ব্যাটারিচালিত যানবাহন সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি না করার আহ্বান

প্রকাশিত: ৫:৫৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২৬

ব্যাটারিচালিত যানবাহন সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি না করার আহ্বান

Manual5 Ad Code
  • রিকশা, ব্যটারি রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দের আহ্বান
  • কোন অবাস্তব শর্তের বেড়াজালে লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মধ্যে ফেলবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২৭ আগস্ট ২০২৬ : সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন হিসেবে ব্যাটারিচালিত রিকশা, রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইককে কোনো ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বা বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীদের হাতে জিম্মি না করার আহ্বান জানিয়েছে রিকশা, ব্যাটারি রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ।

একই সঙ্গে অবাস্তব ও কঠিন শর্ত আরোপ করে এই খাতের সঙ্গে যুক্ত লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে না ফেলার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ফুটপাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

ব্যাটারিচালিত যানবাহন বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগ্রাম পরিষদ।

Manual4 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রিকশা, ব্যাটারি রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন। সূচনা বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কাদির। সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় দপ্তরের নেতা রোখশানা আফরোজ আশা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর শাখার সহসভাপতি জালাল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দাউদ আলী মামুন, উপদেষ্টা আফজাল হোসেন, আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা।

‘ই-রিকশা চালুর উদ্যোগে আশাবাদ ও উদ্বেগ দুটোই আছে’

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, গত ১৭ আগস্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এক সংবাদ সম্মেলনে প্রচলিত ব্যাটারিচালিত রিকশার পরিবর্তে ই-রিকশা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, বিআরটিএর পরিবর্তে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আওতায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার নিবন্ধন ও লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য একটি সমন্বিত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর জারি করা বিধিমালা সংশোধনের কথাও বলা হয়েছে।

সংগ্রাম পরিষদের নেতারা বলেন, একটি সমন্বিত সরকারি নীতিমালার আওতায় নিবন্ধন, লাইসেন্স, ফিটনেস, চালকদের প্রশিক্ষণ ও রুট পারমিটের ব্যবস্থা করা হলে তারা তা সমর্থন করবেন। তবে সরকারের ঘোষণায় যেসব শর্ত ও বাস্তবায়ন কাঠামোর কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর কয়েকটি নিয়ে তাদের গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে।

তাদের ভাষ্য, সিটি করপোরেশন বা পৌরসভাকে লাইসেন্স ও নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের যান্ত্রিক বা ব্যাটারিচালিত যানবাহন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দেওয়া হয়নি। ফলে নতুন করে দ্বৈত কর্তৃপক্ষ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হতে পারে।

Manual5 Ad Code

সৌরবিদ্যুতে চার্জের শর্ত নিয়ে আপত্তি

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার লাইসেন্স, নিবন্ধন ও নবায়নের ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুৎ দিয়ে ব্যাটারি চার্জ করার শর্তের কথা বলা হয়েছে বলে উল্লেখ করে এর তীব্র সমালোচনা করেন সংগ্রাম পরিষদের নেতারা।

তারা বলেন, সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো উৎসের বিদ্যুৎ দিয়ে ব্যাটারি চার্জ করা হলে লাইসেন্স বা নিবন্ধন নবায়ন না করা এবং জরিমানার মতো বিধান বাস্তবসম্মত নয়। দেশের বিপুলসংখ্যক সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত এই পরিবহন ব্যবস্থায় এমন শর্ত আরোপ করলে বাস্তবে বিপর্যয় তৈরি হতে পারে।

নেতারা প্রশ্ন রাখেন, যেখানে দেশের সব বাসাবাড়িতেও সৌর প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করা সম্ভব হয়নি, সেখানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর সৌরবিদ্যুতে চার্জের বাধ্যবাধকতা আরোপের যৌক্তিকতা কী?

তাদের দাবি, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু সেটিকে লাইসেন্স ও নিবন্ধনের পূর্বশর্ত করা যাবে না।

Manual1 Ad Code

নির্দিষ্ট কারখানা থেকে গাড়ি কেনার শর্তে ‘সিন্ডিকেটের আশঙ্কা’

সংগ্রাম পরিষদের নেতারা আরও বলেন, অনুমোদিত নির্দিষ্ট কারখানা বা প্রতিষ্ঠান থেকে ই-রিকশা কেনার বাধ্যবাধকতার কথাও সরকারি ঘোষণায় এসেছে। তাদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হলে উৎপাদন ও বিপণন খাতে বিশেষ একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।

তারা প্রশ্ন করেন, যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে ই-রিকশা কেনার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলোর মালিক কারা এবং তাদের যোগ্যতা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া কী হবে—এ বিষয়ে স্পষ্টতা প্রয়োজন। অন্যথায় দেশের লাখ লাখ রিকশা ও ব্যাটারিচালিত যানবাহনের মালিক-চালক একটি নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়তে পারেন।

সংগঠনটির দাবি, স্থানীয় পর্যায়ে যেসব প্রতিষ্ঠান বর্তমানে যানবাহন উৎপাদন করছে, তাদের উপযুক্ত মানদণ্ডের ভিত্তিতে অনুমোদনের সুযোগ দিতে হবে। উৎপাদন ও বিপণনের সুযোগ কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা সিন্ডিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা যাবে না।

বেকারত্ব ও সস্তা পরিবহনের বাস্তবতা বিবেচনা করতে হবে’

ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে যানজট, দুর্ঘটনা কিংবা বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী করার প্রবণতারও সমালোচনা করেন নেতারা। তারা বলেন, কেন বিপুলসংখ্যক মানুষ রিকশা, ইজিবাইক বা ব্যাটারিচালিত যান চালাচ্ছেন এবং কেন সাধারণ যাত্রীরা এসব বাহনের ওপর নির্ভর করছেন—নীতিনির্ধারণের সময় সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

তাদের বক্তব্য, দেশে তীব্র বেকারত্বের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ রিকশা বা ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জন্য তুলনামূলক সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী পরিবহনের বিকল্প সীমিত হওয়ায় এসব যানবাহন যাত্রীদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রসঙ্গে নেতারা বলেন, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের একটি বড় অংশ রাতে চার্জ দেওয়া হয় এবং রাত ১০টার পর অনেক এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কম থাকে। তাই বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া উচিত; অপপ্রচার বা একতরফাভাবে একটি খাতকে দায়ী করা সমাধান নয়।

১৩ বছর ধরে অভিন্ন নীতিমালার দাবি

সংগ্রাম পরিষদের নেতারা জানান, গত ১৩ বছর ধরে তারা ব্যাটারিচালিত যানবাহনের জন্য একটি অভিন্ন ও সমন্বিত নীতিমালার দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইকসহ অন্যান্য যানবাহনের নিবন্ধন, চালকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স প্রদান, রুট পারমিট চালু এবং স্বল্পগতির ও স্থানীয় যানবাহনের জন্য পৃথক লেন বা সার্ভিস রোড নির্মাণ।

এ ছাড়া অবৈধ রেকারিং, চাঁদাবাজি ও কথিত ‘বিট বাণিজ্য’ বন্ধ করার দাবিও দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছে সংগঠনটি।

নেতারা বলেন, এতদিনেও এ খাতের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপি সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর অগ্রাধিকার খাত নিয়ে ১৮০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করলে সংগ্রাম পরিষদ সমাবেশ ও স্মারকলিপির মাধ্যমে ব্যাটারিচালিত যানবাহন খাতকে অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানায়। পাশাপাশি নীতিমালা আধুনিকায়ন করে গাড়ির নিবন্ধন, চালকদের লাইসেন্স, ফিটনেস সনদ, রুট পারমিট ও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।

অংশীজনের মতামত নিয়ে বিধিমালা চূড়ান্তের দাবি

২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর জারি করা ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা সংক্রান্ত বিধিমালা সংশোধনের আগে রিকশাচালক, মালিক, উৎপাদকসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগ্রাম পরিষদ।

নেতারা বলেন, ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া কোনো সংশোধনী বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না। এ খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত মানুষের অভিজ্ঞতা ও মতামত ছাড়া কার্যকর নীতিমালা তৈরি করা সম্ভব নয়।

তাদের মতে, সরকারের সাম্প্রতিক ঘোষণায় একদিকে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে কিছু শর্ত ও বাস্তবায়ন কাঠামো নতুন সংকটের আশঙ্কাও তৈরি করেছে। ফলে সরকারের সঙ্গে অংশীজনদের আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

‘উচ্ছেদ নয়, আধুনিকায়ন চাই’

সংবাদ সম্মেলন থেকে সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ব্যাটারিচালিত যানবাহন উচ্ছেদ না করে আধুনিকায়নের দাবি জানান। তারা বলেন, সড়কে অনিয়ন্ত্রিত যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হলে উচ্ছেদ নয়, নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আওতায় আনতে হবে। চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে এবং নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে এসব যানবাহনকে সমন্বয় করতে হবে।

তারা আরও বলেন, সারাদেশে চলাচলরত ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক, ‘পাখি’সহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনকে সরকার অনুমোদিত নকশা ও নিরাপত্তামান অনুযায়ী সংশোধন, পরিবর্তন বা রিপ্লেসমেন্টের জন্য অন্তত দুই বছর সময় দিতে হবে। হঠাৎ করে নিষেধাজ্ঞা বা উচ্ছেদ অভিযান চালালে বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের ভাষায়, তাদের অবস্থান হলো—‘উচ্ছেদ নয়, আধুনিকায়ন চাই; অনিয়ন্ত্রিত নয়, লাইসেন্স চাই; জীবিকার পথ বন্ধ করা নয়, জীবনকে সহজ করতে চাই।’ একই সঙ্গে বিদ্যুৎ চুরি, সিস্টেম লস ও দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তারা।

সেপ্টেম্বরজুড়ে কর্মসূচি

সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনায় সংশোধন ও বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন থেকে দুই দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

এ ছাড়া আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে সমাবেশ করে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার উদ্যোগকে তারা বিরোধিতা করছেন না। বরং দীর্ঘদিনের দাবির ভিত্তিতে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও সমন্বিত পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান। তবে সেই প্রক্রিয়ায় লাখ লাখ মানুষের জীবিকা, সাধারণ যাত্রীর সাশ্রয়ী পরিবহনের সুযোগ এবং ক্ষুদ্র উৎপাদকদের স্বার্থ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

তাদের দাবি, সরকারের নীতিনির্ধারণে ব্যবসায়িক স্বার্থের পরিবর্তে জনস্বার্থ, শ্রমজীবী মানুষের জীবিকা, যাত্রীসেবা, সড়ক নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের উৎপাদন, চার্জিং, নিবন্ধন, লাইসেন্স ও চলাচল ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোর আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।

Manual5 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ