আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪৫ বছর পূর্তি উৎসব

প্রকাশিত: ৭:৫২ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০২৪

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪৫ বছর পূর্তি উৎসব

Manual8 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদক | ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২৪ : আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ৪৫ বছর পার করলো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। বিগত সাড়ে চার দশক ধরে কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রাণখোলা আড্ডা, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মুখরিত হবে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ভবন।

Manual5 Ad Code

এ উপলক্ষে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার সকাল সকাল ৯টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে দেশবরেণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সুসজ্জিত ও বর্ণিল র‌্যালির মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হবে কেন্দ্রের পূর্তি উৎসব। রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভবনে দিনব্যাপী প্রীতি সমাবেশ শুরু হবে সকাল ১০টায় এবং আয়োজন চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত।

Manual1 Ad Code

বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে অংশ নেবেন সারাদেশ থেকে ১০ হাজার আমন্ত্রিত অতিথি।

Manual5 Ad Code

‘আলোকিত মানুষ চাই’-এই শ্লোগান নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪৫ বছর পূর্তি উৎসব সম্পর্কে বলতে গিয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, ‘৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সংগঠক, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জাতীয় কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, সাপ্তাহিক নতুন কথা’র বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেন, “আলোকিত মানুষ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে স্বপ্নদ্রষ্টা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের হাত ধরেই সত্তর দশকের শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। হাটি হাটি পা পা করে ৪৫ বছর পূর্ণ হয়েছে তার। স্বাধীন, প্রজ্ঞাসম্পন্ন, চিন্তাশীল ও সৃজনশীল মূল্যবোধসম্পন্ন, শক্তিশালী মানুষ তৈরির লক্ষ্যেই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ৪৫ বছর থেকে কাজ করছে। সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজবিদ্যাসহ বিশ্বজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ বইগুলোর পঠন-পাঠন এই কাজের অন্তর্ভুক্ত।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কোনো গৎ-বাঁধা, ছক-কাটা, প্রাণহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি সপ্রাণ সজীব পরিবেশ- জ্ঞান ও জীবন সংগ্রামের ভেতর দিয়ে পূর্ণতর মনুষ্যত্বে ও উন্নততর আনন্দে জেগে ওঠার এক অবারিত পৃথিবী। এক কথায়, যাঁরা সংস্কৃতিবান, কার্যকর, ঋদ্ধ মানুষ- যাঁরা অনুসন্ধিৎসু, সৌন্দর্যপ্রবণ, সত্যান্বেষী; যাঁরা জ্ঞানার্থ, সক্রিয়, সৃজনশীল ও মানবকল্যাণে সংশপ্তক ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; তাঁদের পদপাতে, মানসবাণিজ্যে, বন্ধুতায়, উষ্ণতায় সচকিত একটি অঙ্গন।
মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্নবিষয়ক জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্য। আর তাই এর ৪৫ বছর পূর্তি উৎসব আয়োজন বর্ণাঢ্য ও উৎসবমূখর হোক, সেই প্রত্যাশা করছি।”