সিলেট ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:০০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২৬
উদ্যোক্তাদের হয়রানি কমাতে ডিজিটাল সেবা; প্রয়োজন সীমিত কাগজপত্র, জেলা কার্যালয় থেকেও মিলবে সহায়তা
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২৬ : দেশে ক্ষুদ্র, কুটির, মাইক্রো ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য শিল্প নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। এখন ঘরে বসেই অনলাইনে শিল্প নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা যাচ্ছে। আবেদনের প্রক্রিয়াও আগের তুলনায় সহজ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের মধ্যে শিল্প নিবন্ধন সনদ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
বিসিকের অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিসের (ওএসএস) আওতায় এ সেবা দেওয়া হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের শিল্প নিবন্ধনের জন্য ossbscic.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রথমে নিবন্ধন করে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করে নির্ধারিত পাঁচটি ধাপে শিল্প নিবন্ধনের আবেদন সম্পন্ন করা যাবে।
বিসিক সংশ্লিষ্টদের মতে, শিল্প নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল করার ফলে উদ্যোক্তাদের সময় ও খরচ কমার পাশাপাশি অফিসে সরাসরি যাতায়াতের প্রয়োজনও অনেকাংশে কমবে। বিশেষ করে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা শুরু করার প্রাথমিক পর্যায়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় আনুষ্ঠানিক শিল্প খাতে প্রবেশের সুযোগ আরও বাড়বে।
যেভাবে আবেদন করতে হবে
বিসিকের শিল্প নিবন্ধন নিতে আগ্রহী উদ্যোক্তাকে প্রথমে ossbscic.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে ‘নিবন্ধন’ অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর নির্ধারিত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে।
লগইন করার পর শিল্প নিবন্ধনের আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করে নির্ধারিত পাঁচটি ধাপে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। আবেদনকারীর শিল্প প্রতিষ্ঠানের ধরন, অবস্থান, ব্যবসার প্রয়োজনীয় তথ্যসহ চাহিদা অনুযায়ী অন্যান্য তথ্য পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে আবেদন জমা দিতে হবে।
অর্থাৎ, শিল্প নিবন্ধনের জন্য উদ্যোক্তাকে দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। অনলাইনে নির্ধারিত ফরম পূরণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত ও আবেদন সাবমিট করেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা সম্ভব।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কম
বিসিকের অনলাইন শিল্প নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সংখ্যাও সীমিত রাখা হয়েছে। সাধারণভাবে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন হবে।
এ ছাড়া শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিচালনার স্থান ভাড়া নেওয়া হলে জায়গা বা দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র দিতে হবে। তবে এ কাগজপত্রটি প্রযোজ্য ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হবে।
অন্যদিকে, কেমিক্যাল বা বিশেষ খাতনির্ভর শিল্পের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন হতে পারে। অর্থাৎ শিল্পের ধরন অনুযায়ী অতিরিক্ত অনুমোদন বা ছাড়পত্রের প্রয়োজন থাকলে তা আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।
বিসিকের এ উদ্যোগে শিল্প নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চাপ কমানো হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে উদ্যোক্তারা দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সহজে শেষ করতে পারবেন।
তিন কার্যদিবসেই শিল্প নিবন্ধন সনদ
অনলাইনে আবেদন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের মধ্যেই শিল্প নিবন্ধন সনদ পাওয়ার কথা জানিয়েছে বিসিক। ফলে নিবন্ধন সনদের জন্য উদ্যোক্তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না।
বিসিকের এই সময়সীমা বাস্তবায়িত হলে নতুন শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন সম্পন্ন করাও সহজ হবে।
শিল্প নিবন্ধন সনদ একজন উদ্যোক্তার শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই দ্রুত নিবন্ধন পাওয়ার সুযোগ উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা এবং বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
জেলা বিসিক কার্যালয়েও জমা দেওয়ার সুযোগ
অনলাইনভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া চালু হলেও উদ্যোক্তাদের জন্য সরাসরি সহায়তার সুযোগও রেখেছে বিসিক। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনটি সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার সংশ্লিষ্ট বিসিক কার্যালয় বরাবর সাবমিট করা যাবে।
এ ছাড়া বিসিকের প্রধান কার্যালয়ের সম্প্রসারণ শাখা থেকেও সারা দেশের শিল্প নিবন্ধন প্রদান করা হয়।
অর্থাৎ উদ্যোক্তারা একদিকে অনলাইনে নিজেরাই আবেদন করতে পারবেন, অন্যদিকে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলা বিসিক কার্যালয়ে গিয়ে আবেদনসংক্রান্ত সহায়তাও নিতে পারবেন।
অনলাইনে সমস্যা হলে বিসিক কার্যালয়ে সহায়তা
ডিজিটাল সেবা চালু হলেও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বা অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অনভিজ্ঞ উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে। অনলাইনে আবেদন করতে কোনো ধরনের সমস্যা হলে উদ্যোক্তারা নিকটস্থ জেলা বিসিক কার্যালয়ে গিয়ে সহযোগিতা নিতে পারবেন।
বিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সার্বিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এর ফলে অনলাইন সেবা ব্যবহারে অনভিজ্ঞ উদ্যোক্তারাও শিল্প নিবন্ধনের সুযোগ থেকে পিছিয়ে পড়বেন না।
বিশেষ করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেক উদ্যোক্তার অনলাইনে সরকারি সেবা গ্রহণের অভিজ্ঞতা সীমিত। জেলা পর্যায়ে সরাসরি সহায়তা থাকায় তাঁদের জন্য ডিজিটাল নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়া সহজ হবে।
নতুন শিল্পের পাশাপাশি বিদ্যমান শিল্পেও সুবিধা
বিসিকের শিল্প নিবন্ধন সেবা শুধু নতুন শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য নয়; বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। নতুন শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যবসার প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পাশাপাশি বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের আওতায় আনার সুযোগ রয়েছে।
দেশে বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র, কুটির, মাইক্রো ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতি সক্রিয় রাখা এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু নানা কারণে অনেক ছোট উদ্যোক্তা ব্যবসা পরিচালনার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন না।
নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হলে এসব উদ্যোক্তাকে আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির আওতায় আনার সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে সরকারের কাছেও শিল্প খাতের প্রকৃত চিত্র ও উদ্যোক্তাদের বিষয়ে তথ্যভিত্তিক ধারণা তৈরি করা সহজ হবে।
সিএমএসএমই খাতের বিকাশে ভূমিকা রাখবে
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র, কুটির, মাইক্রো ও মাঝারি শিল্প খাতের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এ খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তবে উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা, নিবন্ধন ও অনুমোদনের দীর্ঘসূত্রতা অনেক সময় নতুন উদ্যোগের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বিসিকের অনলাইন শিল্প নিবন্ধন ব্যবস্থা সেই বাধা কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। অনলাইনে আবেদন, সীমিত কাগজপত্র এবং দ্রুত সনদ পাওয়ার সুযোগ উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরু করার সময় ও প্রক্রিয়া উভয়ই কমিয়ে আনতে পারে।
বিশেষ করে তরুণ উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা, পারিবারিক উদ্যোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য এ সেবা কার্যকর হতে পারে। একজন উদ্যোক্তা যদি সহজে শিল্প নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারেন, তাহলে পরবর্তী সময়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও আনুষ্ঠানিক আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা গ্রহণের পথ সুগম হতে পারে।
ডিজিটাল সেবায় হয়রানি কমার সম্ভাবনা
সরকারি সেবা গ্রহণে দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বড় সমস্যা ছিল সরাসরি অফিসে গিয়ে একাধিক ধাপে কাজ সম্পন্ন করা। এতে উদ্যোক্তাদের সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তিরও মুখোমুখি হতে হতো।
অনলাইনে শিল্প নিবন্ধনের ব্যবস্থা চালুর ফলে এ ধরনের ভোগান্তি কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। আবেদনকারী নিজেই ঘরে বসে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র অনলাইনে জমা দিতে পারবেন।
এতে আবেদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়ার পাশাপাশি সেবার সময়সীমাও নির্দিষ্ট রাখা সম্ভব হবে। সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের মধ্যে সনদ দেওয়ার লক্ষ্য থাকায় উদ্যোক্তাদের জন্য সেবাটি আরও কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ বার্তা
বিসিকের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তাদের প্রতি মূল বার্তা হলো—নতুন শিল্প শুরু করতে চাইলে কিংবা বিদ্যমান শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে চাইলে শিল্প নিবন্ধন এখন আর জটিল কোনো বিষয় নয়। অনলাইনে অ্যাকাউন্ট খুলে নির্ধারিত ধাপ অনুসরণ করলেই আবেদন করা সম্ভব।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও খুব বেশি নয়। এনআইডি, হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জায়গা বা দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ছাড়পত্র থাকলেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।
অনলাইনে আবেদন করতে সমস্যা হলে উদ্যোক্তারা নিকটস্থ জেলা বিসিক কার্যালয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে পারবেন।
শিল্পায়নে নতুন সম্ভাবনা
দেশের শিল্পায়নকে আরও বিস্তৃত করতে হলে শুধু বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান নয়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আনা জরুরি। স্থানীয় কাঁচামাল, দক্ষতা ও শ্রমশক্তিকে কাজে লাগিয়ে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারি সেবা যত সহজ ও দ্রুত করা যাবে, নতুন শিল্প উদ্যোগের সম্ভাবনাও তত বাড়বে।
বিসিক দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশে কাজ করে আসছে। শিল্প নিবন্ধন সেবা অনলাইনে নিয়ে আসা সেই ধারাবাহিকতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ফলে উদ্যোক্তাদের সরকারি সেবার সঙ্গে যুক্ত হওয়া সহজ হবে এবং শিল্প খাতের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে গতি আসবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্প নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি নিবন্ধিত উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন, বাজারসংযোগ, প্রযুক্তি সহায়তা ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ আরও সমন্বিতভাবে নিশ্চিত করা গেলে সিএমএসএমই খাতের বিকাশ ত্বরান্বিত হতে পারে।
বিসিকের লক্ষ্যও ক্ষুদ্র, কুটির, মাইক্রো ও মাঝারি শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের পাশে থাকা। অনলাইন শিল্প নিবন্ধন সেই সেবার পরিধিকে আরও সহজলভ্য ও উদ্যোক্তাবান্ধব করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শিল্প নিবন্ধনের জন্য ওয়েবসাইট: ossbscic.gov.bd
সংক্ষেপে: অনলাইনে অ্যাকাউন্ট খুলুন → লগইন করুন → পাঁচ ধাপে আবেদন সম্পন্ন করুন → প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন → আবেদন জমা দিন → সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের মধ্যে শিল্প নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করুন।

সম্পাদক : সৈয়দ আমিরুজ্জামান
ইমেইল : rpnewsbd@gmail.com
মোবাইল +8801716599589
৩১/এফ, তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০।
© RP News 24.com 2013-2020
Design and developed by ওয়েব নেষ্ট বিডি