সাবেক স্পীকার বিচারপতি আব্দুল জব্বার খানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

প্রকাশিত: ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২৫

সাবেক স্পীকার বিচারপতি আব্দুল জব্বার খানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

Manual5 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদক | ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২৫ : সাবেক স্পীকার বিচারপতি আব্দুল জব্বার খানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী।

১৯৮৪ সনের ২৩ এপ্রিল তিনি ঢাকায় গুলশানস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।

Manual4 Ad Code

বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান ১৯০১ সনের ১ জানুয়ারি বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমে আইন ব্যবসা ও পরে বিচার বিভাগে যোগদানের পর তিনি পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি পদে উন্নীত হন। অবসর গ্রহণ করার পর তিনি মুসলিম লীগের রাজনীতিতে যোগ দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম লীগের সভাপতি ও পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পীকার নির্বাচিত হন। উনসত্তর সালে রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করে তিনি মূলতঃ স্কুল-কলেজ মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

বিচারপতি আব্দুল জব্বার খানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকায় তার কবরে ফাতেহা পাঠ, বিকালে তার পুত্র সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন-এর বাসভবনে পরিবারের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও বরিশালের বাবুগঞ্জের কেদারপুরে স্পীকার বিচারপতি আব্দুল জব্বারখান পাঠাগারের উদ্যোগে আলোচনা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

আবদুল জব্বার খান

বিচারপতি আবদুল জব্বার খান (১ জানুয়ারি ১৯০২ – ২৩ এপ্রিল ১৯৮৪) ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ষষ্ঠ স্পিকার। ফজলুল কাদের চৌধুরীর পর তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আবদুল জব্বার খান
জাতীয় পরিষদের স্পিকার
মেয়াদ : ১২ জুন ১৯৬৫ – ২৫ মার্চ ১৯৬৯:
ডেপুটি : ফজল ইলাহি চৌধুরী
পূর্বসূরী
ফজলুল কাদের চৌধুরী
উত্তরসূরী
জুলফিকার আলি ভুট্টো
রাজনীতি: মুসলিম লীগ (১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে), কনভেনশন মুসলিম লীগ (১৯৬২–১৯৬৯)।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Manual8 Ad Code

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

আবদুল জব্বার খান ১৯০২ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্গত অবিভক্ত বাংলার বরিশাল জেলার বাহেরচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বরিশাল জিলা স্কুল থেকে ১৯১৯ সালে প্রবেশিকা এবং বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯২১ সালে আই.এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি যথাক্রমে ১৯২৪ ও ১৯২৫ সালে আরবিতে বি.এ. ও এম.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯২৭ সালে বি.এল. ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবন : ১৯২৯ সালে আবদুল জব্বার খান সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিচারবিভাগে যোগ দেন। এসময় তিনি সাব জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ ও জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর ১৯৫৬ সালে তিনি ঢাকা উচ্চ আদালতের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

রাজনৈতিক জীবন : আবদুল জব্বার খান ১৯৬২ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর তিনি পাকিস্তান মুসলিম লীগে যোগদান করেন। এর দুই বছর পর ১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কনভেনশন) এর সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে বরিশাল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং একই বছরের ১০ জুন তাকে স্পিকার নির্বাচিত করা হয়।

Manual5 Ad Code

জনকল্যাণমূলক কাজ : কর্মজীবনের পাশাপাশি তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গঠন করেছেন।

মৃত্যু

আবদুল জব্বার খান ১৯৮৪ সালের ২৩ এপ্রিল ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

Manual2 Ad Code

সাবেক স্পীকার বিচারপতি আব্দুল জব্বার খানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ