শ্রীমঙ্গলের খাদ্য স্বাদে ভিন্নতা: পানসী থেকে রিজিক, শেষে আদি নীলকণ্ঠ

প্রকাশিত: ১১:২১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০২৫

শ্রীমঙ্গলের খাদ্য স্বাদে ভিন্নতা: পানসী থেকে রিজিক, শেষে আদি নীলকণ্ঠ

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ১৪ নভেম্বর ২০২৫ : শ্রীমঙ্গলে ভ্রমণে এসে স্থানীয় রন্ধনশিল্পের স্বাদে ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী তমা রশিদ।

শুক্রবার নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি শহরের বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্টে খাবার গ্রহণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

স্ট্যাটাসে তিনি জানান, দিন শুরুর আগে পানসী রেস্টুরেন্টে বিফ তেহারি ও কলিজা অর্ডার করলেও আগের মতো স্বাদ না পাওয়ায় হতাশ হন। পরে জানতে পারেন, রেস্টুরেন্টটির লোকেশন বদলের সাথে বাবুর্চিও পরিবর্তিত হয়েছে। পুরোনো স্থানে এখন “রিজিক” নামে নতুন রেস্টুরেন্ট চালু হয়েছে—যেখানে পানসীর আগের বাবুর্চি কাজ করছেন।

Manual1 Ad Code

দুপুরে রিজিক রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, সেখানে মুরগি, চিংড়ি, মাছ ভর্তা, লাচ্ছি ও ফালুদা অর্ডার করেছিলেন। যদিও লাচ্ছির স্বাদ আগের মতো না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

Manual3 Ad Code

খাবার শেষে শ্রীমঙ্গলের বিখ্যাত সাত রঙের চা পান করতে তিনি যান আদি নীলকণ্ঠ টি–কেবিনে। তবে কাঙ্ক্ষিত সময়ে চা না পেয়ে ফিরে আসেন গ্র্যান্ড সুলতান রিসোর্টের সামনে, যেখানে তিনি আনারস খান। শ্রীমঙ্গলের আনারসের বিশেষ স্বাদের কথাও উল্লেখ করেন তমা রশিদ।

Manual7 Ad Code

দিন শেষে শহরের জনপ্রিয় ‘চামুং’ রেস্টুরেন্ট থেকে রেড পাস্তা, চিকেন ক্যাসুনাট সালাদ ও ‘চামুং ট্যাংগো টুইস্ট’ অর্ডার করলেও পছন্দের পায়েস না পেয়ে আফসোস প্রকাশ করেন তিনি। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি লিখেছেন, “এই পায়েস না খেতে পাওয়ার কষ্ট নিয়েই আগামীকাল ঢাকা চলে যাবো।”

Manual1 Ad Code

তার ভ্রমণের পুরো সময়ের পোশাকে ছিলেন জাতীয় ব্র্যান্ড Tamaara-এর আউটফিট।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ