

Manual4 Ad Code

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে পরবর্তী করণীয় কী হবে, তা নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম ও বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ বিষয়টি আসলে এখনো বিকাশমান।

যেটাকে আমরা ইংলিশে বলি ইভলভিং সিনারিও। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত আগের ধার্যকৃত ট্যারিফ মেন্টেনেবল না ঘোষণা করেছে। এরপর তারা সব দেশের জন্য প্রথমে ১০ শতাংশ, পরে ১৫ শতাংশ ট্যারিফ করেছে। কিন্তু আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুধু ঘোষণা শুনছি, কিন্তু সরকারি পর্যায়ে লিখিত কিছু পাইনি।

Manual2 Ad Code

তিনি আরো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেশের আইন অনুযায়ী ১২২ আইনি ব্যাখ্যায় যা আছে, সেটা ১৫০ দিনের মধ্যে ইউএস কংগ্রেসে অনুমোদিত হতে হবে। আর বাকি যা, তা টিভিতে আমরা দেখছি। সরকারি কোনো কাগজপত্র আসেনি। ফলে সিনারিওটা আবারও আমি বলব ইভলভিং।

বিগত সরকার কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করেছে, সেটির ব্যাপারেও এখনো বলার মতো কোনো অবস্থার তৈরি হয়নি। আমরা দেখছি, এর পক্ষে-বিপক্ষে কী আছে। একটি চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দুটি দিকই থাকবে, সেটা স্বাভাবিক। আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখছি। এরপর করণীয় ঠিক করব।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো গোপন করা ও সেটা তড়িঘড়ি করে করেছে কি না সাংবাদিকদের—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘কিছু নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট ছিল, সেটা চুক্তির আলোচনার সময়। তবে এ চুক্তিটা একটি সেনসিটিভ ইস্যু ছিল। যাদের সঙ্গে চুক্তি, দেশটাও আমাদের জন্য অনেক সেনসেটিভ। বিভিন্ন কারণেই এই বিকাশমান পরিস্থিতিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’

এদিকে শুল্ক ও চুক্তির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ডেকেছি, অনেক বড় রেঞ্জের আলোচনার জন্য। চুক্তিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কোন সেক্টরের কী সমস্যা। সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। রমজানের শুরুতে অনেকে একসঙ্গে এক মাসের বাজার করেন। বিক্রেতারাও পরিস্থিতির ও শূন্যতার সুযোগ নেয়। ৪০-৫০ টাকার লেবু ১২০ হয়ে গেছে ওই পরিস্থিতিতে। এরপর কিন্তু ঠিকই আবারও আগের দামে ফিরে এসেছে।’

Manual2 Ad Code

চাঁদাবাজি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘চাঁদাবাজি বন্ধে এত দিন বিভিন্ন সরকার আশ্বাস দিলেও কাজ হয়নি। অপেক্ষা করেন, আমরা কাজ করে দেখাব।’

Manual8 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ