কবি আল মাহমুদ বিষয়ে লিখলেই তেড়ে আসেন আমার আপন এবং কাছের মানুষেরা

প্রকাশিত: ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২২

কবি আল মাহমুদ বিষয়ে লিখলেই তেড়ে আসেন আমার আপন এবং কাছের মানুষেরা

Manual8 Ad Code

মুজতবা সৌদ |

আল মাহমুদ। বড়ো অস্বস্তি আর বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দেন বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান এই কবি। তাঁর বিষয়ে লিখলেই তেড়ে আসেন আমার আপন এবং কাছের মানুষেরা। কারণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেও বরাবরই উনার অবস্থান স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির সঙ্গে। সাহস পাই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে, পাঠচক্র চলার সময় অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের কাছে শোনা এক হাদিসের কল্যাণে। উনি বলছিলেন আরবী ভাষার বিখ্যাত কবি ইমরুল কায়েসের কথা। ইমরুল কায়েস (জন্ম ৫০১ খৃষ্টাব্দে ওমানের নাজ্দ এবং মৃত্যু ৫৪৪ খৃষ্টাব্দে তুরস্কের আঙ্কারা)। তাঁর কবিতার মুল বিষয়ই অশ্লীলতা। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সূচনা লগ্নে পাঠচক্র চলার সময়, কোন এক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার বলছিলেন, “সাহাবীরা রসুল (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ইমরুল কায়েস দোজখে যাবে কিনা? রসুল (সাঃ) এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন নি। তিনি বলেছিলেন, যদি যায়ও, সেখানেও তিনি আরবী ভাষার কবিদের বাদশা হবেন।” উল্লেখ করা যেতে পারে যে, রসুল (সাঃ) এর জন্মের আগেই, ইমরুল কায়েসের মৃত্যু হয়েছিল। (স্যারের এই বর্ণনার সত্যতা কখনো যাঁচাই করতে যাইনি। কারণ এর অন্তর্নিহিত বিষয়টি ভালো লেগেছিলো)। আল মাহমুদের “সোনালী কাবিন”, নিশিন্দা নারী”, “জল বেশ্যা”, “নোলক”, এমন অসংখ্য লেখা পড়ে আমি আপ্লুত হই। আবার প্রচন্ড বিদ্বেষ জন্মে যখন ভাবি, মুক্তিযোদ্ধা হয়েও, স্বাধীনতার পর থেকেই তিনি স্বাধীনতার শত্রুদের সঙ্গে ছিলেন। তাদের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। এমন কী প্রকাশ্য জনসভায় ভাষণ দিয়ে জানান দিয়েছেন, তিনি জামাত-শিবিরকে ভালবাসেন। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই আল মাহমুদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় জন্ম নেন। বন্ধুরা, ক্ষমা করবেন আমাকে। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে মাফ করেন।

Manual6 Ad Code

ছবিঃ একটি সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন আল মাহমুদ।

Manual3 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ