আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ

প্রকাশিত: ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ

Manual1 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাকা, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ : আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হচ্ছে।

Manual5 Ad Code

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থার (ইউনেসকো) নির্ধারিত এ বছর সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতার প্রসার’।

সাক্ষরতা নিয়ে কাজ করা সরকারি প্রতিষ্ঠান উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলার ২৪৮টি উপজেলার ১৫-৪৫ বছর বয়সী সাড়ে ৪৪ লাখ জনগোষ্ঠীকে মৌলিক সাক্ষরতার আওতায় আনা হয়েছে। আর ১৪-১৮ বছর বয়সী যারা বিদ্যালয়ে যায়নি এমন কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এ পরিসংখ্যানের সঙ্গে বাস্তবতার মিল তেমন পাওয়া যায় না।

Manual8 Ad Code

সাক্ষরতায় দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় বাংলাদেশ
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাক্ষরতার দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। এ দিক দিয়ে প্রথম মালদ্বীপ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মালদ্বীপের সাক্ষরতার হার ৯৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শ্রীলংকায় সাক্ষরতার হার ৯২ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং ভারতে ৭৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আর পাকিস্তানে এ হার মাত্র ৫৮ শতাংশ। আর বাংলাদেশে এই হার ৭৮ শতাংশ।

Manual8 Ad Code

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এবং ১৯৭২ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপি হয়ে আসছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হলো সাক্ষরতা অর্জন করা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সাক্ষরতার সংজ্ঞায় ভিন্নতা থাকলেও ১৯৬৭ সালে ইউনেস্কো সর্বজনীন একটা সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। তখন শুধু কেউ নাম লিখতে পারলেই তাকে সাক্ষর বলা হতো। পরবর্তীতে প্রায় প্রতি দশকেই এই সংজ্ঞায় পরিবর্তন এসেছে এবং ১৯৯৩ সালের একটি সংজ্ঞায় ব্যক্তিকে সাক্ষর হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। যথা: ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে পারবে, নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য লিখতে পারবে, দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ হিসাব-নিকাশ করতে পারবে।

স্বাধীন বাংলাদেশে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য জাতিকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার সন্নিবেশিত হয়েছে। সাক্ষরতা এবং উন্নয়ন একই সূত্রে গাঁথা। নিরক্ষরতা উন্নয়নের অন্তরায়। টেকসই সমাজ গঠনের জন্য যে জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন তা সাক্ষরতার মাধ্যমেই অর্জন সম্ভব।

 

Manual2 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ