শ্রীমঙ্গলে এক জমি দুই দফা বিক্রি: সংবাদ সম্মেলনে এক ক্রেতার অভিযোগ

প্রকাশিত: ৭:১০ অপরাহ্ণ, মার্চ ১২, ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে এক জমি দুই দফা বিক্রি: সংবাদ সম্মেলনে এক ক্রেতার অভিযোগ

Manual2 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ১২ মার্চ ২০২৬ : শ্রীমঙ্গলে এক জমি দুই ব্যক্তির কাছে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এক ক্রেতা সংবাদ সম্মেলন করে অপর ক্রেতার বিরুদ্ধে জমি দখল নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ করেছেন।

Manual4 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) দুপুরে জমির ক্রেতা ও শহরতলীর উত্তরসুর এলকার বাসিন্দা ফারুক আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, স্থানীয় ইন্দ্রু মোহন শব্দ কর নামে এক ব্যক্তি ২২/১/১৯৭৬ ইং তারিখে উত্তরসূর মৌজায় আর, এস – ৭৭৫ খতিয়ানে ৫৮২৩ নং দাগে ১০ শতাংশ জমি নিলুফার হায়দার নামে এক নারীর কাছে বিক্রি করেন। যার দলিল নং ২২২/৭৬। ইন্দ্রু মোহন শব্দ কর পরদিন ২৩/১/১৯৭৬ ইং তারিখে একই জায়গা আবার তার ছেলে রমেশ শব্দ কর এর নিকট দলিল সম্পাদন করে দেন বলে জানতে পেরেছি।

Manual3 Ad Code

ফারুক আহমেদ দাবি করেন, তিনি ২৩ এপ্রিল ১৯৯৮ সালে জমির মালিক নিলুফার হায়দারের কাছ থেকে উক্ত জমি ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে নামজারি সংশোধন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, গত ১১ অক্টোবর ২০২৫ সালে জমির বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করতে গেলে প্রতিবেশী দোলন মিয়া এতে আপত্তি জানান এবং জমিটির মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কয়েক দফা সালিসি বৈঠকে বসেন।

ফারুক আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে দোলন মিয়াও একটি দলিল উপস্থাপন করেন। দলিল পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি ১৯৯৮ সালে ফারুক আহমেদ জমি ক্রয় করার কয়েক বছর পর একই জমি দ্বিতীয়বার দোলন মিয়ার কাছে বিক্রি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু তিনি আগে জমি ক্রয় করে নামজারি ও খাজনা পরিশোধের মাধ্যমে ভোগদখলে আছেন, তাই সালিসি বৈঠকে তার দাবির পক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

Manual6 Ad Code

তবে গত ৯ মার্চ জমিতে টিনের বেড়া দিলে দোলন মিয়া ও তার লোকজন বিকেলে এসে টিনের বেড়া ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ফারুক আহমেদ আরও অভিযোগ করেন, থানায় অভিযোগ করার পর থেকে প্রতিপক্ষ ফেসবুকের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মশিউর রহমান রিপন এবং যুবদল নেতা মুহি উদ্দিন ঝাড়ুর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হলেও তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিনি দাবি করেন, যুবদল নেতা মুহি উদ্দিন ঝাড়ুর এ ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ