সর্বদলীয় বৈঠকে যাচ্ছে না সিপিবি ও বাম গণতান্ত্রিক জোট

প্রকাশিত: ৬:১০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২৫

সর্বদলীয় বৈঠকে যাচ্ছে না সিপিবি ও বাম গণতান্ত্রিক জোট

Manual1 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাকা, ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না বাম গণতান্ত্রিক জোট ও সিপিবি। অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চ বৈঠকে সরাসরি অংশ না নিলেও তাদের একজন প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে বৈঠকে আমন্ত্রণের ত্রুটি-বিচ্যুতি তুলে ধরতে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘দুপুর দেড়টায় একটি ক্ষুদে ম্যাসেজ পেয়েছি। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক অবশ্যই গুরুত্ব বহন করে। কিন্তু এ অল্প সময়ের মধ্যে বাম গণতান্ত্রিক জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলে বৈঠক অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়।

Manual3 Ad Code

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও গণতন্ত্রমঞ্চের শীর্ষ নেতা মোঃ সাইফুল হক বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলের বৈঠকের ব্যাপারে এখন কোন মন্তব্য করতে চাই না। তবে সব কিছু পর্যবেক্ষণের জন্য গণতন্ত্রমঞ্চের একজন বা দু’জন প্রতিনিধি পাঠানো হবে। মঞ্চের অন্যতম নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না, আমি ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বৈঠকে অংশ নিচ্ছি না।

Manual5 Ad Code

সর্বদলীয় বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে গণতন্ত্রমঞ্চের অন্যতম নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে আমাদের যে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, সেখানে ত্রুটিবিচ্যুতি রয়েছে। বৈঠকে যাওয়া না-যাওয়ার বিষয় নিয়ে সকালে নাগরিক ঐক্যের অফিসে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিন্ধান্ত হয়েছে যে, বৈঠকে আমাদের একজন প্রতিনিধি হিসেবে জোনায়েদ সাকি যাবেন। তিনি গিয়ে সরকারের দাওয়াতের ত্রুটিবিচ্যুতি তুলে ধরে চলে আসবেন।

Manual6 Ad Code

তিনি আরও বলেন, আমরা তো সরকারকে সমর্থন দিয়েছি। সরকার কেন ছাত্রদের প্রতিনিধি হয়ে ডাকবে।

Manual4 Ad Code

উল্লেখ্য, বুধবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বৈঠকের তথ্য জানিয়ে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বতী সরকার বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জুলাইয়ের ঘোষণাপত্রের ওপর একটি সর্বদলীয় বৈঠক আয়োজন করবে।

জানা যায়, এ বৈঠকের ভেতর দিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি দলিল প্রণীত হবে। এর মাধ্যমে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে, কবে ঘোষণাপত্র জারি হবে এবং সরকার কীভাবে ঘোষণাপত্র জারির করার বিষয়ে ভূমিকা রাখবে। সব রাজনৈতিক দল এবং পক্ষের মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও প্রত্যাশা এ ঘোষণাপত্রে প্রতিফলিত হবে।