ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে অগ্রযাত্রা নারী ফোরামের বিবৃতিতে ৮৫ জনের সংহতি ও স্বাক্ষর

প্রকাশিত: ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০২৬

ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে অগ্রযাত্রা নারী ফোরামের বিবৃতিতে ৮৫ জনের সংহতি ও স্বাক্ষর

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ১৮ মে ২০২৬ : সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুর প্রতি যৌন সহিংসতার একের পর এক ঘটনায় অগ্রযাত্রা নারী ফোরাম গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সংগঠনটি একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে, যেখানে ৮৫ জন ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠন সংহতি জানিয়ে স্বাক্ষর প্রদান করেছেন। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন খুশি কবীর, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ড. স্বপন আদনান, নঈম জাহাঙ্গীর, আলতাফ পারভেজ, ড. হালিম দাদখান, শরীফ জামিল, জাকিয়া শিশির, ব্যারিস্টার ফারাহ খান, শেখ রোকন, ড. কাজী মারুফুল ইসলাম, মাহা মীর্জা ও সৈয়দ নিজারসহ দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষক, গবেষক, অধিকারকর্মী ও সংগঠকরা।

Manual2 Ad Code

গত ৪ মে কুমিল্লার চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হয়েছে; একই সময়ে নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের খবর দেশজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে; নরসিংদীর রায়পুরায় ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সালিসের মাধ্যমে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা এবং পরে মামলা হওয়ার ঘটনাও জনমনে গভীর ক্ষোভ তৈরি করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত একের পর এক নৃশংস ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করছে যে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা আজ ভয়াবহ সংকটের মুখে রয়েছে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলেছে।

Manual2 Ad Code

জাতীয় মানবাধিকার ও নারী অধিকার সংগঠনসমূহের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, চলতি বছরেও ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের অসংখ্য ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ভুক্তভোগীদের একটি বড় অংশ শিশু ও কিশোরী। অনেক ঘটনায় ধর্ষণের পর হত্যা, আত্মহত্যায় প্ররোচনা, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগের ঘটনাও সামনে এসেছে। বাস্তবে সামাজিক ভয়, প্রভাবশালী মহলের চাপ এবং বিচার না পাওয়ার আশঙ্কায় বহু পরিবার অভিযোগ দায়ের করতেই সাহস পায় না। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি প্রকাশিত তথ্যের চেয়েও ভয়াবহ।

Manual8 Ad Code

আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ও কার্যকর অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শক্তি তাদের নির্বাচনি অঙ্গীকারে নারী অধিকার, নিরাপত্তা ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিলেও সাম্প্রতিক ধারাবাহিক সহিংস ঘটনার প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের পক্ষ থেকে দৃঢ়, জবাবদিহিমূলক ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ এখনো স্পষ্ট নয়।

Manual8 Ad Code

বিশেষভাবে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভেতরেও যৌন সহিংসতা ও শিশু নির্যাতনের একাধিক ঘটনা সামনে আসছে। বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন, শারীরিক নিপীড়ন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ পেলেও এ বিষয়ে কার্যকর তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ পরিবেশ তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট মনস্তাত্বিক ও সামাজিক কারণ নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে গভীর কাজ খুবই সীমিত। বিচ্ছিন্ন গ্রেপ্তার বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; প্রযোজন প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নিরাপত্তা কাঠামো, শিশু সুরক্ষা নীতি এবং মানবিক ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ।

আমরা আরও উদ্বেগ প্রকাশ করছি যে, কিছু ক্ষেত্রে নারী অধিকার ও যৌন সহিংসতা প্রতিরোধের প্রশ্নকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় বিভ্রান্তি, সামাজিক বিদ্বেষ এবং অপপ্রচারের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। ধর্ষণ বা নির্যাতনের দায় অপরাধীর পরিবর্তে নারীর পোশাক, চলাফেরা বা সামাজিক উপস্থিতির ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা সমাজে নারীবিদ্বেষী মানসিকতাকে আরও উসকে দিচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে নারী অধিকারবিরোধী বক্তব্য এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো প্রকৃত সমস্যাকে আড়াল করছে এবং অপরাধীদের দায়মুক্তির সুযোগ তৈরি করছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কোনো ধর্ম, সংস্কৃতি বা সামাজিক মূল্যবোধই নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাকে সমর্থন করে না।

বাংলাদেশের সংবিধান নারী-পুরুষের সমঅধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিলেও বাস্তবে নারীরা ঘর, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন এবং ডিজিটাল মাধ্যমসহ সর্বত্র অনিরাপত্তার মধ্যে জীবনযাপন করছে। এই পরিস্থিতিকে আমরা একটি মানবিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সংকট হিসেবে বিবেচনা করছি।

এ প্রেক্ষিতে আমরা সরকারের প্রতি নিম্নোক্ত জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছিঃ

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের সকল ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
যৌন নিপীড়ন বিরোধী নীতিমালার দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতা মুক্ত করে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসাসহ সকল আবাসিক প্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা নীতি বাধ্যতামূলক করতে হবে।
যৌন সহিংসতার সামাজিক ও মনস্তাত্বিক কারণ চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।
ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা, চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।
নারী অধিকারবিরোধী বিদ্বেষমূলক প্রচারণা ও ধর্মীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
রাজনৈতিক পরিচয়, ক্ষমতা বা প্রভাব বিবেচনা না করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল পর্যায়ে জেন্ডার সমতা, সম্মতি (consent) এবং মানবাধিকার বিষয়ে কার্যকর শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে হবে।

আমরা দেশের সকল নাগরিক, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী, সাংবাদিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানাই, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। নীরবতা, দায়হীনতা এবং অপরাধকে আড়াল করার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে এই সংকট আরও গভীর হবে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন নারী অধিকার, মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠনসমূহ। বিবৃতি প্রদানে সম্মতি ও স্বাক্ষর করেছেন যারা:

১. খুশি কবীর – নিজেরা করি ২. অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ৩. ড. স্বপন আদনান, গবেষক ও অধ্যাপক; ৪. নঈম জাহাঙ্গীর – আহ্বায়ক, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ; ৫. আলতাফ পারভেজ, লেখক ও সম্পাদক; ৬. ড. হালিম দাদখান, হাওর অঞ্চলবাসী (সমন্বয়ক); ৭. শরীফ জামিল – সদস্য সচিব, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা); ৮. জাকিয়া শিশির, আহ্বায়ক, অগ্রযাত্রা নারী ফোরাম; ৯. ব্যারিস্টার ফারাহ খান, সদস্য সচিব, সিরাজুল আলম খান ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট; ১০. শেখ রোকন, মহাসচিব, রিভারাইন পিপলস; ১১. ড. কাজী মারুফুল ইসলাম, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ১২. মাহা মীর্জা – শিক্ষক ও গবেষক; ১৩. সৈয়দ নিজার – শিক্ষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; ১৪. বীথি ঘোষ – সাংস্কৃতিক সংগঠক; ১৫. মেহেনাজ মালা, সদস্য সচিব, অগ্রযাত্রা নারী ফোরাম; ১৬. লিপি রহমান, বাদাবন সংঘ; ১৭. সানজিদা খান রিপা, ম্যানেজার, প্রোগ্রাম, ALRD; ১৮. আমিনুল ইসলাম বকুল, আর্থ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন; ১৯. শ্যামলী নাহার – সুরভী; ২০. সাইদ আহমেদ নাহিদ, অধিকার কর্মী; ২১. তৃষ্ণা সরকার, ঋদ্ধ ফাউন্ডেশন; ২২. লামিয়া ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন; ২৩. গোলাম শফিক, লেখক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব; ২৪. শামীম আহমেদ – তরী বাংলাদেশ; ২৫. লাইলি ইয়াসমীন – সাংবাদিক; ২৬. এডভোকেট বিলকিস ঝর্না; ২৭. অনিন্দিতা আফরা, সম্ভব ইউথ অরগানাইজেশন; ২৮. রামিসা চৌধুরী – সম্ভব ইউথ অরগানিজেশন; ২৯. নাদিরা পারভীন – অধিকার কর্মী; ৩০. নুরুন্নাহার বেগম – অধিকার কর্মী; ৩১. রোকেয়া সাভেদ মায়া, গনপরিষদ; ৩২. লাবনী মন্ডল – রাজনৈতিক কর্মী; ৩৩. দীপা খালকো – নির্বাহী প্রধান, নারী উন্নয়ন সংস্থা ঠাকুরগাঁও; ৩৪. আব্দুল মজিদ অন্তর, মানবাধিকার কর্মী; ৩৫. সীমা দত্ত – সভাপতি, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র; ৩৬. পুরবী তালুকদার – অধিকার কর্মী; ৩৭. কামরুল হাসান বাবু – রোটারিয়ান; ৩৮. জাকিয়া সুলতানা নীলা – অধিকার কর্মী; ৩৯. শাহেরীন আরাফাত, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাংবাদিক; ৪০. সৈয়দ ফয়সাল আহমেদ, আবৃত্তি শিল্পী; ৪১. সরদার আরিফুদ্দীন – নৃবিজ্ঞানী; ৪২. শামীম আরা নীপা, এনপিএ কাউন্সিল সদস্য; ৪৩. ফারজানা মান্নান, শিক্ষা গবেষক; ৪৪. এডভোকেট শফিকুর রহমান, প্রকাশক ও সম্পাদক, আইন ও বিচার; ৪৫. সামিরা রিমা, অধিকার কর্মী; ৪৬. বাকী বিল্লাহ, সদস্য, সেন্ট্রাল কাউন্সিল, এনপিএ; ৪৭. মাহবুবা রহমান জলি – উন্নয়ন কর্মী; ৪৮. কোহিনুর খাতুন – উন্নয়ন কর্মী; ৪৯. সানজিদা খান দীপা – ব্রতী; ৫০. নীলা কস্টা – উন্নয়ন কর্মী; ৫১. সানজিদা রহমান – উন্নয়ন কর্মী; ৫২. শহিদুল ইসলাম – ব্র্যাড বাংলাদেশ; ৫৩. শামীমা পারভীন – উন্নয়ন কর্মী; ৫৪. ফারজনা লিজা, টোবাকো কন্ট্রোল রিসার্চ সেল; ৫৫. কামরুন্নিসা মুন্ন, সেন্টার ফর ল এন্ড পলিসি আফেয়ারস; ৫৬. খন্দকার ইমরুল হাসান সমাজ ফাউন্ডেশন; ৫৭. দিলারা কেয়া- উন্নয়ন কর্মী; ৫৮. সালমা খাতুন – নিকুশি সমাজ কুষ্টিয়া; ৫৯. হাজেরা বেগম, প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি, শিশুদের জন্য আমরা; ৬০. সীমা দাস সীমু – উন্নয়ন কর্মী; ৬১. ইফতেখার আহমেদ বাবু; ৬২. শশাঙ্ক বরণ রায়, মানবাধিকার কর্মী; ৬৩. শাহিদা আমেনা – আইনজীবী; ৬৪. দীপু মাহমুদ – কথাসাহিত্যিক; ৬৫. নাসিমা আক্তার সোমা, সভাপতি, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতি (বানাসাস); ৬৬. মাযহার জীবন, গবেষক; ৬৭. ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, সভাপতি, তিস্তা নদী রক্ষা কমিটি; ৬৮. আইনুন নাহার নীলিমা, শিশু ও মানবাধিকার কর্মী; ৬৯. তাসনীম তরী – শিক্ষক; ৭০. সুমন শামস, চেয়ারম্যান, নোঙ্গর ট্রাস্ট; ৭১. এডভোকেট সীমা জহুর, সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি; ৭২. ফারজানা উর্মি, সহ সাধারণ সম্পাদক, গর্জন সমাজকল্যাণ সংস্থা; ৭৩. রুপালি খাতুন – সেক্রেটারি, আর্থ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন; ৭৪. সাথী আক্তার – ট্রেইনার, নারী ঐক্য উন্নয়ন সংস্থা, ঠাকুরগাও; ৭৫. সাইদ আহমেদ – মানবাধিকার কর্মী; ৭৬. ঈশিতা ইয়াসমিন, পরিবেশ আন্দোলন কর্মী; ৭৭. কেকা অধিকারী – উন্নয়ন কর্মী; ৭৮. ইশরাত জাহান, গল্পকার; ৭৯. সামিউল আলম রাসু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন; ৮০. রাসেল আহমেদ, কবি ও রাজনৈতিক কর্মী; ৮১. সন্ধ্যা রানী ভৌমিক, সভাপতি, আমরা পারবো নেটওয়ার্ক; ৮২. তুহিন চৌধুরী – অ্যাক্টিভিস্ট; ৮৩. তাসমিন-ই-জান্নাত সিদ্দিকী, অ্যাক্টিভিস্ট; ৮৪. সরলা মূর্মু – উন্নয়ন কর্মী; ৮৫. মেরিলিনা সরকা, এক্টিভিস্ট; ৮৬. বিভা সরকার।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ