একাত্তরের জেনোসাইড স্বীকৃতির দাবিতে বিভিন্ন পেশা ও স্তরের ১০০০ জনের যৌথ বিবৃতি

প্রকাশিত: ৬:২৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৮, ২০২৩

একাত্তরের জেনোসাইড স্বীকৃতির দাবিতে বিভিন্ন পেশা ও স্তরের ১০০০ জনের যৌথ বিবৃতি

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ : জাতিসংঘ জেনোসাইড স্মরণ দিবস উপলক্ষে একাত্তরের জেনোসাইডের স্বীকৃতির দাবিতে দেশের বিভিন্ন পেশা ও স্তরের ১০০০ জন যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।

Manual2 Ad Code

আমরা একাত্তর সংগঠনের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, গবেষক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের স্বাক্ষরিত এ বিবৃতি প্রদান করা হয়।

বিবৃতিতে অনতিবিলম্বে বাংলাদেশে ১৯৭১ সনে পাকিস্তান কর্তৃক সংঘটিত জেনোসাইডের জাতিসংঘ স্বীকৃতির দাবী পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

এতে বলা হয়, প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ বিশ্বব্যাপী সংঘটিত নৃশংস-ভয়াবহ-বীভৎস জেনোসাইডসমূহ স্মরণ করে কোটি কোটি নিহত-বিপন্ন ও ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। আমরা বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে জাতিসংঘের জেনোসাইড স্মরণ দিবসের সাথে সংহতি ও একাত্মতা ঘোষণা করছি। একই সঙ্গে আমরা এই তিক্ততম সত্যের কথা উচ্চারণ করছি যে, ১৯৭১ সনে বাংলাদেশে পাকিস্তানি শাসকবর্গ মানব ইতিহাসের অত্যন্ত বর্বর যে জেনোসাইড সংঘটিত করেছে, ত্রিশ লক্ষ লোক যে জেনোসাইডে নিহত হয়েছে, কোটি লোক শরণার্থী হয়েছে, নির্যাতিত-অবমানিত-দু:স্থ হয়েছে, অসংখ্য নারী যৌন-অত্যাচারিত হয়েছে। জাতিসংঘ এখনও এমন হিংস্রতম জেনোসাইডের স্বীকৃতি দেয়নি। যে কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জেনোসাইড এখনও চলছে।

Manual1 Ad Code

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন ড. বিনায়ক সেন, ড.এম এম আকাশ, নাট্যজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ম হামিদ, প্রাবন্ধিক ও লেখক মফিদুল হক, স্থপতি মসিহ উদ্দিন শাকের, চলচ্চিত্র নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেল, প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা মানজারে হাসিন মুরাদ, নাট্যজন শংকর সাঁওজাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ হিলাল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃণাল সরকার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন (প্রাক্তন উপাচার্য), শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিক উল্লাহ খান, সাবেক সচিব বেগম আখতারী মমতাজ, অধ্যাপক শেখ জিন্নাত আলী, অধ্যাপক নাজিয়া চৌধুরী, অধ্যাপক আব্দুল গনি, উপাচার্য অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস, কবি শুভেন্দু ইমাম, কবি তুষার, সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেন মনজু, দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক কাজী রফিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মনজুরুল আহসান বুলবুল, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, আসিফ মুনীর, সাংবাদিক ও সেক্টরস কমান্ডারস ফোরামের মহাসচিব হারুন হাবিব, বিভূরঞ্জন সরকার, সাংবাদিক প্রণব সাহা, ইসরাফিল শাহীন, প্রভাস আমিন, রাশেদ চৌধুরী, কাজী নাজমুল আলম তাপস, মুন্নী সাহা, প্রচ্ছদ শিল্পী ধ্রুব এষ, মানবাধিকার কর্মী অ্যারোমা দত্ত এমপি, শহীদ সন্তান জাহিদ রেজা নূর, শহীদ সন্তান জেনোসাইড গবেষক ড. তৌহিদ রেজা নূর, শহীদ সন্তান ও প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার দত্ত, ডা. অঞ্জনা দত্ত, কর অ্যাডভোকেট জাহিদুল বারী, অধ্যাপক সুমিতা নাহা, ব্যারিস্টার আরশ আলী, অধ্যাপক দুলেন্দ্রনাথ ভৌমিক, অ্যাডভোকেট মায়া ভৌমিক, চিত্রকর জাহিদ মোস্তফা, মানিক দে, বিপুল শাহ, চিত্রশিল্পী অশোক কর্মকার, চিত্রশিল্পী কিরীটি রঞ্জন বিশ্বাস, রেজাউল হক লিটন, সঙ্গীতশিল্পী মঞ্জুয়ারা, চলচ্চিত্র শিল্পী চঞ্চল চৌধুরী, শাহনাজ খুশি, বৃন্দাবন দাস প্রমুখ।

Manual2 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ