সিলেট ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২৬ জুলাই ২০২৬ : ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান রূপকার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী আজ।
১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্ম নেওয়া সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের রাজনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও তরুণ প্রজন্মকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আলোচিত একটি নাম।
জয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তাঁর জন্ম হয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর নাম রাখেন ‘সজীব ওয়াজেদ জয়’।
জন্মের পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিবারের সদস্য হিসেবে বেড়ে ওঠা জয়ের শৈশব ও কৈশোরের বড় একটি সময় কেটেছে ভারতে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় জয় তাঁর মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে যান। সেখানে তাঁর শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় কাটে।
নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন জয়। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষাগত দক্ষতা এবং প্রশাসন ও নীতিনির্ধারণ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা পরবর্তী সময়ে তাঁর রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিবিষয়ক কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্যক্তিজীবনে ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাঁদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিক অভিষেক
শিক্ষাজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ থাকলেও সজীব ওয়াজেদ জয় আনুষ্ঠানিকভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন ২০১০ সালে। ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ লাভের মধ্য দিয়ে দলীয় রাজনীতিতে তাঁর আনুষ্ঠানিক অভিষেক ঘটে।
পরবর্তী সময়ে তিনি শেখ হাসিনা সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারের ডিজিটাল রূপান্তর, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার, তরুণদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়ন এবং ইন্টারনেট সেবা সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
২০০৭ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম তাঁকে ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার’ হিসেবে নির্বাচিত করে। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়।
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ধারণা ও প্রযুক্তির বিস্তার
২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার অঙ্গীকার বিশেষ গুরুত্ব পায়। পরবর্তী সময়ে এই ধারণাকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এসব উদ্যোগের সঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সম্পৃক্ততা ছিল বলে দলটির নেতাকর্মী ও প্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করে থাকেন।
ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা এবং সরকারি সেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। চরাঞ্চল, হাওর, পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকাতেও ইন্টারনেট সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রযুক্তিনির্ভর সরকারি সেবা, অনলাইনভিত্তিক যোগাযোগ, তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি, তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়গুলোও ডিজিটাল রূপান্তরের আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ
সজীব ওয়াজেদ জয়ের কর্মকাণ্ডের অন্যতম আলোচিত দিক তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাঁদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ওপর তিনি বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বারোপ করেছেন।
তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে তরুণদের কর্মসংস্থান, ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, স্টার্টআপ এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরির বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে। সরকারের বিভিন্ন ডিজিটাল উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতেও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে।
প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টদের একটি অংশের মতে, তথ্যপ্রযুক্তিতে তাঁর শিক্ষাগত পটভূমি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের আইসিটি খাতের নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন ভাবনায় ভূমিকা রেখেছে।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ও মহাকাশ প্রযুক্তি
বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশের আলোচনায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময় বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে স্যাটেলাইট যোগাযোগ ও সম্প্রচার প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা নতুন মাত্রা পায়। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রযুক্তি উন্নয়ন কর্মসূচির অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দলীয়ভাবে এ উদ্যোগকে তুলে ধরা হয়। এই বৃহত্তর প্রযুক্তি রূপান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভূমিকার বিষয়টিও আলোচিত হয়েছে।
দেশে-বিদেশে অবস্থান করেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়
সজীব ওয়াজেদ জয় দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থান করলেও বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়।
তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং তরুণদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি নিয়মিত মতামত প্রকাশ করেছেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতের তরুণদের মধ্যেও তাঁর বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আগ্রহ রয়েছে।
ডিজিটাল রূপান্তরের প্রভাব
গত দেড় দশকে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যে পরিবর্তন এসেছে, তার মধ্যে ইন্টারনেটের বিস্তার, ডিজিটাল সরকারি সেবা, মোবাইল ও অনলাইনভিত্তিক লেনদেন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান, ফ্রিল্যান্সিং এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা তৈরির প্রবণতা উল্লেখযোগ্য।
ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি উদ্যোক্তা ও তরুণ প্রযুক্তিবিদদের সম্মিলিত ভূমিকা রয়েছে। এর মধ্যে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নীতিগত ও পরামর্শমূলক ভূমিকা আওয়ামী লীগ ও সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
তাঁর সমর্থকদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহারকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত করার ক্ষেত্রে জয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে গ্রাম ও শহরের ডিজিটাল বৈষম্য কমানো এবং তথ্যপ্রযুক্তির সুযোগ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে।
জন্মদিনে সৈয়দ আমিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা
এদিকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, ’৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জাতীয় কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য, সাপ্তাহিক নতুন কথার বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়কে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তান এবং তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের বর্তমান যুগে বাংলাদেশের তরুণদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন এবং দেশকে আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিকে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও রাষ্ট্রীয় সেবার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করার যে প্রক্রিয়া বাংলাদেশে শুরু হয়েছে, তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি।
জন্মদিন উপলক্ষে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করেন সৈয়দ আমিরুজ্জামান।
ভবিষ্যতের বাংলাদেশে প্রযুক্তির গুরুত্ব
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতি, ফিনটেক, ই-কমার্স এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা কার্যক্রম ভবিষ্যতের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।
এ বাস্তবতায় বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা এবং ডিজিটাল অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ—প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র ও অর্থনীতি গড়ার যে ধারাবাহিকতার কথা বলা হয়েছে, সেখানে দক্ষ মানবসম্পদ, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানকে অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী তাই তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ ও ডিজিটাল রূপান্তরের গতিপথ নিয়েও নতুন করে আলোচনা ও মূল্যায়নের উপলক্ষ তৈরি করেছে।
প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্মকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সম্পাদক : সৈয়দ আমিরুজ্জামান
ইমেইল : rpnewsbd@gmail.com
মোবাইল +8801716599589
৩১/এফ, তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০।
© RP News 24.com 2013-2020
Design and developed by ওয়েব নেষ্ট বিডি