কলাবাগান, তেতুঁল তলা মাঠে শিশু কর্ণার উদ্বোধন

প্রকাশিত: ৪:৪০ অপরাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০২৬

কলাবাগান, তেতুঁল তলা মাঠে শিশু কর্ণার উদ্বোধন

Manual2 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ০৯ মার্চ ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ডের অধীনে তেঁতুলতলা খেলার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে কিশোর ও যুবকদের খেলার মাঠ এবং স্থানীয়দের জানাজা ও নামাজের মতো অন্যান্য সামাজিক কর্মকাণ্ডের জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও সকাল-বিকাল এলাকাবাসী হাঁটতে ও সময় কাটাতে আসেন এ মাঠে। কিন্তু কোন শিশু কর্ণার না থাকায় মাঠটিতে শিশুদের উপস্থিতি খুবই কম।

এলাকার শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশের বিষয়টি বিবেচনায় হেলথ ব্রিজ ফাউন্ডেশন অব কানাডা ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের উদ্যোগে এবং তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা কমিটি ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় মাঠের এক অংশে একটি বাস্কেটবল পোল ও একটি রোপ ক্লাইম্বার স্থাপনের মাধ্যমে আজ একটি শিশু কর্ণার উদ্বোধন করা হলো।

সোমবার (৯ মার্চ ২০২৬) কলাবাগান তেঁতুলতলা মাঠে শিশু কর্ণার উদ্বোধন ও অংশীজর সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

Manual4 Ad Code

ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের সহকারি প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মিঠুনের সঞ্চালনা ও পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংস্থার পরিচালক গাউস পিয়ারী, তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষার আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও সমাজকর্মী সৈয়দা রত্না। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিশু কিশোর ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মকর্তাবৃন্দ।

Manual5 Ad Code

বক্তারা বলেন, ঢাকা শহর থেকে প্রতিনিয়ত পার্ক ও খেলার মাঠ হারিয়ে যাচ্ছে, দখল হয়ে যাচ্ছে। উন্মুক্ত গণপরিসর বলা হলেও অনেক মাঠ ও পার্কে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের প্রবেশাধিকারে রয়েছে নানা বাধা বিপত্তি। বেশিরভাগ গনপরিসর রক্ষনাবেক্ষণ ও ইজারার নামে ক্লাব বা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর হাতে চলে যাচ্ছে। তেঁতুলতলা মাঠটি এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় দখলের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এবং খেলার মাঠের পাশাপাশি স্থানীয়দের জানাজা ও নামাজের মতো অন্যান্য সামাজিক কর্মকাণ্ডের জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে কিশোর ও যুবকরা এ মাঠে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলে। তাদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রেখেই শিশু কর্ণারটি তৈরি করা হয়েছে, যাতে শিশুরা খেলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়।

বক্তারা আরো বলেন, প্রায় প্রতিটি এলাকায় কোন না কোন অব্যবহৃত বা স্বল্প ব্যবহৃত স্থান রয়েছে। এ স্থানগুলোতে ছোট আকারের শিশু কর্ণার তৈরি করা হলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। যে সকল পার্ক ও খেলার মাঠ দখল হয়েছে সেগুলো উদ্ধার করতে হবে এবং আর যেন কোন মাঠ পার্ক দখল হতে না পারে সে ব্যপারে স্থানীয় সরকার বিভাগকে আরো সক্রিয় হতে হবে।

Manual1 Ad Code

Manual4 Ad Code

আমাদের আর্থিক ও জায়গার সীমাবদ্ধতার মাঝে থেকেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে মাঠ-পার্কের সংখ্যা ও খেলাধূলার সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ